বার্ধক্যের বাস্তবতা
ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় বয়োবৃদ্ধদের সুরক্ষা এবং তত্ত্বাবধানের জন্য পরিকল্পনা ও প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করলেন তান শ্রী হাসমি আগাম। মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন- সুহাকামের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। হাসমি বলেন, মোট জনসংখ্যায় বৃদ্ধদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ার কারণে দৈনন্দিন কাজে তাদের সাহায্যের প্রয়োজনও বাড়ছে। চিকিৎসা সুবিধা এবং নার্সিং হোমের প্রয়োজনও বেড়ে চলেছে। এদিকে পরিবারের বৃদ্ধ সদস্যদের দেখাশোনা করার জন্য অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে বাকিরা। সংস্কৃতিগতভাবে এশিয়রা বৃদ্ধ বয়সে সাধারণত নিজেদের তত্ত্বাবধানের জন্য পরিবারের বাকি সদস্যদের উপর নির্ভর করে। অতীতে পরিবারের বয়স্করা বৃদ্ধ বয়সে বাসাবাড়িতেই অবস্থান করতো। তখন বৃদ্ধাশ্রমের প্রচলন ছিল না। বর্তমান যুগের বাস্তবতায় পরিবারের বয়স্কদের দেখাশোনা করা উঠতি প্রজন্মের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। কেননা, তারা অনেকেই ফুলটাইম চাকরিতে নিয়োজিত। তবে একথাও ঠিক আমাদের মূল্যবোধের জায়গাতেও পরিবর্তন এসেছে। একারণে বয়স্কদের তত্ত্বাবধানের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে বের করা প্রয়োজন, দরকার হলে নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন হাসমি। মালয়েশিয়াতে ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বয়স্ক ভাতা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও সামাজিক সুরক্ষা এবং অবসরভাতার ব্যবস্থা রয়েছে। হাসমির মতে এগুলো ছাড়াও বয়স্কদের জন্য আরও অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের একটি পরিকল্পিত কর্মপন্থা থাকা প্রয়োজন। যেমন হতে পারে, ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকের ব্যবস্থা অথবা ডাক্তার ও নার্সদের পক্ষ থেকে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দেয়ার ব্যবস্থা। এতে করে পরিবারের সদস্যরা বয়স্ক সদস্যদের নিজ বাড়িতে রেখে দেখাশোনা করাটা আরও সহজ হবে। মালয়েশিয়ার বয়োবৃদ্ধ জনসংখ্যাকে রক্ষা ও তত্ত্বাবধানের জন্য যে আইনকানুন রয়েছে তা অপর্যাপ্ত বলে মন্তব্য করলেন মেন্টাল হেল্থ এসোসিয়েশনের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট ও একজন মনোবিজ্ঞানী ড. অ্যান্ড্রু মোহনরাজ। তিনি আরও বললেন, মালয়েশিয়ার অধিকাংশ বাবা-মা সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকেন এমনকি তাদের একমাত্র ভিটেমাটি বিক্রি করতেও দ্বিধা করেন না। বৃদ্ধবয়সে সন্তানদের থেকেও একই ধরনের ব্যবহার কিন্তু সবসময় তারা পান না। এছাড়াও উদ্বেগের আরও একটি বিষয় হলো, মালয়েশিয়ার অনেক বৃদ্ধাশ্রম এবং নার্সিং হোমের পরিচালনা ব্যবস্থা মানসম্মত নয়। এ জায়গাগুলোতে উন্নতির প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, কোন একটি সমাজে সুবিধাবঞ্চিত এবং বয়স্কদের কিভাবে তত্ত্বাবধান করা হয় সেটা দেখেই বহির্বিশ্ব তাদের মূল্যায়ন করবে। সমাজের বয়োজ্যেষ্ঠরা যদি অবহেলা ও উপেক্ষার শিকার হয় তাহলে এটা আমাদের মূল্যবোধ, সংস্কৃতি স¤পর্কে খুব নিচু ধারণাই দেবে। ড. মোহনরাজ আরও বলেন, এর অর্থ কিন্তু এটাও যে আমরা ভুলে যাচ্ছি সবাই একদিন বৃদ্ধ হবে। যেকোন সমাজ সকল বয়সী মানুষের জন্য হওয়া উচিত। বয়জ্যেষ্ঠদেরও অধিকার রয়েছে সম্মান নিয়ে জীবনের শেষ দিনগুলো অতিক্রম করার।মানবজমিন
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








