হাইপারটেনশন ও স্ট্রোক

রক্তচাপ কী?
প্রথমেই দেখা যাক রক্তচাপ বলতে আমরা কি বুঝি। মানুষের হার্ট বা হৃিপণ্ড প্রতিনিয়ত পাম্পের মতো মানব দেহের প্রতিটি কোষে রক্ত সরবরাহ করে থাকে। এই রক্ত প্রবাহমান ধারায় রক্তনালীর দেয়ালে যে বল প্রয়োগ করে তাই রক্তচাপ। একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের (১৮ বছরের ঊর্ধ্বে) রক্তচাপ যদি ১৩০/৮৫ মি.মি. পারদের নিচে থাকে তাহলে এটিকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। সাধারণভাবে রক্তচাপ বলা হয়। সাধারণভাবে রক্তচাপ ১৪০/৯০ বা এর বেশি হলে একে উচ্চ রক্তচাপ বলে অভিহিত করা হয়।
সম্ভাব্য উপসর্গ বা লক্ষণ
শতকরা ৩০ ভাগ ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গ দেখা নাও দিতে পারে। বাকিদের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, নাক দিয়ে রক্তপড়া, মাথা ব্যথা, মাথা ঝিম ঝিম ভাব ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে যে, এই উপসর্গগুলোর উপস্থিতি মানেই উচ্চ রক্তচাপ নয়। আবার এ ধরনের উপসর্গ না থেকেও একজন লোক গুরুতর হাইপারটেনশনে ভুগতে পরে। তাই নিয়মিত রক্তচাপ মাপানো অত্যন্ত জরুরি।
হাইপারটেনশনের জটিলতা
হাইপারটেনশন হলো বিষধর সাপের মতো। চিকিত্সা হলো লাঠি—যা সাপকে বশ করে রাখবে। পরিমিত চিকিত্সা না পেলে এই সাপ শরীরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছোবল মারবে। যেমন মস্তিষ্কে ছোবল মেরে স্ট্রোক এবং প্যারালাইসিস করবে। হার্টে ছোবল মেরে হার্ট ফেইলিওর এবং হার্ট অ্যাটাক করবে। কিডনিতে কিডনি ফেইলিওর, চোখের অন্ধত্ব এবং পায়ে গ্যাংগ্রিন পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
চিকিত্সা ও প্রতিরোধ
কারণবিহীন উচ্চ রক্তচাপ নিরাময়যোগ্য নয়। কিন্তু পরিমিত চিকিত্সা চালিয়ে গেলে নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তবে আজীবন চিকিত্সা চালিয়ে যেতে হবে এবং সুস্থবোধ করলে বা রক্তের চাপ স্বাভাবিক হয়ে গেলে চিকিত্সা কোনো ক্রমেই বাদ দেয়া যাবে না। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওজন কমাতে হবে। এর ফলে হৃিপণ্ডের উপর চাপ কম পড়বে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে এবং দেখতেও হবেন আকর্ষণীয়। খাদ্য তালিকায় অতিরিক্ত সোডিয়াম লবণ, চর্বিযুক্ত মাংস, কোলেস্টেরল সমৃদ্ধি খাদ্য বর্জন করতে হবে। পরিমিত বিশ্রাম যেমন নেবেন, তেমনি পরিমিত ব্যায়ামও করবেন এবং জীবনের সবকিছু ঘটনাকে স্বাভাবিকভাবে নেবেন, মানসিক দুঃশ্চিন্তা পরিহার করবেন। উপরোক্ত সমন্বিত চিকিত্সা পদ্ধতিই আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। :
১৯৯৯ সালের বিশ্ব সংস্থার নির্দেশিকা মতে মানুষের রক্তচাপের মাত্রাকে
নিম্নরূপে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
রক্তচাপের ধরন সিসটোলিক ডায়াসটোলিক
কাঙ্ক্ষিত রক্তচাপ <১২০ <৮০
স্বাভাবিক রক্তচাপ <১৩০ <৮৫
উচ্চ মাত্রায় স্বাভাবিক ১৩০-১৩৯ ৮৫-৮৯
হাইপারটেনশন বা উচ্চরক্তচাপ ১৪০-১৫৯ ৯০-৯৯
(গ্রেড-১, Mild)
হাইপারটেনশন ১৬০-১৭৯ ১০০-১০৯
(গ্রেড-২, Moderate)
হাইপারটেনশন ১৮০ ১০০
(গ্রেড-৩, Severe)
দুর্ভাগ্য এই যে, শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই উচ্চ রক্তচাপের কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। বাকি ১০ ভাগের ক্ষেত্রে কিডনি রোগ, থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের রোগ, জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন, ইত্যাদি কারণ জানা যায়।আমার দেশ
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








