Tuesday, 27 October 2026 |
শিরোনাম
Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচন : জিয়া-সেলিম প্যানেলের প্রচারণা তুঙ্গে, জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ প্যানেলের মামলার হুমকি. দু’কমিশনারের পদত্যাগ প্রসঙ্গ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 177 বার

প্রকাশিত: March 18, 2017 | 3:22 PM

নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে আসন্ন চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচনে জিয়া-সেলিম প্যানেলের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বেশ জমে উঠেছে। নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের কাছে যাচ্ছে এ প্যানেলের প্রার্থীরা। অপরদিকে জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ প্যানেলের প্রার্থীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অনিয়ম সংশোধন না করলে নির্বাচন বর্জনসহ আইনগত ব্যবস্থা নেবে তারা।

জিয়া-সেলিম প্যানেলের সাংবাদিক সম্মেলন : কুচক্রী-মহলকে সমুচিৎ জবাব দেবার জন্য চট্টগ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ

জিয়া-সেলিম প্যানেলের আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, আগামী ২রা এপ্রিল কুচক্রী-মহলকে সমুচিৎ জবাব দেবার জন্য চট্টগ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, জিয়া-সেলিম পরিষদের ব্যানারে। চট্টগ্রাম সমিতিকে প্রবাসের অন্যতম প্রধান সংগঠনের পরিণত করাই হবে আমাদের লক্ষ্য। চট্টগ্রামবাসীর আমানতের খিয়ানত নয়, রক্ষাই হবে আমাদের প্রধান এবং সর্বপ্রথম কাজ।তারা বলেন,  জিয়া-সেলিম পরিষদে স্থান করে নিয়েছেন চট্টগ্রাম সমিতির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। চট্টগ্রামবাসী জিয়া-সেলিম পরিষদে ভোট দেবার মাধ্যমে চট্টগ্রাম সমিতিকে নতুনভাবে অগ্রযাত্রার পথে সামিল করবেন।
তারা বলেন, আমরা আজকের এই সভার মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীর কাছে আবেদন জানাতে চাই, যারা চট্টগ্রাম সমিতির ভাবমূর্তিকে ধুলায় মিশিয়ে দিয়েছেন, যারা চট্টগ্রাম সমিতির অর্থ নয়-ছয় করেছেন, আসুন আমরা তাদের বিরুদ্ধে সিম্মিলিত ভাবে রুখে দাঁড়াই।
গত ১৩ মার্চ জ্যাকসন হাইটসে মেজবান রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তাতারা এসব কথা বলেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সভাপতি প্রার্থী আবদুল হাই জিয়া, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ হানিফ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, সাবেক সভাপতি কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার সৈয়দ এম রেজা ও প্যানেল পরিচালক মো: হারুন প্রমুখ।
তারা বলেছেন, এরমধ্যে চট্টগ্রামবাসী জানতে পেরেছে একটি কুচক্রিমহল সমিতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার ষড়যন্ত্র করছে। আমরা দ্ব্যার্থহীনভাবে আজকে বলতে চাই, চট্টগ্রাম সমিতির বিরুদ্ধে যদি কোন ধরনের মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে মামলার সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সামাজিকভাবে তাদেরকে বয়কট করা হবে।

তারা বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভিন্নমত অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় শামিল না হয়ে, আমাদের কিছু বন্ধুরা ছলচাতুরী এবং হুমকি বা ধামকীর মাধ্যমে চট্টগ্রাম সমিতির নেতৃত্ব আসতে চাচ্ছেন, যা অত্যন্ত দু:খজনক। জিয়া-সেলিম পরিষদের জনপ্রিয়তায় তারা ভীত হয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়াতে চাচ্ছেন বলেও জনশ্রুতি আছে।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম সমিতির কার্য্যকরী কমিটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। কার্য্যকরী কমিটির সভাপতি সকলের উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। কার্যক্রমও যথারীতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সংবিধানে ১৫.৬ ধারা মোতাবেক কমিশন অথবা কমিশনের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে তা ১০% সদস্যের স্বাক্ষর সহ কমিশন গঠনের ৭২ ঘন্টার মধ্যে লিখিত ভাবে কার্য্যকরী কমিটির নিকট পেশ করার বিধান রয়েছে। কথিত জাহাঙ্গীর বিল্লাহ গং এই ধরনের কোন আবেদন দাখিল করেননি। উপরন্ত নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আয়োজিত সবকটি সভায় তারা সদলবলে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তারা গত ২৬ শে ফেব্রুয়ারী যথারীতি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সবচেয়ে হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে, যখন নিজেদের ভুলে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তখনি নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয় বলে মিডিয়ার সামনে কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই চট্টগ্রাম সমিতির গঠনতন্ত্রের ১৫.৩ ধারা মোতাবেক মনোনয়নপত্র বাতিল, নির্বাচন কমিশনের সঠিক সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।
তারা বলেন, জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ গং বিভিন্ন সময়ে আমাদের সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে ভোটার তালিকা নিয়ে তাদের মিথ্যাচার, অতীতের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে। সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকসহ কার্য্যকরী কমিটির পূর্ণাঙ্গ সস্মতিতেই ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এই সংক্রান্ত সকল তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষিত আছে। সুতরাং ভোটার তালিকা সঠিক নয় বলে তারা যে দাবী করেছেন তাও ধোপে টিকে না।
তারা আরো অভিযোগ করেছেন শীতের মৌসুমে নির্বাচন ঘোষণা করা যুক্তিযুক্ত হয়নি। এখানে উল্লেখ না করলেই নয় যে, চট্টগ্রাম সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ ছয়মাস পূর্বেই শেষ হয়ে গেছে। শীতের মৌসুমের দোহাই দিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা করেছেন তারা, কারণ ইতিমধ্যে তাদের সভাপতি প্রার্থী তার ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ উল্লেখ করে নির্বাচন পেছানোর জন্য ‘মামার বাড়ীর আব্দার’ করেছেন, যা চট্টগ্রাম সমিতির সাধারণ সদস্য বা সদস্যা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। যে ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চাইছেন, তিনি সমিতির নেতৃত্বে আসলে কি ফলাফল হবে তা সহজেই অনুমেয়। এছাড়াও চট্টগ্রাম সমিতির সংবিধানের ১৫.১ ধারা মোতাবেক ষাট দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা উল্লেখ আছে।
বক্তারা বলেন, জিয়া-সেলিম পরিষদ চট্টগ্রাম সমিতির সাধারণ সদস্যদের আমানত রক্ষা করার জন্য এই নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি এবং কোষাধ্যক্ষের ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম চট্টগ্রাম সমিতির সদস্যদের শংকায় ফেলেছে। যেখানে লক্ষাধিক ডলার চট্টগ্রাম সমিতির ব্যাংক একাউন্টে জমা থাকার কথা, সেখানে আজ তা শূণ্য। চট্টগ্রাম সমিতিকে বিপদে ফেলে সভাপতি প্রমোদ ভ্রমনে বাংলাদেশে গেছেন। কোষাধ্যক্ষ বিল্লাহ সমিতির হিসাব না দিয়ে আবারো সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে।

জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ প্যানেলের সাংবাদিক সম্মেলন : অনিয়ম সংশোধন না করলে আইনগত ব্যবস্থা

চট্রগ্রাম সমিতির আসন্ন নির্বাচনের অনিয়ম সংশোধন না করলে নির্বাচন বর্জনের হুমকী দিয়েছে ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেল। সেই সাথে নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুমকি  দেন প্যানেলটির সভাপতি পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। গত ৫ মার্চ রোববার বিকেলে জ্যাকসন হাইটসসের খাবারবাড়ি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতি প্রার্থী বলেন যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। নির্বাচনের আগেই তারা বিতর্কিত। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোক্তাদির বিল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের ৪জন প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষনা করেছে যা গঠনতন্ত্র পরিপন্থি। তিনি নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের তিব্র নিন্দা জানান এবং খুব শিগগির নির্বাচন কমিশন তাদের সিদ্ধান্ত সংশোধন করে এই প্যানেলের ২১ জন প্রার্থীর পূর্ণ প্যানেল ঘোষনা দেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী তফসীল অনুযায়ি, কোন আঞ্চলিক সংগঠনের সদস্য এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনা। অথচ আঞ্চলিক সংগঠনের সদস্য হওয়ায় ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলের ৩ জন প্রার্থী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এসব প্রার্থী অংশ নিতে পারবেন না বলে তারা অভিযোগ করেন।

চট্রগ্রাম সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীকারি ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের ক্রীড়া সম্পাদক পদপ্রার্থী প্রবীর দাশ (দিপু), কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদপ্রার্থী পুলক কান্তি দাশ, মোহাম্মদ আকতার হোসেন ও তৌহিদ হাসান খানের প্রার্থীতা অযোগ্য বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

কিভাবে একটা ভোটার তালিকা চুড়ান্ত হবে সে রকম গ্রহণযোগ্য অনেকের প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনের বরাবরে দিলেও ওনারা এগুলোর তোয়াক্কা করেননি। শুধু শুনা ছাড়া যেমন “বিচারমানি তাল গাছ আমার” নীতি চট্টগ্রামবাসীর এ প্রাণের মেলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে চলেছেন। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে তারা বলেন, আপনাদের এহন ব্যর্থতার দায়ভার কেন চট্রগ্রামবাসী বহন করবে বা জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ পরিষদের সম্মানিত চারজন প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল মেনে নেবে। আপনারা কেনই বা অন্য আর একটি প্যানেলের তিনজন প্রার্থীকে সব তথ্য প্রমাণ পাওয়ার পরেও বাতিল করতে গড়িমসি করতেছেন। চট্রগ্রাবমাসী ও জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ পরিষদ সম্মানিত সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে জানতে চায়। তারা বলেন, আমাদের অন্যায় আবদার নয়, সমিতির গঠণতন্ত্র, আপনাদের ঘোষিত তফশীল এবং সর্বোপরি কোন দলকে সরাসরি সমর্থন করে কমিশনের কাজ করা ছাড়া এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন হিসেবে নির্বাচন পরিচালনার কোন যোগ্যতাই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং সমিতিকে একটি আইনগত অবস্থানে পৌঁছাইয়া চট্রগ্রামবাসীর আমানত (প্রায় ৫০ হাজার অধিক) ডলার অবৈধভাবে হাতে রেখে মামলার মত ন্যাক্কারজনক কাজে উৎসাহ যোগাচ্ছেন। তাই আমরা স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং সবার গ্রহণযোগ্য একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন এ মুহুর্তে জরুরী মনে করি এবং কার্যকরী কমিটির প্রধানদের কাছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন রাখছি। অন্যথায় জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ পরিষদ চট্রগ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে আপনাদের অপসারণ নিশ্চিত করবে।

চট্টগ্রাম সমিতির দুই কমিশনারের পদত্যাগ সংক্রান্ত খবরের প্রতিবাদ ও কমিশনের বক্তব্য

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় চট্টগ্রাম সমিতির ২ জন কমিশনারের পদত্যাগ সংক্রান্ত খবর নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই খবরের প্রতিবাদ করে কমিশন জানায়, কমিশনের কাছে এখনো কোন কমিশনার পদত্যাগ পত্র জমা দেয়নি এবং এই ধরণের খবরে চট্টগ্রামবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করেছেন পাশাপাশি এই ধরণের বিভ্রান্তি মূলক সংবাদ পরিবেশন থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিরত থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষে কাজী খায়রুল বাশার গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, মূলত: উল্লেখিত দুজন কমিশনার কিছু দাবী উত্তাপন করে তা মেনে নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অন্যথায় তারা নির্বাচনী কর্মকান্ডে সহযোগিতা থেকে বিরত থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে যেহেতু সংগঠনের গঠণতন্ত্র অনুযায়ী শপথ নেয়ার পর থেকে আজ অবধি যেসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা সকলের মতামতের ভিত্তিতে নেয়া হয়েছে যদি কোন বিষয়ে কারো দ্বিমত পরিলক্ষিত হয়েছে সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সদস্যের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করা হয়েছে।
কমিশন এখনো বিশ্বাস করে সকলে যে ভাবে নির্বাচিনী কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছেন তা নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাবেন এবং নির্বাচন কমিশনকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন পাশাপাশি চট্টগ্রাম সমিতিকে গতিশীল করতে সহযোগিতা করবেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ