Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ৫০ শতাংশ অভিবাসী কমাতে গ্রিন কার্ড প্রদানে রেশনিং ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 132 বার

প্রকাশিত: February 8, 2017 | 11:06 PM

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী কমাতে গ্রিন কার্ড প্রদানে রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং প্রতি বছর অন্তত ৫০ শতাংশ অভিবাসী কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। অভিবাসীদের কমানোর জন্য ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই ব্যবস্থার ফলে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসীদের ওপর।

যুক্তরাষ্ট্র নিবাসী বৈধ অভিবাসীদের সংখ্যা কমানোর জন্য সিনেটে একটি বিল এনেছেন দুই রিপাবলিকান সদস্য টম কটন আর ডেভিড পার্ডিউ। প্রতি বছর যে সংখ্যক গ্রিন কার্ড অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য বৈধ কার্ড দেওয়া হয়, তার সংখ্যা প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে এই বিলে।

বর্তমানে বছরে দশ লক্ষ গ্রিন কার্ড ইস্যু করে য্ক্তুরাষ্ট্রে। ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থন থাকা এই বিলটি পাশ হয়ে গেলে গ্রিন কার্ড ইস্যু করার সংখ্যা কমে আসবে পাঁচ লাখে।

বিলটি পাশ হলে অন্যান্য দেশের অভিবাসীদের পাশাপাশি প্রভাব পড়বে বাংলাদেশী অভিবাসীদের ওপরও। গ্রিন কার্ড পেতে গেলে এখন বাংলাদেশীদের দশ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। বিল পাশ হলে সে অপেক্ষা যে আরও বাড়বে সেটা বলাই বাহুল্য।

এই বিল পেশের সমর্থনে কটন বলেছেন, এখন সময় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের। মার্কিন চাকরিজীবীরা এখন নিজের জন্যে কিছু করতে পারবে।

২০১৫ তে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ছিল দশ লক্ষেরও কিছু বেশি। বিলটি পাশ হয়ে গেলে প্রথম বছরে বৈধ অভিবাসীর সংখ্যা কমে আসবে ছয় লক্ষতে। ‘এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি এবং বেতনের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য আসবে’, এমনই দাবি কটনের।

এই বিলে শরণার্থী কমানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বিলটি পাশ হলে বছরপ্রতি মাত্র পঞ্চাশ হাজার শরণার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসকারীর স্বীকৃতি দেওয়া হবে। সূত্র : এনডিটিভি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ