Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

১৫ বছর ধরে পিতাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 140 বার

প্রকাশিত: January 5, 2016 | 12:02 PM

প্রায় ১৫ বছর ধরে নিজের সৌদি পিতাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন ফিলিপাইনের এক ব্যক্তি। এলায়ান ক্রিস আলাফি (৩১) তার মায়ের দেওয়া একটি সৌদি নামও বহন করছেন। তার মা ছিলেন ফিলিপাইনি নারী। এক ফিলিপাইনি বন্ধুর মাধ্যমে ১৯৮৩-৮৪ সালে ম্যানিলায় তার মা ও তার সৌদি পিতার পরিচিত হয়। এরপর রিয়াদে চলে যান তারা। সেখানেই তার মাকে পরিত্যাগ করে চলে যান তার পিতা। এরপর থেকে কেবল পিতাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন আলাফি। এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ। আলাফির ভাষায়, আমি আমার নাম ধরে রেখেছি এ আশায় যাতে বাবাকে আবার দেখতে পাই। যদিও ফিলিপিনো সম্প্রদায়ের কারও এ ধরণের নাম থাকে না। সেখানে সবাই আমাকে ‘আরব সন্তান’ হিসেবে চেনে।
ইতিমধ্যেই বিয়ে করেছেন আলাফি। নিজের বয়স যখন ১৭ কিংবা ১৮, তখন থেকেই পিতাকে খুঁজছেন তিনি। এছাড়া ম্যানিলায় সৌদি দূতাবাসে বিষয়টি তিনি জানিয়েছেনও। তিনি নিয়মিতই দূতাবাসে খোঁজ নেন, কিন্তু কোন হদিশ পান না। তাকে দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে, কোন সূত্র খুঁজে পেলে তাকেই দূতাবাস থেকে ফোন দেওয়া হবে। মালয়েশিয়ায় সৌদি দূতাবাসকেও জানিয়েছেন আলাফি। সেখানেই বর্তমানে কাজ করছেন তিনি। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও খুঁজছেন পিতাকে। তিনি বলেন, আমি ফিলিপাইনের নাগরিক। আমার পিতা আমার মায়ের গর্ভকালীন সময়ে চলে যান। আর কখনই ফিরে আসেননি। আমি কখনই তাকে দেখিনি। আমি তাকে দেখার জন্য সত্যিই খুব আগ্রহী। ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছে খ্রিস্টান হয়ে। তবে ২০০৫ সালে মালয়েশিয়ায় ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন তিনি। তিনি জানান, তার কাছে একমাত্র সূত্র যেটি আছে, সেটি হলো তার পিতার প্রেমপত্র। রিয়াদ থেকে মাকে পাঠানো ওই প্রেমপত্রে তার পিতার পূর্ণ নাম রয়েছে। নিজের দাবি প্রমাণে প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা করাতে রাজি আলাফি। পিতার স্মৃতি মগজে সজীব রাখতে নিজের দুই সন্তানের সৌদি নাম রেখেছেন তিনি। আরব নিউজকে লেখা এক চিঠিতে তিনি বলেন, দয়া করে আমার পিতাকে দেখতে সাহায্য করুন আমায়। আমি এ জন্য যেকোন কিছু করতে রাজি আছি। কেউ যদি কোন সূত্র দিতে পারেন, তবে তাকে পুরোনো ছবি, ঠিকানা ও পিতার নাম জানাতে রাজি আমি। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ