বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির মামলা নিউইয়র্কের কোর্টে : মামলা নিষ্পত্তি হতে লাগবে ৩ বছর, খরচ হয়ে গেছে তিন কোটি টাকা, চুরির অর্থের চেয়ে উদ্ধার খরচ বেশি হবে কি না প্রশ্ন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : রিজার্ভ চুরির অর্থ ফিরিয়ে আনা, ক্ষতিপূরণে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দায়ের করা মামলা নিষ্পত্তিতে তিন বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী আজমালুল হক কিউসি। আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভ চুরির মামলার বিষয়ে প্রেস বিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
আইনজীবী আজমাউল হক জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের দায়ের করা মামলা তিন বছরের মধ্যে সমাধান হবে। তবে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এ সময় কমতে বা বাড়তে পারে।
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইর্য়কের (ফেড) সঙ্গে মামলার বিষয়ে চুক্তি হয়েছে। তারা মামলার জন্য বিভিন্ন নথি, তথ্য সরবারহসহ সাক্ষী দেবে। ১০৩ পৃষ্ঠার মামলায় ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাতটি প্রতিষ্ঠানসহ ২৫ জন অজ্ঞাতনামা লোককে বিবাদী করা হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা পুরো অর্থ আমরা ফেরত পাবো। এ বিষয়ে আমাদের অনেক তথ্য প্রমাণ রয়েছে।’
তিনি বলেন, “মামলার বিষয়ে একটি টিম কাজ করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ল ফার্মের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। তাদের ঘণ্টা হিসেবে অর্থ পরিশোধ করা হবে।”
ওই ফার্মকে ঘণ্টায় কত অর্থ টাকা পরিশোধ করতে হবে তা না জানালেও সাংবাদিকদের প্রশ্নে রাজি হাসান বলেন, রিজার্ভের অর্থ উদ্ধারের জন্য মামলা করাসহ বিভিন্ন কাজে এ পর্যন্ত তিন কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
চুরি যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা, ক্ষতিপূরণ আদায়সহ মামলা নিষ্পত্তিতে তিন বছরের মত সময় লাগতে পারে বলে সংবাদ সম্মেলনে ধারণা দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি। তবে এই সময় কমতে বা বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।
ছয় কোটি ৬৪ লাখ ডলার উদ্ধারের জন্য মামলা চালাতে গিয়ে তার চেয়ে বেশি খরচ হয়ে যাবে কি না- এই প্রশ্নে রাজি হাসান বলেন, “সরকারের সিন্ধান্ত অনুসারে মামলা করা হয়েছে। এখানে খরচ মুখ্য বিষয় নয়। আমাদের লক্ষ্য চুরি হওয়া পুরো অর্থ ফেরত আনা “
এর আগে বাংলাদেশ সময় গত শুক্রবার ভোরে রিজার্ভ চুরির অর্থ ফিরিয়ে আনা, ক্ষতিপূরণের দাবিতে দোষীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করে বাংলাদেশ।
জানা যায়, হ্যাকাররা প্রায় ১০০ কোটি ডলার চুরি করার ষড়যন্ত্র করেছিল। তবে তারা ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করতে পারে। এর মধ্যে দুই কোটি ডলার শ্রীলঙ্কার একটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। তবে বানান ভুলের কারণে শ্রীলঙ্কার অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা অর্থ ফেরত আসে। ২০১৬ সালের আগস্টে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক চুরির অর্থ স্থানান্তর বন্ধে ব্যর্থতার কারণে আরসিবিসি ব্যাংককে রেকর্ড পরিমাণ ১৯ মিলিয়ন ডলার বা এক কোটি ৯০ লাখ ডলার জরিমানা করে।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অর্থ চুরির ঘটনা ঘটলেও তা প্রকাশ পায় মার্চে। এ ঘটনায় তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানকে পদত্যাগ করতে হয়। দুই ডেপুটি গভর্নরকেও সরিয়ে দেয়া হয়। ঘটনা তদন্তে সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে কমিটি করে সরকার। অন্যদিকে বারবার আশ্বাস দিলেও সেই প্রতিবেদন প্রকাশ করেননি সদ্যবিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ২০১৬ সালে মতিঝিল থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে যে মামলাটি করা হয়েছিল, সেখানে সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।
তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ গত তিন বছরেও আদালতে প্রতিবেদন দিতে পারেনি।
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








