Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬ সম্পন্ন, ২০২৭ সালের বইমেলা ২১-২৪ মে নিউ জার্সিতে এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক জাবেদ উদ্দিনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান
সব ক্যাটাগরি

ট্রাম্প ঠেকানোর স্লোগানে প্রবাসীরা : ৯০% এর আশংকা হিলারি জয়ী না হলে তছনছ হবে আমেরিকান স্বপ্ন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 46 বার

প্রকাশিত: October 11, 2016 | 3:40 PM

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক : আসছে ৮ নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীরাও দারুনভাবে আবর্তিত হচ্ছেন। তবে আনন্দ-উল্লাসে নয়, চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা বিরাজ করছে সর্বস্তরে। প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যেকার দ্বিতীয় বিতর্কের পর অনেক প্রবাসী নিজেদের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। অর্থাৎ নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে আরো জোরালোভাবে জড়িয়ে পড়েছেন। এ নির্বাচনকে তারাও নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করছেন। বিশেষ করে, কলেজ/ভার্সিটিতে অধ্যয়নরত অথবা চাকরিরত মুসলিম প্রজন্ম আসন্ন নির্বাচনকে ৮ বছর আগের চেয়েও বেশী তাৎপর্যপূর্ণ বলে ভাবছেন।

সোমবার দিনভর প্রবাসীদের এক জরিপে জানা যায় তাদের মধ্যেকার উদ্বেগের তথ্য। ৯০% এর আশংকা, হিলারিকে জয়ী করতে না পারলে কারো পক্ষেই আর স্বপ্নের আমেরিকায় নিরাপদ/স্বচ্ছন্দে বসবাস করা সম্ভব হবে না। তারা উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গিকার করলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত রিপাবলিকানদের কাছে তা দলিত হতে বাধ্য।

এনআরবি নিউজের জরিপে অংশগ্রহণকারিদের মধ্যে মাত্র ১০% দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক ভীতকে নড়বড়ে করার একক অধিকার বা ক্ষমতা থাকবে না ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তাই অযথা উদ্বেগ-উৎকন্ঠার প্রয়োজন নেই। এ শ্রেণীর প্রবাসীরা অবশ্য উল্লেখ করেছেন যে, কংগ্রেসের উভয় কক্ষ যদি ডেমক্র্যাটদের দখলে এসে যায়, তাহলে ট্রাম্পের পক্ষে ‘যা খুশী তাই করা’ কখনোই সম্ভব হবে না। ৬৫% এর ধারণা আসন্ন নির্বাচনে সিনেট ও হাউজে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে রিপাবলিকানরা। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বারাক ওবামাকেই শুধু বিজয় দেয়নি, একইসাথে কংগ্রেসের উভয় কক্ষই ডেমক্র্যাটদের দখলে এসেছিল। এবারও একজন নারীকে বিশাল বিজয় দিয়ে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণও ডেমক্র্যাটরা পুনরুদ্ধারে সক্ষম হবে। ‘রিপাবলিকান ট্রাম্পের মত লম্পট আর বাটপাড় কীভাবে জনমত জরিপে’ হিলারির কাছাকাছি অবস্থান করে-সেদিকে ইঙ্গিত করে জরিপে অংশগ্রহণকারিদের ৪২% বলেছেন, ‘এত্থেকেই আমেরিকানদের মধ্যেও পশ্চাদমুখী দৃষ্টিভঙ্গির নগ্ন বহি:প্রকাশ ঘটে।’

‘বিগত কয়েক দশকের অভিজ্ঞতায় সিক্ত হিলারি ক্লিন্টনের সাথে ‘মিথ্যুক, চাপাবাজ আর টকেটিভ’ ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোন তুলনাই হওয়া উচিত নয়’-মন্তব্য ৬০% বাংলাদেশী-আমেরিকানের। তারা উল্লেখ করেন, ‘নিজের স্বার্থে বরাবরই কঠোর পরিশ্রমী শ্রমিকদের ঠকাতে অভ্যস্ত এবং এ যাবত কমপক্ষে ৬ বার নিজেকে দেউলে ঘোষণাকারি ব্যক্তি (ট্রাম্প) কীভাবে রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পেয়েছেন, সেটিও ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে। সে তাগিদ থেকেই আমেরিকায় নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে ডেমক্র্যাট শিবিরের হয়ে কাজ করার পাশাপাশি হিলারির নির্বাচনী তহবিলে সাধ্যমত সহায়তা করতে হবে।’
প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন দৌড়ে অবতীর্ণ হবার পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসী, নারী শ্রমিক, মুসলমানদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য/বক্তব্য দিচ্ছেন। মুসলমানদেরকে আমেরিকায় নিষিদ্ধ করার কথা বারবার বলছেন। নিরাপদ জীবন-যাপনের অভিপ্রায়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর যারা অভিবাসনের মর্যাদা পাননি, এমন সোয়া কোটি বিদেশীকে ঢালাওভাবে বহিষ্কারের কথাও বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসব কারণে, অভিবাসী সমাজের মত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও ভেতরে ভেতরে টেনশনে রয়েছেন। যারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণের পর এতদিন ভোটার হিসেকে তালিকাভুক্ত হননি, তারাও এখন তালিকাভুক্ত হচ্ছেন। ‘মিলিয়ন মুসলমান ভোটার তালিকাভুক্তির’ অভিযানে নেমেছে মসজিদসমূহের কর্মকর্তারা। জুমআর নামাজের পর মসজিদের বাইরে টেবিল বসিয়ে ভোটার তালিকাভুক্তির ফরম পূরণ করা হচ্ছে।

জরিপে অংশগ্রহণকারিরা জানান, ‘ইউএস কাউন্সিল অব মুসলিম অর্গানাইজেশন্স’ কর্তৃক এ অভিযান চলছে এবং ৫ লক্ষাধিক মুসলমান ইতিমধ্যেই তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে এই সংস্থার বোর্ড মেম্বার ওসমা আবু ইরশাদ এনআরবি নিউজকে বলেন, ‘আমরা মুসলিম-আমেরিকানদের বলতে চাই যে, আপনারা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের অধিকার বর্জন করতে চান, তাহলে কেউই তা ফিরিয়ে দিতে পারবে না। ভার্জিনিয়া এবং ফ্লোরিডার মত রাজ্যে একটি ভোটেরও মূল্য অপরিসীম। অথচ এ দুটি রাজ্যেই বিপুলসংখ্যক মুসলমান বহু আগেই সিটিজেনশিপ গ্রহণ করেও ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হননি।’
নভেম্বরের নির্বাচনের আগে তারাও ভোটার হয়ে ভোট বিপ্লবে নিজেদের অবস্থানকে জোরালোভাবে উপস্থাপনে সক্ষম হবেন বলে উল্লেখ করেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের অন্যতম বৃহৎ ‘বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার জামে মসজিদ’র প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব আবুল হাশেম। তিনি বলেন, ‘আগের যে কোন নির্বাচনের চেয়ে এবারের নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। একইসাথে দুটি ইতিহাস রচিত হবে। একটি হচ্ছে, একজন মহিলাকে প্রেসিডেন্ট বানানো। আরেকটি হচ্ছে, মুসলিম-আমেরিকানদের জোরালো অবস্থানের স্পষ্ট জানান দেয়া।’

এস্টোরিয়াস্থ আল আমিন মসজিদের পেসিডেন্ট জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি প্রেসিডেন্ট হন, তাহলে মুসলিম-আমেরিকানদেরই শুধু দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত হতে হবে না, প্রতি পদে হেনস্থা আর হয়রানির আশংকা শতভাগ বাড়বে।’ জরিপে অংশগ্রহণকারি ইউএস সুপ্রিম কোর্টের এটর্নী মঈন চৌধুরী বলেন, ‘এবারের নির্বাচনটি সকলের জন্যেই চ্যালেঞ্জের। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে হিলারিকে বিশাল বিজয় দিয়ে। আর সে বিজয় হবে প্রতিটি অভিবাসীর। আমি ব্যক্তিগতভাবে হিলারির জন্যে কাজ করছি।’

ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার খোরশেদ খন্দকার বলেন, ‘নারী ক্ষমতায়নে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনেও হিলারিকে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। আমরা আরো জোর কদমে হিলারির পক্ষেই মাঠে রয়েছি।’ ৪৫ দেশের শিল্পপতি-ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘বাই-ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স’র নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিকুর রহমান বলেন, ‘ফ্লোরিডার মুসলমানসহ অভিবাসী সমাজ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মাঠে রয়েছে। আমরা কোনভাবেই ফ্লোরিডায় হিলারিকে পরাজিত হতে দেব না। আমরা চাচ্ছি অন্যসব সুইং স্টেটের চেয়ে অনেক বেশী ভোটে হিলারিকে জয়ী করতে।’

মিড-টাউন ম্যানহাটানের ব্যবসায়ী এবং এনআরবি বিজনেস ফোরামের প্রধান নির্বাহী জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ক্রেতা সাধারণের মধ্যে ট্রাম্প ভীতি বিরাজ করছে। ভীতির এ অবস্থান ঘটাতে বিবেকসম্পন্ন সকল আমেরিকানকে জোট গড়ার আহবান জানাচ্ছি সকল ফোরাম থেকে। একইসাথে কংগ্রেসে বাংলাদেশ ককাসের সকল সদস্যকে আবারো বিজয়ী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশীদের কাজের অনুরোধ রাখছি।’ ‘সুযোগ-সামর্থ্য অনুযায়ী সকলেই যেন ডেমক্র্যাটিক পার্টির নির্বাচনী তহবিলে সহায়তা করে হিলারির বিজয়কে নিশ্চিত করেন’-আহবান জাকারিয়া চৌধুরীর। আমেরিকান মুসলিম ডেমক্র্যাটিক ককাসের নির্বাহী সদস্য জুনায়েদ আকতার বলেছেন, ‘ডেমক্র্যাট হিসেবেই শুধু নয়, অভিবাসী সমাজের সদস্য হিসেবেও আমাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হচ্ছে হিলারিকে জয়ী করে নিজেদের ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্য থেকে উদ্ধারের।’

লসএঞ্জেলেস কম্যুনিটি লিডার মোমিনুল হক বাচ্চু সকল প্রবাসীর প্রতি উদাত্ত আহবান রেখেছেন, নির্বাচনে কেন্দ্রে গিয়ে হিলারিকে ভোট প্রদানের জন্যে।
নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এশিয়ান-আমেরিকান কাউন্সিলর আকতার হোসেন বাদল বলেছেন, ‘হিলারি ক্লিন্টন হচ্ছেন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। তাই প্রতিটি বাংলাদেশীর উচিত হচ্ছে তার ক্যাম্পেইনে শরিক হওয়া। এখন পর্যন্ত সেটিই ঘটছে। আমি ব্যক্তিগভাবে ভারতীয়, চায়নিজ, পাকিস্তানী, শ্রীলংকান-আমেরিকানদের নিয়ে কাজ করছি। হিলারির ভোট ব্যাংক আরো সুসংহত করার আওয়াজ তুলে ফ্লোরিডা, পেনসিলভেনিয়া, ভার্জিনিয়া আর সাউথ ক্যারলিনার মত সুইং স্টেটে জনজোয়ারের প্রত্যাশায় রয়েছি। ইতিমধ্যেই ট্রাম্প ঠেকানোর স্লোগান উঠেছে।’ভার্জিনিয়ার ব্যবসায়ী ও ডেমক্র্যাট মোহাম্মদ হোসাইন বলেছেন, ‘আমাদের এ রাজ্যে যারা সিটিজেনশিপ নিয়েছেন তারা সকলেই হিলারির পক্ষে মাঠে নেমেছেন। আমরা সময় এবং অর্থ দিচ্ছি ট্রাম্পকে ধরাশায়ী করার জন্যে।’

রিপাবলিকান পার্টির তালিকাভুক্ত নিউইয়র্কের গিয়াস আহমেদ বলেন, ‘দলীয় বিচেনায় এবার ভোট প্রদানের অবকাশ নেই। প্রার্থী হিসেবে অনেক বেশী যোগ্য হিলারি, সে বিবেচনায় আমি তার পক্ষেই কাজ করছি এবং সকল রিপাবলিকানের প্রতি ট্রাম্পকে বর্জনের অনুরোধ জানাচ্ছি।’প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের ঘনিষ্ঠ হিসেবে হিলারি ক্লিন্টন বাংলাদেশ সফর করেছেন। বিল ক্লিন্টন হচ্ছেন প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি বাংলাদেশ সফর করেছেন। শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ক্লিন্টন শুধু ঢাকা সফরই করেননি, হোয়াইট হাউজেও শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এসব কারণে, হিলারি ক্লিন্টনের রয়েছে বিশেষ একটি দরদ বাংলাদেশের প্রতি। সেদিকে ইঙ্গিত করেই নিউইয়র্কে সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের শুভ চান বলে যাকে মনে হয় তার প্রতিই আমার সমর্থন থাকবে।’ বিশেষ করে নারী প্রার্থীর প্রতি একটি বিশেষ দুর্বলতাতো আমার থাকেই-মন্তব্য শেখ হাসিনার।

জরিপে অংশগ্রহণকারিদের ৮৫% শেখ হাসিনার এমন মনোভাবের প্রতি সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘দেশের প্রতি অগাধ ভালবাসার অনন্য এক উদাহরণ হয়ে থাকবে তার এ স্পষ্ট উচ্চারণ। অনেকেই ভেবেছিলেন শেখ হাসিনা হিলারির বিপক্ষে কথা বলবেন।’ নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, ভার্জিনিয়া, ম্যারিল্যান্ড, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, মিশিগান, ইলিনয়, আরিজোনা, ক্যান্সাস, টেক্সাস, ম্যাসেচুসেট্্স প্রভৃতি রাজ্যের বাংলাদেশী-আমেরিকানরা এ জরিপে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারিদের মধ্যে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থক হিসেবে তালিকাভুক্তরাও রয়েছেন। ছিলেন কলেজ-ভার্সিটিতে অধ্যয়নরত প্রজন্মের সদস্যরাও।

দলগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির লোকজনও হিলারির পক্ষে মাঠে রয়েছেন। জরিপে অংশগ্রহণকারির অধিকাংশই মনে করছেন যে, বাংলাদেশীসহ দক্ষিণ-এশিানদের প্রায় সকলেই হিলারিকে ভোট দেবেন। এদিকে, রোবারের বিতর্কের প্রাক্কালে এনবিসি/ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে হিলারি ১১% এগিয়ে থাকার তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। হিলারিকে ৪৬% সমর্থন দিয়েছেন। ট্রাম্পের এ সমর্থনের হার ৩৫%। প্রথম বিতর্কের সময়ে পরিচালিত জরিপের চেয়ে হিলারির সমর্থন ৫% বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV