Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪০ হাজার বাংলাদেশী বহিষ্কারের ঝূঁকিতে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 156 বার

প্রকাশিত: September 7, 2017 | 12:45 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশ করা শিশু কিশোরদের বৈধতার সুযোগ দেয়ার এক সিদ্ধান্ত বাতিলের কারণে যে আট থেকে নয় লাখ অভিবাসী বহিষ্কার হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তার মধ্যে হাজার হাজার বাংলাদেশীও রয়েছেন। অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে নিউইয়র্ক ভিত্তিক সংস্থা ডিআরইউএ বা ড্রাম। ড্রাম বলছে ওবামার দেয়া কর্মসূচি বাতিলের ফলে প্রায় ৪০ হাজার বাংলাদেশী ঝূঁকিতে পড়েছেন।

বাংলাদেশের নাইম ইসলাম, যিনি ৯ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন এরপর থেকে ১৬ বছর ধরে আছেন নিউইয়র্কে। ‘ডাকা’ কর্মসূচির সুযোগে ৫ বছর আগে বৈধতা পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এই কর্মসুচি বাতিলের পর বহিষ্কারের ঝুঁকিতে আছেন নাইম ইসলামও

নাইম ইসলাম বলেন, এই দেশে যাদের ডাটা আছে তারা এক বছর বা দুই বছর তার পরে তারা আর কাজ করতে পারবে না। আর আমার মতো যারা ছোট থাকতেই এ দেশে এসেছে তারা কাগজ পত্র ছাড়াই কাজ করতে পারবে। যাদের কাগজ পত্র নাই তাদের মালিকরা যাই দেয় তাদের সেটাই নিতে হয়। কারণ তাদের কোন বৈধতার কাগজ পত্র নাই।

বাংলাদেশে আসা সম্ভব নাকি সম্ভব না? এর জবাবে তিনি বলেন, আসা সম্ভব আবার সম্ভব না, কারণ আমি এখানে বড় হয়েছি এখানেই আমি পড়াশোনা করেছি এখানে আমার পরিবার আছে আর বাংলাদেশের যে সংস্কার সংস্কৃতি সেটাতে এখন মানিয়ে নিতে পারবো না। আর আমি যা জানি সব কিছুই এই দেশের সেটা বাংলাদেশের জন্যে মানানসই না। বাংলাদেশে যদি চলে যাই সেটা কোন অপশন না। আমাদের একমাত্র পথ হচ্ছে সবার সাথে মিলে কিভাবে কি করা যায়, কোন আইন পাওয়া যায় কিনা, আমাদের জন্যে কাগজ পত্র দেয়ার জন্যে।

আপনার মতো যারা আছেন তারা এখন কি করছে?

জবাবে তিনি বলেন, আমার মতো যারা এখানে আছে তারা কাজ করছে পরিবার চালাচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেক দুচিন্তা কাজ করছে অনেক ভয়ে আছে। তারা কিভাবে থাকবে কিভাবে কাজ করবে সেগুলো নিয়ে। কিন্তু আমাদের ভয়ে থাকলে হবে না, আবার যদি বসে থাকি সেটাও হবে না। আমাদের আগে থেকেই কিছু করতে হবে। এদেশে রাজনিতিবিদের কাছে জানান দিতে হবে আমাদের পাওনা।

কমিনিউটির ভেতরে যে সব উকিলরা আছে তারা বলে আমাকে ১ হাজার ২ হাজার টাকা দাও আমি তোমাদের কাগজ পত্র সব ঠিক করে দিব কিন্তু তারা কিছুই করে না। আমরা যে সমস্যায় পরেছি তারা সেই সুযোগটা নিচ্ছে, সেটা ভুল তারা শুধূই টাকা নিতেছে তারা কিছুই করবে না এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন হতে হবে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ