নিউইয়র্কের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী অ্যাটর্নি সোমা সায়ীদ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাটর্নি সোমা সায়ীদ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক পদে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। তিনি নিউইয়র্কের ডিস্ট্রিক্ট-১১ থেকে এই পদে নির্বাচন করেন। তার প্রাপ্ত ভোট ২৫৫,১২৩। এর আগে তিনি কুইন্স ডিস্ট্রিক্টের সিভিল কোর্টের বিচারক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক পদে জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি নতুন ইতিহাস গড়লেন। কারণ কুইন্সে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি, প্রথম মহিলা সাউথ এশিয়ান এবং প্রথম মুসলিম নারী, যিনি বিচারক নির্বাচিত হলেন। জয়ী হয়ে তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তার এই জয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষ ভীষণ আনন্দিত। সবাই তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
সোমা সায়ীদ বিজয়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই জয় আমার একার নয়, এই জয় পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির। জয়ের পেছনে অবদান রাখায় তিনি ভোটার, তার সমর্থক ও শুভাকাক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। কেবল বাংলাদেশি কমিউনিটি নয়, অন্যান্য কমিউনিটির ভোটাররাও তাকে ভোট দিয়েছেন। তাই তিনি সকলের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
সোমা সায়ীদ কুইন্স কাউন্টির জজ নির্বাচিত হওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ প্রসিকিউটর এবং প্রাইভেট প্র্যাকটিশনার ভাস্ট কমিউনিটি ও প্রোবনো বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আলবেনি ল’ স্কুল থেকে আইন বিষয়ে জুরিস ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। এর আগে তিনি নিউইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটির সিটি কলেজ থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলে ছোটবেলার শিক্ষাজীবন কাটিয়েছেন।
তিনি একাধিক লিডারশিপ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি নিউইয়র্ক এশিয়ান আমেরিকান জজ অ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি প্রথম সাউথ এশিয়ান ও মুসলিম প্রেসিডেন্ট হিসেবে কুইন্স কাউন্টি ওমেন্স বারের দায়িত্ব পালন করেছেন। সোমা সাঈদ ছোট বেলায় তার পরিবারের সাখে টাঙ্গাইল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। তাঁর পিতা আফতাব উদ্দিন সাঈদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন ম্যাজিস্ট্রেট/বিচারক, এবং তাঁর মা ছিলেন দুটি কন্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইলে। শিক্ষা, সমতা ও ন্যায়বিচারের যে মূল্যবোধ তাঁরা তাঁকে শিখিয়েছেন, সেটিই আজ তাঁর পেশাগত জীবন ও সমাজসেবার মূল চালিকা শক্তি।
জজ সাঈদের যাত্রা গভীরভাবে প্রোথিত সমাজসেবা ও পারিবারিক ঐতিহ্যে। স্বামীর অবিচল সহায়তায় তিনি প্রথম রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন একটি নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিল নির্বাচনের মাধ্যমে, যা পরবর্তীতে তাঁর বড় অর্জনের পথ খুলে দেয়।
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
