Thursday, 19 March 2026 |
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন
সব ক্যাটাগরি

ট্যাটুর কারণে মা-ছেলের পুনর্মিলন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 110 বার

প্রকাশিত: October 19, 2013 | 12:56 PM

ডেস্ক: ২৪ বছর আগে মুম্বই রেল স্টেশনে মানুষের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলেন। বয়স তখন মাত্র ৬। ১৯৮৯ সালে বাবা-মা’র থেকে আলাদা হওয়ার পর প্রথমে কিছুদিন এক মাছচাষির তত্ত্বাবধানে পরে দুটি এতিমখানায় বড় হয়ে ওঠেন গণেশ রঘুনাথ ধাংগাড়ে। ভাগ্যের পরিহাসে গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চার মাস অচেতন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আঘাতের কারণে পরিবার, বাবা-মা’র কথা ঠিকমতো মনে করতে কষ্ট হয় তার। তারপরও নিজ পরিবারকে খুঁজে বের করতে হাল ছাড়েননি তিনি। বছরের পর বছর ধরে পুলিশ স্টেশনগুলোতে হারানো ব্যক্তিদের তালিকা খুঁজে ফেরেন। অবশেষে ২০১১ তে নিজেই পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। নিজ বাবা-মাকে খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা কখনই বাদ দেননি বলে জানালেন গণেশ। তার কাছে ক্লু ছিল একটাই। ডান হাতে তার মা’র নাম লেখা একটি ট্যাটু। সেখান থেকে মা’র নাম ‘মান্ডা’ এতটুকু তথ্য নিশ্চিত হয়ে মাকে খুঁজে ফেরেন তিনি। গাড়ি দুর্ঘটনার পর তাদের বাসার ঠিকানা ভুলে গিয়েছিলেন। প্রথম যে এতিমখানায় ছিলেন সেখানে দেয়া তথ্য থেকে সেটা খুঁজে বের করতে সক্ষম হন তিনি। সেখানে দেশের বাড়ির নাম দিয়েছিলেন, মামা ভাঞ্জা। এলাকাটি মুম্বইয়ের পার্শ্ববর্তী একটি জেলার অরণ্যের মধ্যে অবস্থিত। এ মাসের শুরুতে গণেশ তার সহকর্মীদেরকে সঙ্গে নিয়ে তার মাকে খুঁজতে সেখানে যান। খুঁজতে খুঁজতে কেউ একজন তাদেরকে পাহাড়ের উপরে একটি কুঁড়েঘরের দিকে নির্দেশ করে দেন। সেখানে মান্ডা নামক এক বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে বাস করে আসছে বলে জানতে পারেন তারা। ভদ্র মহিলাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মনে করে বলেন, অনেক বছর আগে তিনি তার এক ছেলেকে হারিয়েছিলেন। নিশ্চিত হওয়ার জন্য গণেশ তাকে প্রশ্ন করেন, ওই ছেলেকে শনাক্ত করার মতো কোন চিহ্ন আছে কিনা। হাতে একটি ট্যাটু ছিল বলে জবাব দেন তিনি বিন্দুমাত্র কালক্ষেপণ না করে গণেশ সঙ্গে সঙ্গে তার ডান হাতের ট্যাটুটি দেখাতেই তার মা মুহূর্তেই চিনতে পারে এই তার ২৪ বছর আগে হারানো ছেলে। কিছুক্ষণের জন্য নেমে আসে অখণ্ড নীরবতা। পর মুহূর্তেই দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরেন। অশ্রুসজল হয়ে ওঠে মা-ছেলে দুজনের চোখ। গণেশ এখন যতটা সম্ভব সময় দেন তার মা ও ফিরে পাওয়া দুই ভাই ও একমাত্র বোনকে। গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনা প্রবাহ এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় বলে জানালেন গণেশ।মানবজমিন 

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV