Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

সর্বকালের শীর্ষ ১০ ব্যয়বহুল ওয়েব ডোমেইন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 166 বার

প্রকাশিত: August 23, 2015 | 1:22 AM

সামান্য কয়েকটি অক্ষর। শেষে লাগানো ডট কম। কী আছে এতে? উত্তর: কয়েক মিলিয়ন ডলার! হ্যাঁ, আশ্চর্য্যজনক হলেও সত্যি, গত কয়েক বছরে বিশেষ কয়েকটি ওয়েব ডোমেইন বিক্রি হয়েছে লাখো, এমনকি কোটি ডলারের বিনিময়ে। তবে এমন দামি ওয়েব ডোমেইনগুলোর বেশিরভাগই পর্ন বা জুয়া খেলা স¤পর্কিত। বিজনেস ইনসাইডার সম্প্রতি সর্বকালের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১০টি দামি ওয়েব ডোমেইনের তালিকা করেছে।১০. মেডিকেয়ার.কম (৪৮ লাখ ডলার): ২০১৪ সালের মে মাসে ইহেলথইনস্যুরেন্স.কম কর্তৃপক্ষ ৪৩ লাখ ডলার নগদে ও অবশিষ্ট অর্থ বাকিতে রেখে মেডিকেয়ার.কম ডোমেইনটি কিনে নেয়।
০৯. ক্লথজ.কম (৪৯ লাখ ডলার): জুতা কো¤পানি যাপ্পোস এ ডোমেইনটি কিনেছিল ২০০৮ সালে। অবশ্য বর্তমানে যাপ্পোস ও ক্লথজ – দু’টোই অ্যামাজনের মালিকানাধীন। তবে ক্লথজ.কমে গেলে আপনাকে যাপ্পোসের ওয়েবসাইটেই রিডাইরেক্ট করে পাঠানো হবে। অ্যামাজন নিজেদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে এ ডোমেইনকে যুক্ত করেনি।
০৮. টয়জ.কম (৫১ লাখ ডলার): টয়জ.কম-এর মালিক হঠাত দেউলিয়া হয়ে পড়েন। ২০০৯ সালে আদালতের নির্দেশে তার সব স¤পত্তি বিক্রি করে দিতে হয়। এ ডোমেইনটি তখন বিক্রি হয়েছিল ১২.৫ লাখ ডলারে। বিক্রির পরেরদিনই এ ডোমেইনটি আবার বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হয়। এবার এর দাম উঠে ৫১ লাখ ডলার! ডোমেইনের নামের সঙ্গে মিল রেখে ওয়েবসাইটে বিক্রি করা হয় খেলনা। কিন্তু এখন ডোমেইনটি দিয়ে বানানো ওয়েবসাইটটির ডিজাইনকে দামের তুলনায় সাদামাটাই বলা চলে।
০৭. সøটস.কম (৫৫ লাখ ডলার):  ২০১০ সালে এ ডোমেইনটি বিক্রি হয়েছিল ৫৫ লাখ ডলারে। সে সময় প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চ লিখেছিল, ওয়েবসাইটটির প্রতিটি অক্ষরের দাম পড়েছে ১০ লাখ ডলারেরও বেশি!
০৬. যেড.কম (৬৮ লাখ ডলার): এ ডোমেইনটিতে কেবল একটি বর্ণ – যেড। জাপানের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান জিএমও ইন্টারনেট এ ডোমেইনটি ২০১৪ সালের শেষের দিকে ৬৮ লাখ ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয়। বিক্রেতা ছিল নিশান মটোর্স। বর্তমানে ইংরেজি একটি বর্ণ দিয়ে গঠিত মাত্র তিনটি ডোমেইনের অস্তিত্ব রয়েছে গোটা পৃথিবীতে। যেড.কম এর অন্যতম।
০৫. ডায়মন্ড.কম (৭৫ লাখ ডলার): এ ডোমেইনটি একসময় ওদিমো.কম কতৃপক্ষের মালিকানাধীন ছিল। তবে অনলাইনে খুচরা অলঙ্কার বিক্রির প্রতিষ্ঠান আইস.কমের কাছে এটি ২০০৬ সালে বিক্রি করা হয় ৭৫ লাখ ডলারে। তবে মজার বিষয় হলো, আইস.কম কর্তৃপক্ষ এ ডোমেইনটিকে আবারও বিক্রির জন্য নিলামে উঠিয়েছে। চাইলে গোড্যাডি থেকে এটি কেনা যেতে পারে!
০৪. পর্ন.কম (৯৫ লাখ ডলার): ২০০৭ সালে পর্ন.কম ডোমেইনটি বিক্রি হয় ৯৫ লাখ ডলারে। সে সময় এটিই ছিল নগদে কেনা সবচেয়ে বেশি দামের ডোমেইন। তবে সামগ্রিকভাবে এটি ছিল দ্বিতীয় ব্যয়বহুল ডোমেইন। এ ডোমেইনের ক্রেতা এমএক্সএন লিমিটেড।
০৩. পর্নো.কম (৮৯ লাখ ডলার): ‘ডোমেইন কিং’ বলে পরিচিত রিক স্কোয়ার্টজ পর্নো.কম কিনে রেখে দিয়েছিলেন। ১৯৯৭ সালে তিনি এ ডোমেইনটি এক কলেজ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাত্র ৪২ হাজার ডলারে কিনে রেখেছিলেন। এরপর তিনি এ ডোমেইন ব্যবহার করেননি। কিন্তু এরপরও কেবলমাত্র পার্কিং ও রিডাইরেক্টের মাধ্যমে এ ডোমেইনটি থেকে তিনি ১ কোটি ডলারেরও বেশি আয় করেন! অথচ তখনও এ ডোমেইন ব্যাবহার করে কোনো ওয়েবসাইট বানানো হয়নি। ছিল না কোনো পর্নো কনটেন্টও! এরপর রিক স্কোয়ার্টজ এ অব্যাবহৃত ডোমেইনটি বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ বছর চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগের এক প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকে ৮৯ লাখ ডলারে ডোমেইনটি কিনে নেয়। ওই কো¤পানির অধীনে সুইংগার্স.কম ও পর্নোটিভি.কম নামের আরও দুইটি ব্যয়বহুল ডোমেইন রয়েছে। পূর্বের পর্ন.কম ডোমেইনের সঙ্গে এ ডোমেইনের কেবল একটি ‘ও’র পার্থক্য!
০২. ফান্ড.কম (১ কোটি ডলার): ক্লেক মিডিয়া যখন ফান্ড.কম ডোমেইনটি বিক্রির মধ্যস্থতা করেছিল, তখন খুব মানুষই ডোমেইনের অঙ্কটি সত্যি বলে ভেবেছিল। ২০০৮ সালে নগদ ১ কোটি ডলারে ফান্ড.কম বিক্রি হয়েছিল। এ ডোমেইন ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইটও খোলা হয়েছিল। কিন্তু এরপরই কিছু ঝামেলায় পড়ে ডোমেইনের ক্রেতা। এক পর্যায়ে ওয়েবসাইটটি বন্ধ হয়ে যায়। এখনও এ ইউআরএল-এ গেলে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে লেখা একটি বাক্যই কেবল চোখে পড়বে – প্লিজ কাম ব্যাক লেইটার টু চেক ফান্ড.কম।
০১. সেক্স.কম (১ কোটি ৩০ লাখ): সেক্স.কম-ই বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ডোমেইন। গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এ ডোমেইনকে এভাবেই আখ্যায়িত করা হয়েছে। ২০১০ সালে এসকম এলএলসি দেউলিয়া হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে তারা এ ডোমেইনটি বিক্রি করে দেয় ক্লোভার হোল্ডিংস লিমিটেডের কাছে। সে সময় বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল, ক্লোভার হোল্ডিংস এ ডোমেইনটিকে কী কাজে ব্যবহার করার কথা ভাবছে, তা পরিষ্কার নয়। কিন্তু ৫ বছর পর এখন নিশ্চয়ই তা দিবালোকের মতো পরিষ্কার! মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ