Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিক কর্তৃক বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদের বিবৃতি : অবিলম্বে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের দাবি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 153 বার

প্রকাশিত: April 24, 2017 | 8:52 AM

নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান কর্তৃক বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ এক বিবৃতিতে অবিলম্বে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিতে সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বলেন, গত ১৭ই এপ্রিল মহান মুজিবনগর দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠিত ঘটনার জন্য আমাকে দায়ী করে সভাপতি ও তার কিছু সমর্থকের বক্তব্যের জবাব না দিয়ে পারলাম না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একজন সৈনিক হিসাবে আজীবন নিজেকে পরিচালিত করার চেষ্টা করেছি। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা বাংলার মেহনতি মানুষের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজও আমি সেই নীতি থেকে বিন্দুমাত্র সরিনি, যতদিন বেঁচে থাকব মুজিব আদর্শের একজন সৈনিক হিসাবেই বেঁচে থাকব।

বিবৃতিতে সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বলেন, আপনারা জানেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের মধ্যে নতুন করে আবারো শুরু হয়েছে অশান্তি আর এর পিছনে অতীতের মত ভূমিকা রাখছে একই নেতা, বর্তমান যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী। তার চক্রান্তের ফলে অতীতে অনেক নেতা আওয়ামী লীগ থেকে দূঃখজনকভাবে বিদায় নিয়েছেন, যিনি বর্তমান সরকারের সময় কোটি কোটি টাকার ও সম্পদের মালিক হয়েছেন, হয়েছেন ব্যাংকের, ইন্স্যূরেন্সের, বিদ্যুৎ প্লান্টের মালিক তার ব্যবসায়িক পার্টনার বর্তমান সভাপতির (সিদ্দিকুর রহমান) সাথে বিরোধে জড়িয়ে কিছুদিন পূর্বেও এই নেতার চক্রান্তে উনি নিজে সহ আমি এবং একজন নেত্রীসহ প্রথমে তিনজনকে সভাপতি সমর্থকরা অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষনা দেন কিন্তু পরবর্তীতে অলৌকিকভাবে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আটজনে, এই খলনায়ক নিজাম চৌধুরী এখন আবার ভোল পাল্টে তার ব্যবসায়ী পার্টনার সভাপতির সাথে হাত মিলিয়ে নিজের এবং অন্য সাতজনের (আমি ছাড়া) অব্যাহতি থেকে মুক্তি নিয়ে আবারো শুরু করেছেন তার কুটচাল, নিজের ভাইকে অবৈধভাবে বানিয়েছেন মহানগরের সভাপতি।

সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বিবৃতিতে বলেন, আমার নিজেরও অবশ্যই ভুল আছে, উচিত হয়নি নিজাম চৌধুরীর ফাঁদে পা দেয়া। যে আমি ১/১১ এর সময় সকল ভয় ভীতি উপেক্ষা করে নেত্রীর পাশে দাড়িয়ে ছিলাম সেই আমি বিগত এক বৎসরের ও বেশী সময় দলের ঐক্যের কথা চিন্তা করে কিছুই বলিনি, আমার সাথে (কথিত) অব্যাহতি পাওয়া বাকি আটজন কে সভাপতি নিজের দল ভারি করার জন্য দলে ফিরিয়ে নিয়েছেন। যে কারনে সাধারন নেতা কর্মীরা মনে করছেন সাজ্জাদুর রহমানের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। এরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সেদিন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সেদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সভাপতির কাছে উনার সিদ্ধান্তের প্রমান চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি তা দিতে ব্যর্থ হন এবং তার কিছু পোষা চামচা আমার পিছনে লেলিয়ে দেন তখন সাধারন কর্মীরা আমার পাশে দাঁড়ায় যা সাংবাদিক ভাইয়েরা সহ সবাই দেখেছেন। কর্মীদের রোষানলে পড়ে সভাপতি ও তার সমর্থকরা সভাস্থল ত্যাগ করলে আমি নিজেও সংগঠনের স্বার্থে সভার কাজ সমাপ্ত ঘোষনা করে সভাস্থল ত্যাগ করি। আমি চলে আসার ঘন্টা খানেক পরে সভাপতি সমর্থকরা পুনরায় মিলিত হন, সভপতি নিজে এবং তার কিছু চামচা আমাকে এবং সংগঠনের নিবেদিত প্রান কয়েকজন নেতাকে গালিগালাজ করেন আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। সেখানে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের টেক্সট ম্যাসেজ পড়ে শুনান যার কোন ভিত্তি আছে বলে মনে হয় না, কেননা গঠনতন্ত্র মোতাবেক কাউকে অব্যাহতির আদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছ থেকে নিজস্ব প্যাডে লিখিত ভাবে আসে। তারপরও আমি বলব সভাপতি বলেছেন পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত আমার পদ স্থগিত রাখতে উনাকে বলা হয়েছে সেই অনুযায়ী উনি কিভাবে আমাকে বহিঃকৃত সাধারণ সম্পাদক বলেন। উনি একজন ডক্টোরেট হয়ে উনার কি ভাষা জ্ঞান নেই। সুতরাং উনার ভাষ্য মতে এখনও আমি আমার পদে আছি কেননা গঠনতন্ত্রের ধারা ৪৫ (ট) মোতাবেক উনার নেওয়া সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন পুর্বেই অকার্যকর হয়েছে।

আমাকে দোষারূপ না করে এবং শুধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আর যুব সমাজের কন্ঠস্বর ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয়ের দোহাই দিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা না করে আসুন সবাই মিলে একটি সত্যিকার সংগঠন গড়ে তুলি। সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক সংগঠন পরিচালনা করি। অবিলম্বে একটি সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করি যারা ঐক্যবদ্ধ ভাবে ২০১৯ সালের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে আবারো ক্ষমতায় আসতে সহায়তা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ