যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউইয়র্ক সিটির স্পেশালাইজড হাইস্কুলে চান্স পাওয়া মামুন’স টিউটোরিয়ালের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভিন্ন আমেজের সংবর্ধনা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম :: যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউইয়র্ক সিটির স্পেশালাইজড হাইস্কুলে চান্স পাওয়া মামুন’স টিউটোরিয়ালের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভিন্ন আমেজের সংবর্ধনা হয়ে গেল নিউইয়র্কে। স্থানীয় সময় ২১ মে রোববার বাংলাদেশী মেধাবী প্রজন্মের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেসের সুবিশাল মিলনায়তন। ২০১৭ সালে এসব মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজেদের জায়গা করে নেন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শীর্ষ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউইয়র্ক সিটির শীর্ষ হাই স্কুলগুলোতে। ট্রফি ও সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে সুশিক্ষা ও সঠিক পথের সন্ধান দেয়ার জন্য তারা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান মামুন’স টিউটোলিয়ালের প্রিন্সিপ্যাল ও সিইও শেখ আল মামুনকে। অভিভাবকরাও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মামুন’স টিউটোরিয়াল ও শেখ আল মামুননের অবদানের কথা।
এসময় নিউইয়র্কের অন্যতম টিউটোরিং সেন্টার মামুন’স টিউটোলিয়ালের প্রিন্সিপ্যাল ও সিইও শেখ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষাদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্যও কাজ করি। তিনি উপস্থিত সবাইকে মামুন’স টিউটোরিয়ালের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, হাইস্কুলেই একজন ছাত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হয়ে যায়। অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ভাল হাইস্কুলে ভর্তি হলেই আপনাদের দায়িত্ব শেষ না। ভবিষ্যতের জন্য আরো সচেতন ও সজাগ থাকার পরামর্শ তার।
মেধাবীদের কলকাকলীতে মুখর এ অনুষ্ঠানের অন্যতম অতিথি স্থানীয় এসেম্বলিম্যান লুইস সেপুলভেদা বলেন, ব্রঙ্কসের স্কুলগুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা শীর্ষ স্থান দখল করে চলেছে। কনসাল জেনারেল শামীম আহসান বাংলাদেশী মেধাবী প্রজন্মের অসামান্য সাফল্যেও ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।
সংবর্ধিত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাশিয়াত করিম, সোফি ডেভিস মেডিকেল স্কুলের সোমাইয়া ইসলাম, আফসানা, নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ফারহাত চৌধুরী, কিউনির সৌম্য চৌধুরী, হান্টার কলেজের নোসাইরা হুসেন, সেন্ট জোনসের আয়মান আহমেদ, স্টোনি ব্রকসের সীমা খাতুন, সিটি টেকনিক্যালের মিসটাক শারীন, কুইন্স কলেজের আকতার শিহাব ইসলাম, ইয়র্ক কলেজের তনুশ্রী সরকার, স্টোনি ব্রুকের সারজিল জামান, নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির দাইয়ান চৌধুরী, প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির তানজিনা ইসলাম, নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির অণিকা টাকিয়া, হান্টার কলেজের তাসমিয়া ইসলাম, সুন্নির ফাতেমা খানম, বিংহামটনের সাফায়াত ইরহাম, কর্নেলের আবু বকর, বাফেলো ইউনিভার্সিটির জয় বিশ্বাস, সেন্ট জোনসের সেহের আহমেদ, সিটি কলেজ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আসিফ শিকদার, জন জে কলেজের সমজিৎ কাপুরিয়া, ফোউহাস বিশ্ববিদ্যালয়ের রাফসান চৌধুরী, কর্নেলের ফারজানা ইসলাম, হান্টার কলেজের মোহাম্মদ গণি, ফোর্ডহাম ইউনিভার্সিটির প্রিয়া আলী, বোস্টন ইউনিভার্সিটির আয়েশা, ফোর্ডহাম ইউনিভার্সিটির নূজহাত ও ইসমাইল মোস্তফা।
স্পেশালাইজড হাইস্কুলে সুযোগ পাওয়া অভিনন্দিত শিক্ষার্থীরা হলেন আশিফ চৌধুরী, রেজওয়ান হিমেল, রোকেয়া জাহান, নাঈমা, মোছাম্মৎ পারভীন, ফারদীন চৌধুরী, আরিয়া জান্নাত, সাব্বির কলিন, সাদিয়া বেগম, ফারিয়া ইসলাম, অঞ্ঝরা কবির, আবু মনাফ, আজহান তালুকদার, মোহাম্মদ সাজ্জাদ, আফিয়া সাইয়ারা, জানিতা রহমান, তাহরীন আসলাম, নুজহাত মুকুল, ইলমা বুসরা, নাবিলা মোবাশ্বির, তাহসীন আনসারী, আল ফায়াজ আলম, রিফাত বারী, তাওরাত বিনতে, ফারজানা আলম, আল নাইয়ান আকবর, সামিরা ইসলাম, হিব্বা আফজল, লাবিব কামাল, ফাইকা তৈয়বা, রুশমিকা নাবিহা, আনিসা ফারনাজ, আদিত্য করিম, প্রমা সিংহা, সৈয়দ সালিহীন, কাজী মনশা, ফাইয়া মাবুদ, নাদিয়া সুলতানা, তারিফ খান, অরিত্র করিম, নুশরাত তিশা, হারিস খান, অনুরাগ খর, সহিনি আলিম, নাফিসা চৌধুরী, মুসান্না চৌধুরী, জনম সাহা, আমজাদ আলী, আফরীন খান, মেরিন মৌসুম, জইবা ইকবাল, সুরাইয়া আলী, অরিন্দম সাহা, ধীমান শহীদ, মিলো গোল্ডম্যান, মোহাম্মদ জাহিদ, নাজিফা তালুকদার, অনন্ত প্রিতুলা, সিফাত আপন, তাসফিয়া, জেনজিন প্রমুখ।
এমআইটিতে সুযোগ পাওয়া এবং হার্ভার্ডের ওয়েটিংয়ে থাকা তানজিনা ইসলাম যাচ্ছেন প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি তার প্রতিক্রিয়ায় বললেন, আমার সফলতার জন্য মামুন’স টিউটোরিয়ালের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এ সফলতায় আমার পরিবারের পাশাপাশি মামুন টিউটোরিয়ালেরও অবদান রয়েছে। সফি ডেভিস মেডিকেল স্কুলে ভর্তিচ্ছু সোমা ইসলাম বললেন, এ পর্যায়ে আসতে মামুন’স টিউটোরিয়ালের শিক্ষা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।
নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আনিকা আফতাবী বললেন, আমি ইমিগ্র্যান্ট হয়ে আমেরিকায় আসি ৫ বছর আগে। এখানকার শিক্ষায় নিজেকে উপযোগী করে তুলতে মামুন’স টিউটোরিয়ালের সঠিক শিক্ষা ও দিক-নির্দেশনা পেয়ে আজ আমি এ পর্যায়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়াও জয় বিশ্বাস, মাশিয়াত করিমসহ অনেকেই নিজ নিজ প্রতিক্রিয়ায় মামুন’স টিউটোরিয়ালের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ধন্যবাদ জানান শিক্ষক মামুন ও জনস স্কটকে।
মামুন’স টিউটোরিয়ালের ডিরেক্টর ডা. নাহিদ খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যাপিকা হুসনে আরা, শিক্ষক রাশিদুল বারী, লেহম্যান কলেজের শিক্ষক প্রফেসর লিন, মামুন’স টিউটোলিয়ালের ইংরেজির শিক্ষক জনস স্কট প্রমুখ। অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল ছোট শিশু ইলহাম বিন মামুন ও পার্কচেস্টার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. মইনুল ইসলামের কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রফেসার শেখ আল মামুন ও ডা. নাহিদ খান দম্পতির ছোট সন্তান জোহেদ বিন মামুনের ৫ম জন্ম বার্ষিকীর কেক কাটা হয় উপস্থিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে।
- দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত
- বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর