Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

সুখী সুস্থ জীবনের একমাত্র রহস্য- নিবিড় সম্পর্ক: হার্ভার্ডের গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 50 বার

প্রকাশিত: March 19, 2017 | 5:31 PM

সুখময়, সুস্থ জীবনের রহস্য কী? এর উত্তর জানতে দীর্ঘ ৭৫ বছর ধরে একটি গবেষণা চালিয়েছে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। ২০০৩ সালে গ্রান্ড স্টাডি নামের ওই গবেষণাটির দায়িত্ব নেন ইউনিভার্সিটির মনোরোগ বিশেষজ্ঞ রবার্ট ওয়ালডিঙ্গার। এ গবেষণার নেতৃত্ব দেয়া চতুর্থ ব্যক্তি তিনি।
কয়েক দশকব্যাপী এই গবেষণা প্রকল্প ১৯৩৮ সালে হার্ভার্ডে সুযোগ পাওয়া পুরুষ শিক্ষার্থীদের জীবনধারা পর্যবেক্ষণ করা শুরু করে। এদের মধ্যে ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি এবং ওয়াশিংটন পোস্টের সাবেক সম্পাদক বেন ব্র্যাডলি। গবেষণায় তাদের জীবনের প্রতিটি দিকের ওপর নজর রাখা হয়। ৭০-এর দশকে গবেষণা দলটি একইরকম আরেকটি দলের সঙ্গে জোট বাঁধে, যারা ১৯৪০-এর দশক থেকে বোস্টন শহর নিবাসী নিম্নবিত্ত একদল যুবকের জীবনধারা পর্যবেক্ষণ করছিল। এতে করে সামাজিক অবস্থান ও বেড়ে ওঠার পরিবেশের পারস্পরিক তুলনা করতে পেরেছেন গবেষকরা। এছাড়া, যাদের নিয়ে গবেষণা চালানো হয়েছে তাদের প্রত্যেকেই শেতাঙ্গ পুরুষ। নিয়মিত বিরতিতে এসব পুরুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা পর্যালোচনা করা হয়। সম্প্রতি যোগ হয়েছে জিনগত পরীক্ষা। তরুণ-যুবক থেকে বার্ধক্যে যাওয়া পর্যন্ত তাদের ওপর চালানো পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা থেকে অনেক উপসংহার টানা হয়েছে। তবে, রবার্ট ওয়ালডিঙ্গার মনে করেন গবেষণা থেকে নেয়ার বিষয় একটাই। সেটা হলো- উভয় দলে সুখী ও সুস্থ তারাই ছিলেন, যারা ঘনিষ্ঠ, নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।  
২০১৫-র নভেম্বরে টেড টকসে ওয়ালডিঙ্গার বলেন, ‘যেসব মানুষ তাদের চাওয়ার থেকে বেশি বিচ্ছিন্ন বা একা তারা কম সুখী বোধ করেন। মাঝবয়সে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে শুরু করে। তাদের মস্তিষ্কের সক্রিয়তা কমে যায় আগে ভাগে। আর তারা যাদের একাকিত্ব নেই, তাদের তুলনায় কম সময় বাঁচে। আর দেখা যাচ্ছে ভালো, নিবিড় সম্পর্কগুলো বুড়িয়ে যাওয়ার কিছু লক্ষণ, প্রভাব থেকে বাঁচিয়ে রাখে।’
ওয়ালডিঙ্গারের প্রত্যাশা, মানুষ এটা উপলব্ধি করুক যে ভালো জীবনের বাণিজ্যিক যে চিত্রায়ন- সম্পদ, খ্যাতি, ক্যারিয়ার সফলতা; এসব সুস্থতা বা সুখ এনে দেয় না। বরং অন্যদের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখতে যে শ্রম একজন মানুষ দেয়, সেটাই কাজে আসে।
সম্পর্কের মান আর ঘনিষ্ঠতার পাশপাশি এর স্থায়িত্ব আর দৃঢ়তাও গুরত্বপূর্ণ। ক্যাজুয়াল রিলেশনশিপ কাজে আসবে না যেমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা যে সম্পর্ক তৈরি করি। বিবাদমূলক সম্পর্ক যেমন অশান্তি, অপমানের বৈবাহিক সম্পর্ক বা অবিশ্বস্ত কোনো বন্ধু- এগুলোও উপকারী নয়। ভালো একটি জীবনের জন্য তো বটেই, ব্যক্তিগত শান্তির জন্যও ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।
টেড টকে বক্তব্য রাখার পর এখন পর্যন্ত ওয়াল্ডিঙ্গারের ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ বার। তার কাছে শ’ শ’ মেল গেছে। আর জীবনকে আরও ভালো, সুখময় করা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে তিনি একটি ব্লগ চালু করেছেন।  
টেড টকে ওয়াল্ডিঙ্গার বলেছেন, ‘আমাদের পছন্দ হলো দ্রুত সমাধান। এমন কিছু যদি পাওয়া যেতো যেটা আমাদের জীবনকে সুন্দর করে দেবে আর ওভাবেই রাখবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সম্পর্কগুলো তালগোল পাকানো হয়। থাকে নানা জটিলতা। আর পরিবার, বন্ধুজনদের খোঁজখবর রাখা আর যত্ন-আত্তি করার কঠিন কাজ ঠিক আকর্ষণীয় নয়। এটা আবার সারা জীবনের কাজ। কখনই তা শেষ হয় না।’মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ