Saturday, 5 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪০ হাজার বাংলাদেশী বহিষ্কারের ঝূঁকিতে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 190 বার

প্রকাশিত: September 7, 2017 | 12:45 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশ করা শিশু কিশোরদের বৈধতার সুযোগ দেয়ার এক সিদ্ধান্ত বাতিলের কারণে যে আট থেকে নয় লাখ অভিবাসী বহিষ্কার হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তার মধ্যে হাজার হাজার বাংলাদেশীও রয়েছেন। অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে নিউইয়র্ক ভিত্তিক সংস্থা ডিআরইউএ বা ড্রাম। ড্রাম বলছে ওবামার দেয়া কর্মসূচি বাতিলের ফলে প্রায় ৪০ হাজার বাংলাদেশী ঝূঁকিতে পড়েছেন।

বাংলাদেশের নাইম ইসলাম, যিনি ৯ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন এরপর থেকে ১৬ বছর ধরে আছেন নিউইয়র্কে। ‘ডাকা’ কর্মসূচির সুযোগে ৫ বছর আগে বৈধতা পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এই কর্মসুচি বাতিলের পর বহিষ্কারের ঝুঁকিতে আছেন নাইম ইসলামও

নাইম ইসলাম বলেন, এই দেশে যাদের ডাটা আছে তারা এক বছর বা দুই বছর তার পরে তারা আর কাজ করতে পারবে না। আর আমার মতো যারা ছোট থাকতেই এ দেশে এসেছে তারা কাগজ পত্র ছাড়াই কাজ করতে পারবে। যাদের কাগজ পত্র নাই তাদের মালিকরা যাই দেয় তাদের সেটাই নিতে হয়। কারণ তাদের কোন বৈধতার কাগজ পত্র নাই।

বাংলাদেশে আসা সম্ভব নাকি সম্ভব না? এর জবাবে তিনি বলেন, আসা সম্ভব আবার সম্ভব না, কারণ আমি এখানে বড় হয়েছি এখানেই আমি পড়াশোনা করেছি এখানে আমার পরিবার আছে আর বাংলাদেশের যে সংস্কার সংস্কৃতি সেটাতে এখন মানিয়ে নিতে পারবো না। আর আমি যা জানি সব কিছুই এই দেশের সেটা বাংলাদেশের জন্যে মানানসই না। বাংলাদেশে যদি চলে যাই সেটা কোন অপশন না। আমাদের একমাত্র পথ হচ্ছে সবার সাথে মিলে কিভাবে কি করা যায়, কোন আইন পাওয়া যায় কিনা, আমাদের জন্যে কাগজ পত্র দেয়ার জন্যে।

আপনার মতো যারা আছেন তারা এখন কি করছে?

জবাবে তিনি বলেন, আমার মতো যারা এখানে আছে তারা কাজ করছে পরিবার চালাচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেক দুচিন্তা কাজ করছে অনেক ভয়ে আছে। তারা কিভাবে থাকবে কিভাবে কাজ করবে সেগুলো নিয়ে। কিন্তু আমাদের ভয়ে থাকলে হবে না, আবার যদি বসে থাকি সেটাও হবে না। আমাদের আগে থেকেই কিছু করতে হবে। এদেশে রাজনিতিবিদের কাছে জানান দিতে হবে আমাদের পাওনা।

কমিনিউটির ভেতরে যে সব উকিলরা আছে তারা বলে আমাকে ১ হাজার ২ হাজার টাকা দাও আমি তোমাদের কাগজ পত্র সব ঠিক করে দিব কিন্তু তারা কিছুই করে না। আমরা যে সমস্যায় পরেছি তারা সেই সুযোগটা নিচ্ছে, সেটা ভুল তারা শুধূই টাকা নিতেছে তারা কিছুই করবে না এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন হতে হবে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ