Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
সব ক্যাটাগরি

হাঁটাহাঁটি সুস্বাস্থ্যের টনিক

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 9 বার

প্রকাশিত: January 20, 2015 | 8:04 PM

ডা. জ্যোৎস্না মাহবুব খান : আধুনিক নগর সভ্যতায় হাঁটাহাঁটির অভ্যাস আমাদের কমে গেছে। দৈহিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটার বিকল্প নেই। তবে হাঁটতে হবে প্রতিদিন নিয়মমাফিক ৪৫ মিনিট করে। প্রথমে ধীরে ধীরে তার পর দ্রুত হাঁটতে হবে এবং হাঁটার দূরত্ব বৃদ্ধি করতে হবে। দ্রুত হাঁটতে হলে লক্ষ রাখতে হবে যতটুকু সম্ভব যেন স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায়। একজন সুস্থ মেদবহুল ব্যক্তির দৈনিক তিন-চার কিলোমিটার হাঁটা উচিত। এতে শক্তি ক্ষয় হবে ৩০০-৩৫০ ক্যালরি। প্রথম দিনেই বেশি হাঁটা উচিত নয়। প্রথম কয়েক দিন ১৫ মিনিট, তার পর ৩০ মিনিট করে ধীরে ধীরে এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে হাঁটার অভ্যাস করতে হবে। ঘণ্টায় দুই কিলোমিটার হাঁটলে শক্তি ঝরে ২০০ ক্যালরি, তিন কিলোমিটার হাঁটলে ২৫০-৩০০ ক্যালরি। ওজন কমাতে হাঁটার বিকল্প নেই। বেশি হাঁটলে ুধা পায় বেশি। তখন অতিরিক্ত আহার করা চলবে না। খালি বা ভরা পেটে হাঁটাহাঁট উচিত নয়। বরং ঘুম থেকে উঠে চা-বিস্কুট খেয়ে ঘরে কিছুক্ষণ হালকা হাঁটাহাঁটি করে হাঁটতে বেরোনো ভালো। মর্নিংওয়ার্ক বা সকালে হাঁটা উত্তম। এ সময় মন ফ্রেশ থাকে, প্রকৃতি থাকে শান্ত, বাতাস দূষণমুক্ত ও ঠাণ্ডা থাকে। শরীরবিজ্ঞানীদের মতে, ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমের পর রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে, নাড়ির গতি কম থাকে, মাংসপেশি শিথিল থাকে; ফলে তখনই হাঁটার উপযুক্ত সময়। দেহের কর্মদক্ষতা বাড়াতে, দেহ কাঠামো ঠিক রাখতে এবং দীর্ঘায়ু লাভে হাঁটা উত্তম ব্যায়াম। গর্ভাবস্থায় হাঁটাহাঁটির গুরুত্ব অনেক। হাঁটাহাঁটি গর্ভের শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশে সহায়ক। গর্ভবতীকে মুক্ত বাতাসে সকাল-বিকেল সোজা হয়ে দ্রুত হাঁটতে হয় নিয়মিতভাবে। হাঁটার ফলে মাংসপেশী এবং লিগামেন্ট শিথিল থাকে; ফলে পরে প্রসব কাজ সহজ হয়। হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষায় কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও নিয়মিত হাঁটাহাঁটি খুবই জরুরি। হাঁটার ফলে রক্ত চলাচল ভালো থাকে এবং রক্তচাপও কমে যায়।নয়া দিগন্ত

লেখক : জেনারেল প্যাকটিশনার, মুক্তাগাছা, ময়মনিসংহ।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ