বাংলাদেশ মিশন ও কনস্যুলেট এর যৌথ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন
শারকে চামান খান: বাংলাদেশ মিশন ও কনস্যুলেট এর যৌথ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯১তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানটি পালিত হল গতকাল ১৭ই মার্চ স্থায়ী মিশনের মিলনায়তনে।উভয় দপ্তরের সকল সদস্যের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন দিকের ওপর আলোকপাত করেন আলোচকবৃন্দ। স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, ” বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আমরা আমাদের জীবন উন্নত করতে পারি।” কনসাল জেনারেল শাব্বির আহম্মদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কূটনৈতিক ধীশক্তি বিশেষণ করে বলেন, “দুটি বৃহৎ পরাশক্তির
মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটেছে, সেই অবস্থান থেকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে অধিষ্ঠিত করতে মাত্র চারবছর সময় পেয়েছিলেন তিনি। এরই মধ্যে OIC এবং UN এর মত রাষ্ট্রসংঘগুলির সদস্য-রাষ্ট্র হতে পেরেছিল বাংলাদেশ কেবলমাত্র তাঁরই চৌকশ কূটনৈতিক নেতৃত্বের গুণে।” প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জামাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সামরিক নেতৃত্বের বৈশিষ্ট বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “২৬শে মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্বে ৭ই মার্চের ভাষনেই যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বানের মধ্য দিয়ে দিয়েই বঙ্গবন্ধুর সামরিক নেতৃত্বের সুষ্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়”।
বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি কবিতা আবৃত্তি করেন মোঃ আইনুজ্জামান। তাছাড়া ড. মনসুর খানও আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের নিহত সকল সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।এর আগে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এবং কনসাল জেনারেল শাব্বির আহ্মদ চৌধুরী, মিশন ও কনস্যুলেটের সকল সদস্যকে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে মিশন ও কনস্যুলেটের যৌথ উদ্যোগে আগামীকাল শনিবার ১৯ শে মার্চ সকাল ১০টায় শিশুদের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে স্থায়ী মিশনের মিলনায়তনে। এবং সন্ধ্যা ছয়টায় একই জায়গায় শিশুদের অংশগ্রহণে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রবাসী সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯১তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্টমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এম.পি এর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, কনসাল জেনারেল শাব্বির আহ্মদ চৌধুরী এবং ইকনমিক মিনিস্টার মোঃ নজিবুর রহমান।সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন মিনিস্টার (কালচারাল) অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ।
- বঙ্গবীর ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ছড়া-কবিতা পাঠ ও আলোচনা
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান
- উত্তর আমেরিকার ৪১তম ফোবানা চার ভাগে অনুষ্ঠিত: আগামী বছর ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক ও হিউস্টনে পৃথক সম্মেলন
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন: সেলিম–আলী ও কুনু–ফিরোজ পরিষদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা
- নিউইয়র্কে ‘ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ সোসাইটি দেখতে চাই’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা: তরুণ নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ১ অক্টোবর থেকে কার্ডে ফি পরিশোধ বাধ্যতামূলক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির সংশোধিত নির্বাচনী তফসিল
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর: নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজক কন্স্যুলেট!