নিউইয়র্কে পবিত্র শবে মিরাজুন্নবী (সা:) আলোচনা সভা : মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ নিশ্চিতের লক্ষ্যই মিরাজ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : রাসূল (সা:) এর মিরাজ ইসলামের ইতিহাসের তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাগুলোর অন্যতম। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। নবী মুহাম্মাদ (সা:) এর জীবনে এই বিধানের পূর্ণতা অনুধাবনের জন্যই মিরাজের ঘটনা সংঘটিত হয়। মানুষের ব্যক্তি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র কিভাবে সুশৃঙ্খল পন্থায় পরিচালিত হবে তার ধারণা দেওয়া হয়। মিরাজের বরকতপূর্ণ রাতে রাসূল (সা.) উম্মতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ১৪ দফা দিক-নির্দেশনা লাভ করেন। রাসুল (সা.) কে প্রদত্ত মূলনীতির ১টি ছাড়া বাকি ১৩টিই সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কিত। শবে মিরাজের ১৪ দফা বাস্তবায়ন করতে হলে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রয়োজন। এর ভিত্তিতেই রাসূল (সা:) মদিনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহর দেয়া এই ঐতিহাসিক ১৪ উপহার কিয়ামত পর্যন্ত মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে। গত ১৫ জানুয়ারী বৃহম্পতিবার পবিত্র মিরাজুন্নবী (সা:) উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কে মুনা সেন্টার অফ জ্যাকসন হাইটস (মসজিদ নামিরাহ) কৃর্তক আয়োজিত আলোচনা সভায় নেতৃবন্দ এ সব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ের এই অশান্ত পৃথিবীকে শান্তির পয়গাম দিয়ে যায় রাসূলের (সা:) পবিত্র শবে মি’রাজ। মুহাম্মদ (সা) এর জীবনী আমরা যদি ভালোভাবে দেখি এটা স্পষ্ট হয় যে, মহান আল্লাহ তাকে স্বশরীরে পরিভ্রমণ তথা মিরাজে নিয়ে গিয়েছেন। কুরআনেও বলা হয়েছে তাকে রাত্রে ভ্রমণ করানো হয়েছে। মিরাজ স্বশরীরেই হয়েছিল। সে কথা নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করেছিলেন আবু বকর (রা.)। তাইতো তাকে সিদ্দিক উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এখন আবু বকর সিদ্দিক (রা:) এর মতো ঈমানদার মানুষ প্রয়োজন। এই মহিমান্বিত রজনীতে আল্লাহ তা’য়ালা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করে দিয়েছেন। নামাজ সমাজ গড়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। নামাজ মানুষকে যাবতীয় অশ্লীলতা ও অপকর্ম থেকে বিরত রাখে। আমাদের শ্লোগান হতে হবে; আগে নামাজ পরে কাজ। নামাজ আমাদের সকল বিভেদ ভুলে পারস্পরিক ঐক্য, নেতৃত্বের আনুগত্য ও সামাজিক শৃংখলা শিক্ষা দেয়। তাই একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণকামী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য নামাজের ভূমিকা অপরিসীম।
আলোচকবৃন্দ বলেন, মিরাজ মসজিদের গুরুত্বকে মানুষের মনে প্রোথিত করে, কেননা, আল্লাহ তায়ালা তার হাবিবের মিরাজকে শুরু করিয়েছিলেন মসজিদ থেকে। আবার শেষ হয়েছে মসজিদে। এর মাধ্যমে একথাই প্রমাণিত হয় যে, মসজিদই হচ্ছে মুসলমানদের জাগতিক ও পরলৌকিক জীবনের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে সব জাতি আর বর্ণ একাকার হয়ে যায়। জানান দেয় বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্বের।
জ্যাকসন হাইটস মুনা সেন্টারের অর্থ সম্পাদক মাওলানা মু. ফখরুল ইসলাম মাছুমের সভাপতিত্বে ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির স্টাডি বোর্ড সদস্য আজগর আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সেন্টার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মমিনুল ইসলাম মজুমদার। প্রধান আলোচক ছিলেন মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা অলিউর রহমান সিরাজী। আলোচনা করেন, মসজিসের সেক্রেটারী কায়কোবাদ করিব, এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী নাসির উদ্দিন আহমেদ, স্টাডি বোর্ড সদস্য হামিমুর রহমান হামিম। শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মিজানুর রহমান। ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করেন আরাফাত রহমান।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল
- New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion