Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
সব ক্যাটাগরি

শিশুকে কাঁদতে দিন!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 166 বার

প্রকাশিত: March 17, 2014 | 12:16 AM

 

আপনি যদি সন্তানের মা-বাবা হন কিংবা কমবয়সী কোনো আপনজনও যদি নেহাত থেকে থাকে, তাহলে শিশুর কান্না আপনার ভালো লাগবার কথা নয়। একইভাবে কমবয়সী একটা শিশু একাকী সময় কাটাবে এটাও মেনে নিতে চাইবেন না অধিকাংশ মানুষ। অথচ মা-বাবা কিংবা আপনজনকে বিচলিত করে তোলা শিশুর এই কান্না কিংবা একাকিত্ব যে সবসময়ই খারাপ তা কিন্তু নয়। বরং একটু আধটু কান্না আর একাকী সময় শিশুদেরকে পক্ষান্তরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে সাহায্য করে বলেই দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। তাদের দাবি, শিশুর কান্নাটি যদি পড়ে গিয়ে ব্যথা পাওয়া বা অন্য কোনো শারীরিক অস্বস্তিজনিত কারণে না হয়, তাহলে শিশুটির দিকে সাথে সাথে নজর না দিয়ে তাকে বরং কিছুটা সময় কাঁদতে দেওয়া উচিত! এছাড়া শিশুটির জন্য বাধাহীন একটি পৃথিবী ও বাস্তবতা উপহার না দিয়ে তাকে মাঝে মাঝে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করার সুযোগও দিতে বলেছেন এই গবেষকরা। তাদের যুক্তি, এভাবে প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলা করে বড় হওয়া শিশুরা নিজে থেকে অনেক কিছু করতে চেষ্টা করে এবং এটি ক্রমে ক্রমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখে। এ প্রসঙ্গে গবেষণা দলের প্রধান এবং মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডক্টর আন্না প্রাইস বলেন, কোনো ধরনের বাধা বা কান্নার ঘটনা ছাড়া বড় হয়েছে এমন শিশুদের মধ্যে যেসব অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায় সেটি প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বড় হওয়া শিশুদের মধ্যে থাকে না। সবমিলিয়ে গবেষণার সারমর্ম হিসেবে বহু মা-বাবার কাছে অপ্রিয় কিছু কথাই বলেছেন এই গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, জোর করে না কাঁদালেও যেসব কান্নায় শিশুর অস্বস্তির বিষয়টি জড়িত নয় তেমন ধরনের কান্না চটজলদি থামিয়ে দেওয়া উচিত নয়। একই সাথে শিশুটিকে প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য একা রাখার পরামর্শটিও জুড়ে দিয়েছেন তারা। উল্লেখ্য, সাত মাস থেকে ছয় বছর বয়সী ৩২৬টি শিশুর আচার-আচরণ বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয় এই গবেষণা প্রবন্ধটি।ইত্তেফাক
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ