Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে ১২ ঘাঁটি থেকে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত তাড়ানোর পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 196 বার

প্রকাশিত: March 19, 2017 | 2:46 PM

সাবেদ সাথী : যুক্তরাষ্ট্রে ১২ ঘাঁটি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত তাড়ানোর ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন সরকার। বিভিন্ন বিচারপতিদের একত্রিত করে ১২ শহরে পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহন করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত অবৈধ অভিবাসীদেরকে বিতাড়িত করার দায়িত্ব তাদেরকে সাময়িকভাবে দেওয়া হবে। তবে ঠিক কতজন বিচারপতিকে এ কাজে নিয়োজিত করা হবে এবং তাদেরকে কখন ওই ১২ শহরে পাঠানো হবে তা এখনও পর্যালোচনাধীন রয়েছে।
যে ১২টি শহরে বিচারপতিদের নিয়োজিত করার কথা ভাবা হচ্ছে সেগুলো হলো- নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামি, নিউ অরলিন্স, স্যান ফ্রান্সিসকো, বাল্টিমোর, ব্লুমিংটন, মিনেসোটা, এল পাসো, টেক্সাস, হারলিনজেন, টেক্সাস, ইমপেরিয়াল, ক্যালিফোর্নিয়া, ওমাহা, নেব্রাস্কা এবং আরিজোনার ফোয়েনিক্স। ওই দুই প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, এসব এলাকায় অপরাধের অভিযোগ সম্বলিত অবৈধ অভিবাসীদের বসবাস হওয়ায় এ শহরগুলোকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।
অবৈধ অভিবাসীদের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া ধরপাকড় উদ্যএগর অংশ হিসেবে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তে আটককেন্দ্রগুলোতেও বিচারকদের পাঠাচ্ছে বিচার বিভাগ। সোমবার থেকে সেখানে বিচারক মোতায়েন শুরু হবে।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন সাবেক অভিবাসন বিচারপতি ও বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলস-এর চেয়ারম্যান পল শমিত। তার মতে, অপরাধে অভিযুক্তদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া যাবে না এমনটা ভাবা ঠিক নয়। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে যারা অপরাধ করে তাদের প্রত্যেককে সরিয়ে দেওয়া দরকার বলে একটি ধারণা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু এটা সত্যি বলেই মেনে নিতে হবে এমন কোনও কথা নেই। এমনকি যেসব মানুষ গুরুতর অপরাধ করে তারাও মাঝেমাঝে আশ্রয় পেতে পারে।’
অভিবাসন বিচারপতিদের এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর থেকে আদতে কোনও ফল পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শমিত। তার মতে, এতে বিচারপতি আগের আদালতে যে মামলা পরিচালনা করছিলেন তা ব্যাহত হতে পারে। এমনকি সেসব মামলা পরিচালনায়অও নানা ধরনের বিড়ম্বনা দেখা দিতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ