দ্বিতীয়বারের মত জাতিসংঘের “CEDAW”এর সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ব্রাসেলসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইসমত জাহান
জাতিসংঘের “COMMITTEE ON THE ELIMINATION OF DISCRIMINATION AGAINST WOMEN”র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ব্রাসেলসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইসমত জাহান। এর আগে তিনি উক্ত কমিটির সদস্য হিসেবে ২০১১-২০১৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বপালন করেন। এবার পুনরায় নির্বাচিত হয়ে তিনি ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। নিউইয়র্ক সময় ২৬ জুন বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের কোনো বিশেষজ্ঞের দ্বিতীয়বারের মত আন্তর্জাতিক কমিটিতে নির্বাচিত হওয়ায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এতে প্রমানিত হচ্ছে এমডিজি’র অন্যতম লক্ষ্য নারী শিক্ষা ও নারীদের কাজের ক্ষেত্র প্রসারে বাংলাদেশ আজ বিশ্বব্যাপী পথ প্রদর্শক।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের “COMMITTEE ON THE ELIMINATION OF DISCRIMINATION AGAINST WOMEN” বিষয়ক কমিটির ১২টি শূন্য পদে নির্বাচন হয়। ১৮ জন প্রার্থী এতে অংশ নেয়।
গত ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনের পর যেভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি দেশে এবং দেশের বাইরে নেতিবাচক প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছিল তাতে করে বাংলাদেশ এই কমিটিতে নির্বাচিত হতে পারবে কিনা সংশয়ে ছিল। কিন্তু সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ আজ উক্ত কমিটিতে দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচিত হয়েছে। বিজয়ী অন্যদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে কিউবা, তুর্কি, অস্ট্রিয়া, মরিতাস, সুইজারল্যান্ড, জাপান, পেরু, ইসরাইল, আলজেরিয়া, জর্জিয়া এবং মিশর। বাংলাদেশ এই কমিটিতে নির্বাচিত হতে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন ও তাঁর সহকর্মীগন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ব্যাপক প্রচারনা করেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিগত আলজেরিয়া ন্যাম সম্মেলনে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী,এম.পি এবং সম্প্রতি বলিভিয়ায় জি-৭৭ ও চীনের ৫০তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘের সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের সাথে উক্ত নির্বাচনে জয়ের লক্ষে ব্যাপক প্রচারনা অব্যাহত রাখেন। নানা ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে এ বিজয় নিশ্চিত করা জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন ও মিশনের আরো দু’জন কর্মকর্তা বিগত কয়েকমাস ধরে অব্যাহত প্রচারনার ফলে এটি সম্ভব হয়েছে। যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জল করেছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রেই যেমন রোল মডেল হিসেবে পরিচিত, তেমনি একইসঙ্গে বিভিন্ন নির্বাচনসহ জাতিসংঘে বিভিন্ন মৌলিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভাবকের কাজ করে থাকে। যা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশ করছে বলে সর্ববৃহৎ এ বিশ্ব সংস্থাটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব সময়ই সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন লাভে সামর্থ্য অর্জন করেছে। যা জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেনের যোগ্য নেতৃত্বের কারনে সম্ভব হয়েছে বলে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের অনেকেই মনে করে।
গত ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনের পর যেভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি দেশে এবং দেশের বাইরে নেতিবাচক প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছিল তাতে করে বাংলাদেশ এই কমিটিতে নির্বাচিত হতে পারবে কিনা সংশয়ে ছিল। কিন্তু সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ আজ উক্ত কমিটিতে দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচিত হয়েছে। বিজয়ী অন্যদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে কিউবা, তুর্কি, অস্ট্রিয়া, মরিতাস, সুইজারল্যান্ড, জাপান, পেরু, ইসরাইল, আলজেরিয়া, জর্জিয়া এবং মিশর। বাংলাদেশ এই কমিটিতে নির্বাচিত হতে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন ও তাঁর সহকর্মীগন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ব্যাপক প্রচারনা করেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিগত আলজেরিয়া ন্যাম সম্মেলনে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী,এম.পি এবং সম্প্রতি বলিভিয়ায় জি-৭৭ ও চীনের ৫০তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘের সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের সাথে উক্ত নির্বাচনে জয়ের লক্ষে ব্যাপক প্রচারনা অব্যাহত রাখেন। নানা ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে এ বিজয় নিশ্চিত করা জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন ও মিশনের আরো দু’জন কর্মকর্তা বিগত কয়েকমাস ধরে অব্যাহত প্রচারনার ফলে এটি সম্ভব হয়েছে। যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জল করেছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রেই যেমন রোল মডেল হিসেবে পরিচিত, তেমনি একইসঙ্গে বিভিন্ন নির্বাচনসহ জাতিসংঘে বিভিন্ন মৌলিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভাবকের কাজ করে থাকে। যা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশ করছে বলে সর্ববৃহৎ এ বিশ্ব সংস্থাটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব সময়ই সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন লাভে সামর্থ্য অর্জন করেছে। যা জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেনের যোগ্য নেতৃত্বের কারনে সম্ভব হয়েছে বলে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের অনেকেই মনে করে।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes