Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ঈদ করতে গিয়ে লাশ হলেন অবিন্তা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 176 বার

প্রকাশিত: July 2, 2016 | 7:15 PM

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ঈদ করতে গিয়ে লাশ হলেন। অবিন্তা গুলশান হামলায় এলিগ্যান্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান রুবা আহমেদের মেয়ে অবিন্তা কবীর মারা গেছেন। রুবা আহমেদের পক্ষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এলিগেন্স গ্রুপের এজিএম লিয়াকত হোসেন। গত ২৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ঈদ করতে আসেন অবিন্তা। অবিন্তা কবীরের মা রুবা আহমেদ সকাল থেকেই রেস্টুরেন্টের আশেপাশে অপেক্ষা করছেন। কালো বোরখা আর মাথায় কালো ওড়না দিয়ে মিডিয়া এড়িয়ে কেবলই বলতে থাকেন, এমনতো হওয়ার কথা ছিল না। এ সময় তিনি কারোর সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত ছিলেন না।

এক ফাঁকে দুপুরের দিকে তার কর্মচারীরা ম্যাডামকে একটু বসার সুযোগ করে দিয়ে রাস্তার পাশে একটা চেয়ার এগিয়ে দিলে প্রথম কথা হয় তার সঙ্গে । এতক্ষণ তিনি দেয়ালের দিকে মুখ করে ছিলেন। দেয়ালের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে তিনি বলেন, আমি বসবো না, তোমরা এসব করো না। আমি বসবোই না। এসময় তার পাশে থাকা ফিট এলিগেন্সের কর্মকর্তারা বলেন, জানেন মেয়েটা আমেরিকা থেকে এসেছে মাত্র ২৭ তারিখ। মায়ের সঙ্গে শেষ কখন কথা হলো জানতে চাইলে কর্মকর্তারা বলেন, সন্ধ্যার পর পর। এখানে যে এসেছিল তা ফোনে মাকে জানিয়েছিল। ততক্ষণে রুবা আহমেদ আরেকদফা থিতু হয়ে দাঁড়িয়েই বললেন, কাউকে কোনও অনুরোধ করবে না। তখনও দুচোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। সকাল থেকে স্বজন ও সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত তবু মেয়ের লাশের খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত বসতে রাজি নন তিনি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ