নিউজিল্যান্ডে হত্যাযজ্ঞে নিউইয়র্কে মুসলমানদের পাশে ইহুদি-খ্রিস্টান কমিউনিটি
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসীর হামলায় পাঁচ বাংলাদেশিসহ ৫০ জন নিহত হওয়ার ঘটনাটিকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার জুমার নামাজে বিভিন্ন মসজিদে কড়া প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়। নিউইয়র্কের বিভিন্ন বাংলাদেশি মসজিদে মুসলমানদের পাশে দাঁড়িয়ে সম্প্রতির বার্তা দিচ্ছেন ইহুদি, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সব ধর্মের মানুষ। রোববার বাংলাদেশিদের পরিচালিত নিউইয়র্কের অন্যতম বৃহৎ মসজিদ জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে আসেন বিভিন্ন ধর্মের নেতারা।
নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জন নিহতের ঘটনার পর প্রতিদিনই যুক্তরাষ্ট্রের মসজিদগুলোতে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলার দিন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার মসজিদে আসেন কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং, এসেম্বলিম্যান, কাউন্সিলম্যান ও নিউইয়র্কের পুলিশপ্রধান কমিশনার জেমস ও’নীল। এ ঘটনায় ম্যানহাটানের একটি মসজিদে প্রেসব্রিফিং করেন নিউইয়র্কের সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাজিও। মূলধারার রাজনীতিবিদরা সবাই ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে মুসলমানদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।
রোববার জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের মসজিদ আল মামুরে আসেন ইহুদি, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ ধর্মের নেতারা।
নিউইয়র্কের ইহুদি নেতা রাব্বি মার্ক শ্নায়ার বলেন, নিউইয়র্কে আমরা সর্ব ধর্মের মানুষ মিলে মিশে বসবাস করছি। যেকোনো পরিস্থিতিতে আমাদের এ সম্প্রীতি ধরে রাখতে হবে। এজন্যই আমরা মুসলমানদের পাশে থাকার জন্য মসজিদে ছুটে এসেছি। তিনি নিউজিল্যান্ডে শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার নিন্দা জানান।
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক কর্মকর্তা ডা. মো. মাহমুদুর রহমান তুহিন বলেন, সর্ব ধর্মের নেতারা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে এসে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিষয়ে তাদের সোচ্চার ভূমিকার কথা ব্যক্ত করেছেন।
সমাবেশে আন্ত:ধর্মীয় নেতারা ধর্মীয় সহিংসতা বন্ধে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর তাগিদ দেন।
পশ্চিমা বিশ্বে কোথাও কোনো হামলা হলে সেখানে হামলাকারী যদি অমুসলিম হন তাহলে ওই হামলার ঘটনা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড (টেররিস্ট অ্যাক্টিভিটি) হিসেবে আখ্যায়িত হয় না। মুসলমান কেউ জড়িত থাকলেই কেবল সেটিকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বলা হয়। কিন্তু ব্যতিক্রম দেখা গেল এবার। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন নিউজিল্যান্ডের হামলাকে সরাসরি শেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীর সন্ত্রাসী হামলা বলে শিরোনাম করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সবকটি টিভি চ্যানেল সারাদিন তাদের বুলেটিনে নিউজিল্যান্ডে হামলার ঘটনাটি শীর্ষ সংবাদ হিসেবে প্রচার করেছে।
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৫ বাংলাদেশিসহ ৫০ জন মুসলমানকে হত্যা করে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী সন্ত্রাসী ব্রেনটন ট্যারেন্ট। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠালে হামলাকারীকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত রিমান্ড নেয়া হয়।
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং