Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature
সব ক্যাটাগরি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশী সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত বিনিময়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 53 বার

প্রকাশিত: September 27, 2022 | 2:12 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২২, নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশী সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট  একটি দল সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে অংশগ্রহনের জন্য বর্তমানে নিউইয়র্ক সফর রত মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনান সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে অব্যাহত এবং ক্রমবর্ধমান সংখ্যালঘু নির্যাতনের একটি টেকসই সমাধান কল্পে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানান।

এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার প্রভাষক ডক্টর দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য, জগন্নাথ হল এলামনাই এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও মহামায়া মন্দিরের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট শ্যামল চক্রবর্তি, ইউনাইটেড হিন্দুজ অফ আমেরিকার সিনিওর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের ডিরেক্টর ভজন সরকার,  যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক ও বাংলাদেশে পূজা সমিতির ডিরেক্টর বিষ্ণু গোপ, এবং মূল ধারার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, যুক্তরাষ্ট্র যুব ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি ডক্টর দিলীপ নাথ। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন একজন প্রতিমন্ত্রী, একজন এম.পি. ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ও ডেপুটি কনসাল জেনারেল এবং সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাবৃন্দ।

    

ডক্টর দিলীপ নাথের উদ্যোগে আয়েজিত দেড় ঘন্টারও অধিক সময় স্থায়ী উক্ত সভায় প্রতিনিধি দলের প্রত্যেকের বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী মনযোগ সহকারে শোনে তাঁদের দাবি ও উদ্বেগের বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করে মতামত ব্যাক্ত করেন এবং  বিভিন্ন পরামর্শ দেন।  তিনি প্রতিনিধিদের স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, বাংলাদেশে সকল নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে, এবং সংখ্যালঘু নির্যাতকদের বিচার সব সময়ই হচ্ছে এবং আইনের হাত থেকে কোন অপরাধীই রেহাই পাবে না। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দীর্ঘ সময় ব্যাপী এই আলোচনায় হেইট ক্রাইম ও স্পীচ্, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন, পুজোর সময় নিরাপত্তা জোরদার করা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বরাবরে লিখিত যে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করা হয়, তাতে যে সুপারিশনামা রয়েছে সেগুলো নিম্নরূপ:

(১) একটি বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করে, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ’ পর্যন্ত সংঘটিত সকল সংখ্যালঘু নির্যাতনের শ্বেতপত্র তৈরি করে প্রকাশ করুন, এবং অবিলম্বে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে জজ সাহাবুদ্দীন কমিশন রিপোর্টে চিহ্নিত সংখ্যালঘু নির্যাতকদের বিচার করে দুষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করুন। আর, যারা নির্যাতনের শিকার তাদের সার্বিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে ক্ষতিপূরণ দিন।

(২) ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতে”র মিথ্যা অজুহাতে আটক এবং এই “অপরাধে” শাস্তিপ্রাপ্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত সকলকে  অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে, পুলিশকে এই অমানবিক নিষ্ঠুরতা বন্ধ করতে নির্দেশ দিন।

(৩) ইউনেস্কো স্বীকৃত বাঙালীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দুর্গাপূজো/শারদোৎসব সহ সকল প্রধান পূজাপার্বণে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন।

(৪) একটি হেইট ক্রাইম ও স্পীচ্ আইন পাশ করে সকল সংখ্যালঘু নির্যাতকদের ওই আইনে বিচার করে কঠোর শাস্তি দিন।

(৫) একটি জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন, সংখ্যালঘু মন্ত্রনালয় গঠন করুন, এবং একটি সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন পাশ করুন।

(৬) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আদলে হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃস্টান ফাউন্ডেশন গঠন করুন।

(৭) সংখ্যালঘু নির্যাতক ও এর সহায্যকারীদের নির্বাচনে নমিনেশন দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

(৮) অর্পিত সম্পিত্তি প্রত্যার্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ব্যবস্থা গ্রহন করুন।

(৯) পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে করুন।

(১০) ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনর্বহাল করে দেশের সকল নাগরিকের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা করুন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV