সর্বধর্মীয় নেতাদের অংশগ্রহণে জ্যাকসন হাইটস কমিউনিটির মার্টিন লুথার কিং ডে পালন
স্বপ্নের দেশ আমেরিকা। অর্থ, বিত্ত ও প্রতিপত্তির এই স্বপ্ন সকলের নিকট সোনার হরিণের মত হলেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে মানবতার মহাস্বপ্ন বাস্তবায়নে যে সিংহ পুরুষ তার স্বপ্নের কথা দিয়ে কেবল আমেরিকা নয় বরং সারা বিশ্বের মানবতার বিবেককে নাড়া দিয়েছিলেন, তার নাম ড. মার্টিন লুথার কিং। রাষ্ট্রীয় সরকারী ছুটির দিন গত সোমবার, ১৬ই জানুয়ারী ২০১৭ তৃতীয় বারের মত এবারও জ্যাকসন হাইটস কমিউনিটি কিং এর জন্মোৎসব পালনের মাধ্যমে স্থানীয় রেনেসা চাটার্ড স্কুল অডিটরিয়ামে প্রাণভরে স্মরণ করল সত্যিকারের মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিংকে। ২০১৫ সনের জানুয়ারী থেকে কিংবদন্তী কিং এর স্বপ্নের ধারাবাহিক বাস্তবতাকে সচল রাখতে জ্যাকসন হাইটস্ কমিউনিটির বিশেষ একটি গ্রুপ এই আয়োজনটি শুরু করে। স্থানীয় মোহাম্মদী সেন্টার প্লানিং কমিটির সদস্য হয়ে গত দুই বৎসর যাবৎ এই অনুষ্ঠানকে জনপ্রিয় করে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, উদ্দেশ্যে, ২০১২ সনে নবী মুহাম্মদের (সাঃ) জন্মোৎসবেও আমেরিকায় সরকারী ছুটির যে প্রচারনা শুরু হয়েছে তার ধারাবাহিকতাকেও একই স্বপ্নের সফলতায়রূপ দেয়া। মার্টিন লুথার কিং জন্মোৎসব অনুষ্ঠানটিতে মোহাম্মদী সেন্টারের অর্ন্তভূক্তির কারণ হিসেবে বিশিষ্ট ইমাম ও মূলধারার আন্তঃধর্মীয় এক্টিভিষ্ট কাজী কায়্যূম বলেন “সাদার উপর কালোর কিংবা কালোর উপর সাদার কোন ভেদাভেদ নেই” এই কথাটি আজ থেকে ১৪শত বছরেরও পূর্বে ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বপ্রথম বলে গিয়েছেন। মার্টিন লুথার কিং, যিনি নবী মুহাম্মদের (সাঃ) অত্যন্ত প্রণিধান যোগ্য জীবন্ত এই কথাটি অনুসরণ করে আমেরিকায় “আমার একটি স্বপ্ন আছে বা আমি একটি স্বপ্ন দেখছি” বাণী দিয়ে মানুষের মন জিতে নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে যদি তার নামে সরকারী ছুটির দিন ঘোষনা হয় তবে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্মের দিন অর্থাৎ এপ্রিল মাসের শেষ সোমবার (৫৭০ খ্রিষ্টাব্দ) যেদিন নবী মুহাম্মদ (সাঃ) মানবীয় অন্ধকারে আলোর ঝলক ছড়িয়ে মানবতার মুক্তির দিশারী হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন তার জন্মদিনে কেন আমেরিকায় সরকারী ছুটির দিন হবে না। আমেরিকায় ঈদে মিলানুন্নবীর দিনে মোহাম্মদী সেন্টারে এই দাবীর সমর্থনে বাংলাদেশ থেকে আগত বদরপুর দরবার শরীফের স্বনামধন্য পীর বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা ডাঃ সায়্যিদ মুতাওয়াক্কিল বিল্লাহ রাব্বানীও এবারের কিং জন্মোৎসবে বিশেষ অতিথি হয়ে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে কমিটির সদস্য ও কমিউনিটির বিশিষ্ট জনেরা ছাড়াও স্থানীয় কাউন্সিল মেম্বার ডানিয়াল ড্রম, পুলিশ কর্মকর্তা মিশেল ইরিজারিও বক্তব্য পেশ করেন। ছোট কিশোর কিশোরীরাও কিং জীবনের বিভিন্ন দিক থেকে আলোচনা করে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ