নিউইয়র্কে জেবিবিবিএ’র অভিষেক ৩০ অক্টোবর, নির্বাচিত কমিটি ছাড়া নাম-লগো ব্যবহার করলে আইনগত ব্যবস্থা : নেতৃবৃন্দ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজেনেস এসোসিয়েশন অব এনওয়াই-জেবিবিএ’র নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আদালতের আদেশ মোতাবেক জেবিবিএ’র নির্বাচিত কমিটি ছাড়া অন্য কারো নাম ও লগো ব্যবহারের অধিকার নেই। আদলতের আদেশ অমান্য করে জেবিবিএ’র নাম ও লগো ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, জেবিবিএ’র নির্বাচিত কমিটি বহাল থাকা অবস্থায় অন্য কারো সাধারণ সভা ডাকারও কোন অধিকার নেই। সাধারণ সভা ডাকার প্রয়োজন হলে কার্যকরী পরিষদই ডাকবে।
নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে গত ১৩ অক্টোবর শনিবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেবিবিএ’র নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকু। এরপর সভাপতি শাহ নেওয়াজ মূল বক্তব্য তুলে ধরেন। এসময় জেবিবিএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান খান, মোহাম্মদ মাহবুব এ চৌধুরী, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বেলাল আহমেদ সহ জেবিবিএ’র কার্যকরী পরিষদের ১৫জন কর্মকর্তার মধ্যে ১০ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। দু’জন কর্মকর্তা বাংলাদেশ অবস্থান করছেন বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ৫ সদস্য বিশিষ্ট জেবিবিএ’র নতুন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে বলেও জানান হয়। উপদেষ্টারা হলেন জাকারিয়া মাসুদ জিকো, মোহাম্মদ মাহবুব এ চৌধুরী, তারেক হাসান খান, আনোয়ার হোসেন ও এডভোকেট জাকির এইচ মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩০ অক্টোবর জেবিবিবিএ’র নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুর রহমান টুকু বলেন, সভাপতি শাহ নেওয়াজ আর সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকুর নেতৃত্বাধীন কমিটিই জেবিবিএ’র নির্বাচিত ও বৈধ কমিটি। কিন্তু কে বা কারা বা কোন এক কুচক্রীমহল বেনামে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে জেবিবিএ’র লগো ব্যবহার করে সাধারণ সভা আহ্বান করেছে। যাতে আদালতের আদেশ অমান্য হয়েছে।
মাহবুবুর রহমান টুকু বলেন, জেবিবিএ’র নির্বাচন ঘিরে ইতিপূর্বে দায়ের করা আদালতের রায়ে জেবিবিএ’র নাম ও লগো অন্য কারো ব্যবহারে বাধা নিষেধ রয়েছে। আগামীতে যদি কেউ পুনরায় জেবিবিএ’র নাম ও লগো ব্যবহার করেন তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সভাপতি শাহ নেওয়াজ বলেন, জেবিবিএ’র গত নির্বাচন ঘিরে বিগত দিনে যারা মামলার বাদী হয়েছিলেন তারা জেবিবিএ’র সদস্য ছিলেন না। আর আদালতের রায় আছে জেবিবিএ’র নির্বাচিত কমিটি ছাড়া অন্য কেউ জেবিবিএ’র নাম ও লগো ব্যবহার করতে পারবেন না। তাই কার্যকরী পরিষদ ছাড়া অন্য কারো সাধারণ সভা ডাকারও কোন সুযোগ নেই। কিন্তু মিডিয়ার মাধ্যমে দেখছি কে বা কারা জেবিবিএ’র নামে ও লগো ব্যবহার করে সাধারণ সভা আহ্বান করেছে, যা অবৈধ। আমরা এব্যাপারে এটর্নীর সাথে কথা বলেছি এবং আগামী দিনে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।
সংবাদ সম্মেলনে শাহ নেওয়াজ বলেন, জেবিবিএ’র কার্যকরী পরিষদের প্রথম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৩০ অক্টোবর মঙ্গলবার জেবিবিবিএ’র নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে। জ্যাকসন হাইটসের বেলোজিনো পার্টি হলে এই অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে। কার্যকরী পরিষদের সভায় নতুন উপদেষ্টা পরিষদও গঠন করা হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক টুকু জেবিবিএ’র নতুন উপদেষ্টা পরিষদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি জানান, জেবিবিএ’র গঠনতন্ত্র মোতাবেক বিদায়ী সভাপতি হিসেবে জাকারিয়া মাসুদ জিকো ছাড়াও আরো ৪জনকে উপদেষ্টা মনোনীত করা হয়েছে। কার্যকরী পরিষদের সভায় উপদেষ্টা মনোনয়নের জন্য ১২জনের নাম উত্থাপিত হলে সেখান থেকে ৪জনকে মনোনীত করা হয়। সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন না এবং কার্যকরী পরিষদেও থাকতে পারবেন না। তারা শুধু উপদেশ প্রদান করবেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শাহ নেওয়াজ বলেন, আমরা চেয়েছিলাম জেবিবিএ’র একটি নিজস্ব অফিস প্রতিষ্ঠান। কিন্তু নির্বাচন ঘিরে মামলা-মোকদ্দমা আর ব্যবসায়ীদের মধ্যকার অনৈক্যের কারণে অফিস প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ব্যাহত হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এবার জেবিবিএ’র ভোটার তালিকায় কোন ভুয়া ভোটার ছিলো না। আর যারা ভোটার হননি, তারা তো ভোট দেওয়ার অধিকারও রাখেন না। তবে নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিপক্ষের কাছে প্রস্তাব রেখেছিলাম যে, জেবিবিএ’র সদস্য হতে হলে সবাই মিলে গাইড লাইন তৈরী করি। কিন্তু সে প্রস্তাবে তারা এগিয়ে আসেন নি। আর নির্বাচন কমিশন ভোটার লিস্ট পরিবর্তন করতে পারেন। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে শাহ নেওয়াজ বলেন, বিভক্তিতে আমরা হ্যাপি নই। কিন্তু আমরা বসে থাকতেও পারি না। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে শাহ নেওয়াজ বলেন, জেবিবিএ-তে ছোট বা বড় ব্যবসায়ী বলতে কিছু নেই। সদস্য হিসেবে সবার অধিকার সমান। যদি সাংগঠনিকভাবে কোন ছোট ব্যবসায়ী অভিজ্ঞ হন, ভালো সংগঠন বুঝেন তবে তার নেতৃত্বে আসতে বাঁধা থাকার কথা নয়। আর বড় ব্যবসায়ী হলেই যে ভালো নেতৃত্ব দিতে পারবেন এমনটি নয়। সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান খান বলেন, সংগঠনকে গতিশীল রাখতে কাউকে না কাউকে দায়িত্ব নিতে হবেই। আর কেউ যদি ঐক্য না চায়, তাহলে তো বিভক্তি থাকবেই।
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women