৫ বছরে সর্বনিম্ন স্বর্ণের চাহিদা
বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের বার, কয়েন বিক্রি কমার পাশাপাশি গহনা ক্রয়ও কমেছে। বিনিময়যোগ্য এই মূল্যবান ধাতুটির বৈশ্বিক চাহিদা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (ডব্লিউজিসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই প্রতিবেদন বলছে, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের চাহিদা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আড়াই শতাংশ কমে নেমেছে ৯২৯ দশমিক ৩ টনে। এর মধ্য দিয়ে চাহিদা ২০০৯ সালের শেষ প্রান্তিকের পর সবচেয়ে বেশি কমল। স্বর্ণের গহনার বৈশ্বিক চাহিদা ৪ শতাংশ কমলেও ভারতে বেড়েছে ৬০ শতাংশ। স্বর্ণের চাহিদায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে ভারত সরকার। কারণ এর ফলে সেপ্টেম্বরে বাণিজ্য ঘাটতি ১৮ মাসের সর্বোচ্চ অঙ্কে পৌঁছেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বরে ভারতের বাজারে স্বর্ণের চাহিদা ২২৫ দশমিক ১ টনে। চীনের মানুষ সোনা কিনেছেন ১৮২ দশমিক ৭ টন। ভারতে চাহিদা সামাল দিতে এই তিন মাসে ২০৪ টন সোনা আমদানি করতে হয়েছে। গত বছর এই তিন মাসে আমদানি হয় ৯১ টন। গত বছর স্বর্ণের আন্তর্জাতিক দরে ধস নামে। এতে ভারতে স্বর্ণের চাহিদার সঙ্গে আমদানিও বেড়ে যায়। সে সময় চলতি হিসাব ঘাটতিও বেড়ে গিয়েছিল রেকর্ড পরিমাণ। তাই বিলাসবহুল পণ্য আমদানি নীতিমালা কঠোর করতে বাধ্য হয় সরকার। কঠোর নীতিমালার কারণে স্বর্ণের চাহিদা থাকলেও আমদানি কমে যায়। অন্যদিকে দরপতন অব্যাহত থাকায় চীনে ওই সময় ধাতুটির চাহিদা বাড়ে। গত বছর দাম কমেছে ২৮ শতাংশ। এখনো স্বর্ণের বাজার পড়তির দিকে। মার্কিন ডলারের মান বৃদ্ধির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রসর অর্থনীতি চলতি মাসে পণ্যটির দাম চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নামতে সহায়তা করেছে। ডব্লিউজিসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের প্রধান অ্যানালিস্টেয়ার হিউইট বলেন, \যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি অনেক অর্থনীতিই ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। এর প্রভাবই দেখা যাচ্ছে স্বর্ণের বাজারে। এ নিম্নমুখী প্রবণতায় অনেক ভারতীয় স্বর্ণ নির্মিত গহনা ক্রয়ে ঝুঁকছেন। তাই জুয়েলারির বাজার নিয়ে আমরা আশাবাদী।\ লন্ডনে প্রতি আউন্স স্বর্ণ গত বুধবার স্থানীয় সময় ২টা ১৩ মিনিটে লেনদেন হয় ১ হাজার ১৬৫ ডলার ৩৫ সেন্টে। গেল প্রান্তিকে প্রতি আউন্সের গড় দাম ছিল ১ হাজার ২৮২ ডলার। এ দর গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কম। সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া প্রান্তিকে স্বর্ণের বারের বৈশ্বিক ক্রয় ২১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৪৫ দশমিক ৬ টনে। ভারতে এসব পণ্য ক্রয় ১০ শতাংশের পাশাপাশি চীনে কমেছে ৩০ শতাংশ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপী গহনার চাহিদা কমে ৫৩৪ দশমিক ২ টনে নামলেও ভারতে বেড়ে ঠেকবে ১৮২ দশমিক ৯ টনে। তবে চীনে তা ৩৯ শতাংশ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গহনার মোট বৈশ্বিক চাহিদার ৬২ শতাংশই আসে এ দুই দেশ থেকে। তবে গত প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদা বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ। ভারতে এ বছর স্বর্ণের মোট চাহিদা ৩৯ শতাংশ বেড়ে ২২৫ দশমিক ১ টনে পৌঁছলেও চীনে ৩৭ শতাংশ কমে ১৮২ দশমিক ৭ টনে দাঁড়াবে বলে হিউইট জানান। ২০১৪ সালে এ দুই দেশ ৮৫০-৯৫০ টন করে স্বর্ণ ক্রয় করতে পারে। কাউন্সিল আরো জানায়, বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তৃতীয় প্রান্তিকে মজুদে যোগ করেছে মোট ৯২ দশমিক ৮ টন। এর পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এদিকে স্বর্ণের বাজার নিম্নমুখী থাকলেও খনি থেকে এর আকরিক উত্তোলন বাড়তির দিকে রয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে উত্তোলন ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১২ টনে। তবে স্ক্র্যাপ সরবরাহ ২৫ শতাংশ কমে নেমেছে ২৫০ দশমিক ৫ টনে। এ বছরজুড়ে ৮০৭ দশমিক ২ টন স্ত্র্যাপ সরবরাহ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর পরিমাণ ২০০৭ সালের পর সবচেয়ে কম। খবর ব্লুমবার্গ।ইনকিলাব
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes