Monday, 7 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ১ অক্টোবর থেকে কার্ডে ফি পরিশোধ বাধ্যতামূলক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির সংশোধিত নির্বাচনী তফসিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর: নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজক কন্স্যুলেট! নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির নতুন রোডম্যাপ:কূটনীতিক ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনতে চাই-হিলারি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 117 বার

প্রকাশিত: December 17, 2010 | 12:55 AM

 যুক্তরাষ্ট্রের  পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন গতকাল ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র দফতরে কর্মকর্তাদের সামনে নতুন বৈদেশিক নীতির রূপরেখা ব্যক্ত করেন –   এএফপি। ইউএসএনিউজ ডেস্ক: সংঘাত পরিহার, খোলাবাজার এবং সন্ত্রাসবাদের হুমকি হ্রাসের মাধ্যমে বেসামরিক ক্ষমতায়নের প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে একবিংশ শতাব্দীর জন্য পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন রোডম্যাপ ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দু’বছর দায়িত্ব পালনের মাথায় হিলারি ক্লিনটন গতকাল ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র দফতরের এক আলোচনা সভায় জানিয়েছেন, রোডম্যাপের লক্ষ্য হিসেবে থাকবে সংঘাত পরিহার, খোলাবাজার এবং সন্ত্রাসবাদের হুমকি হ্রাসের মাধ্যমে বেসামরিক ক্ষমতায়নের প্রসার ঘটানো। অন্যদিকে ভারত ও চীনের মতো বিশ্বের উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির সঙ্গে বহুমুখী সম্পর্ক গড়ে তোলা। হিলারি বলেন, আমরা একবিংশ শতাব্দীর কূটনীতিক ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনতে চাই। খবর পিটিআই অনলাইনের।
পররাষ্ট্রনীতির রোডম্যাপ ঘোষণা করতে গিয়ে হিলারি ক্লিনটন বলেন, বেসামরিক ক্ষমতায়ন মানুষের জীবন ও অর্থকে রক্ষা করে। তিনি জানান, দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতরা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে তাদের বর্ধিত দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বহুমুখী সম্পর্ক স্থাপনের দায়িত্বে থাকবেন। মার্কিন কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বহুমুখী দায়িত্ব সুচারুভাবে পালনের জন্য গ্রহণযোগ্য করে তোলা হবে। যেহেতু নতুন উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দুতে তারাই থাকবেন। বিদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তাদেরই বহুমুখী সম্পর্কের ক্ষেত্র পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য দায়ী থাকতে হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য নতুন খাত ও সুযোগ তৈরির দায়িত্বও তারা পালন করবেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বৈদেশিক নীতিতে বেসামরিক ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দিলেও সামরিক গুরুত্বকে অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন অংশীদারদের খুঁজে বের করে তাদের সঙ্গে নিয়ে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করবে। তাতে কাজ না হলে সামরিক শক্তির প্রয়োগ ঘটবে। হিলারি বলেন, ‘সেখানে আমাদের সামরিক বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একের পর এক কাজ করব। আফগানিস্তান ও ইরাক এবং বিশ্বের অন্যান্য সংঘাত প্রবন দেশগুলোর ক্ষেত্রে সেটাই হচ্ছে। অংশীদার হিসেবে প্রয়োজনে আমাদের সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা চলবে।’
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ: