Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
সব ক্যাটাগরি

শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 155 বার

প্রকাশিত: October 31, 2026 | 11:55 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি পর্যায়ে নারীর কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক (ডব্লিউপিএস) এক উন্মুক্ত বিতর্কে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি নারী অধিকারকর্মী ও সংগঠনগুলোর জন্য বাড়তি সহায়তা, সংঘাতকবলিত এলাকায় নারীদের সুরক্ষা এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিক অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাবের অন্যতম মূল সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে বাংলাদেশ এ এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সহিংসতা প্রতিরোধ, বিরোধের বিস্তার রোধ এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের উদ্যোগ ও নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি জানান, ছয় বছর আগে দেশটি নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন শেষ হয়েছে। বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম চলছে। এ পর্যায়ে নাগরিক সমাজ, নারী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ ও মতবিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধে কিশোরী ও তরুণীদের প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি ও মধ্যস্থতার প্রক্রিয়ায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের সম্পৃক্ততা সংঘাতের বিস্তার ঠেকানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তার উদ্যোগকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে নারীদের শুধু অংশগ্রহণের সুযোগ দিলেই হবে না, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে তাঁদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সংঘাতকবলিত অঞ্চলে নারীদের নিরাপত্তা, নারী অধিকারকর্মীদের কার্যক্রমে সহায়তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত ও ধারাবাহিক অর্থায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক বৈশ্বিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে নারীর নেতৃত্ব, সুরক্ষা ও অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে।
Photo credit : Press Wing, Permanent Mission of Bangladesh to the United Nations

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ