Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে দেখার কেউ নেই : জানেনা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 178 বার

প্রকাশিত: February 15, 2015 | 3:10 PM

দেলওয়ার হোসাইন: বাংলাদেশে টানা অবরোধ-হরতালের কারণে পুরোপরি বন্ধ রয়েছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের প্রায় এক লক্ষাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী। অভিভাবকরা স্কুলে বারবার যোগাযোগ করলেও জানতে পারছেন না কবে স্কুল খুলবে। স্কুলের মাসিক বেতন জমা দিতে এসেও গেট থেকে ফিরে আসছেন তারা। এসব বিষয়ে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে দেখার কেউ নেই বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। রাজধানীর ম্যাপল লিফ, ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড, সাউথব্রিজ, সানিডেল, সানবিমসহ আরো কয়েকটি স্কুলে ঘুরে এসব তথ্য জানাগেছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই বলে দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন। অথচ বাংলা মাধ্যমের স্কুলগুলোতে ঠিকই নজর রাখছেন। হরতাল-অবরোধের মধ্যেও কোনো স্কুল যাতে বন্ধ না থাকে সে ব্যাপারে নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

অভিভাবকরা বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোতে সিটি পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে ফেব্র“য়ারি মাসে। এখনো আমাদের ছেলে-মেয়েরা জানতে পারছেন না কবে তাদের সিটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর মে মাসে ‘ও’এবং ‘এ’ লেভেলর ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা হবে। দেশের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোতে ক্যামব্রিজ ও এডেক্সেলের সিলেবাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর আওতায় পরীক্ষাগুলো সারাবিশ্বে একই দিন একই সময় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এতে সিলেবাস অসম্পূর্ণ রেখেই  ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষায় বসতে হবে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্কুল এক্সাম ম্যানেজার মঞ্জুর হোসেন মামুন এই প্রতিবেদককে বলেন, ব্রিটিশ কাউন্সিল শুধু ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর পরীক্ষার ব্যবস্থা করে। এছাড়া অন্য কোন বিষয়ে দেখাশুনা করে না। হরতাল-অবরোধের কারণে স্কুলগুলোতে ক্লাশ হচ্ছে কি না তা দেখার দ্বায়িত্ব ব্রিটিশ কাউন্সিলের নয়। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলোই জানাবে হরতাল-অবরোধের কারণে তাদের স্কুলেগুলোতে ক্লাশ হচ্ছে কি না। কারণ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো দেখভালের দ্বায়িত্ব ব্রিটিশ কাউন্সিলের নয়। ফলে তাদের ক্লাশের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। শুধু শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করলে আমরা পরীক্ষার নেয়ার ব্যবস্থা করি।

এবিষয়ে মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো শুধু নিবন্ধন করে বোর্ড থেকে এছাড়া আর কোন দায়বদ্ধতা তাদের নেই। এজন্য তারা আমাদের কোন কোথাও শুনছে না। কিন্তু যেভাবেই হোক আমরা যখন বিধিমালা তৈরি করেছি তখন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিষয়টা ইগনোর করেছি। ২০০৭ সালে বিধিমালাটা তৈরি হয়েছে তখন তাদেরকে ইগনোর করা হয়েছে। এতে আমরা একটা পার্থক্য করে ফেলেছি। অথচ এটার পার্থক্য হলো শুধু কারিকুলামে। একটা ব্রিটিশ কারিকুলাম ফলো করে আর একটা এনসিটিবির কারিকুলাম ফলো করে। এছাড়া আর কোন পার্থক্য থাকা উচিত ছিল না।

বিধিমালা তৈরি হওয়ার প্রায় দীর্ঘ আট বছর হয়েগেছে এটা সংশোধন  করতে আর কতো সময় লাগবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টা আমাদের ভালো ভাবে জানা ছিল না। এখন দু এক মাসের মধ্যেই সমাধান করা হবে। আমরা এই বিষয়ের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আমি এবিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবো। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ আমাদের এবিষয়ে অবশ্যই দায়বদ্ধতা আছে। ফাহিমা খাতুন বলেন, বাংলাদেশের ভিতরে কোন স্কুল হবে সেটা সরকার দেখভাল করবে না এটা হতে পারে না। সেটা যে স্কুলেই হোক সরকারকে অবশ্যই দেখাশুনা করতে হবে।

এবিষয়ে শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। এবিষয়ে আমি কোন কিছু বলতে পারব না।

এবিষয়ে জানার জন্য শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

অভিভাবকরা বলেন, প্রত্যেক শুক্রবার অভিভাবকদের স্কুলে যেতে হচ্ছে। শিক্ষকরা শুক্রবারে সিলেবাস অনুযায়ী ছেলে-মেয়েদের হোমওয়ার্ক দিচ্ছে। সে অনুযায়ী বাড়িতে আমাদেরকেই পড়াতে হচ্ছে। তবে শুধু বাসার পড়াশুনা দিয়ে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

অভিভাবকরা আরও বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম অভিভাবকদের কাছ থেকে সরকার ঠিকই ভ্যাট আদায় করছে। তাহলে সরকার কেন আমাদের সন্তানদের দায়দায়িত্ব নেবে না?আমাদের সময়.কম

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ