Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিমানের নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট অনিশ্চিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 136 বার

প্রকাশিত: April 5, 2012 | 9:04 PM

নাশরাত চৌধুরী: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিউ ইয়র্ক রুটে কবে নাগাদ ফ্লাইট চালু হবে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। চলতি বছরে এ রুটে যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে- এমনটি নিশ্চিত হতে পারছে না কেউই। বিমানের নিউ ইয়র্ক রুটের ফ্লাইট পরিচালনার জন্য উড়োজাহাজ ও জনবল থাকলেও তা কাজে লাগছে না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে ওই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেয়ার জন্য যে সব শর্ত পূরণ করতে বলেছিল, তা তারা এখনও পূরণ করতে পারেনি। আর পূরণ করতে না পরায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শর্ত পূরণ করতে পারলেই মিলবে সেখানে যাওয়ার অনুমতি। আর শর্ত পূরণ না করতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় শর্ত ছিল বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্যাটিগরি ‘এ’ গ্রেডের হতে হবে। এখন তারা ‘বি’ গ্রেডে রয়েছে। আর ‘বি’ মানের কোন সিভিল এভিয়েশন অথরিটি ও ওই বিমানবন্দর থেকে কোন ফ্লাইট যুক্তরাষ্ট্রের কোন বিমানবন্দরে নামতে পারবে না- এমন নিয়ম রয়েছে। বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটি তাদের ক্যাটিগরি ‘বি’ থেকে এ গ্রেডে উন্নীত করার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। এছাড়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটির ক্যাটিগরিও উন্নত করার শর্ত দেয়। এরমধ্যে ছিল- বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনে দক্ষ, অভিজ্ঞদের নিয়োগ দিতে হবে, নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পদে বসাতে হবে। এখন যে পরিমাণ লোকবল আছে তা পর্যাপ্ত নয়, প্রয়োজনীয় লোকবল বাড়ানোর শর্ত দিয়েছিল এ দু’টির কোনটি পূরণ হয়নি। সিভিল এভিয়েশন সূত্র জানায়, তারা চাইলেও হঠাৎ করে লোকবল বাড়াতে পারেন না। তাদের লোকবল বাড়ানোর বিষয়টি নির্ভর করে সরকার ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ওপর। এর সঙ্গে বাজেটেরও ব্যাপার রয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের পক্ষ থেকে বার বার লোকবল বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এখনও প্রয়োজনীয় লোকবল বাড়ানোর জন্য অনুমোদন মিলেনি। আর না মেলার কারণে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির শর্ত অনুযায়ী লোকবল নিয়োগ করতে পারেনি। এছাড়া পারেনি সিভিল এভিয়েশনে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের বসানোর জন্য ব্যবস্থা করতে। ঘুরে ফিরে নীতি নির্ধারণী পদে বসানো হয়েছে সরকারের পছন্দের ব্যক্তিদের। এছাড়া বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি করার জন্য শর্ত দেয়া হয়। সিভিল এভিয়েশন তা পুরোপুরি করতে পারেনি। সিভিল এভিয়েশন অথরিটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিমানবন্দরে এপিবিএন সদস্যদের নিয়োগ করেছে। তারা সিভিল এভিয়েশনের নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীদের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া বিমানবন্দরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে যে ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলেছে তা করতে গেলে আরও সময় লাগবে। উল্লেখ, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কানাডার ভিডিআই কোম্পানি নামে একটি কোম্পানিকে কাজ দেয়ার চেষ্টা করে। পরে তা আর সম্ভব হয়নি। ভিডিআই মিথ্যে তথ্য প্রদান ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়ার কারণে তারা কাজ পায়নি। এছাড়া তারা যেসব ফি নির্ধারণ করেছিল তা ছিল বেশি। এতে মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রী রাজি হননি। সরকারের একটি প্রভাবশালী মহল ভিডিআইকে কাজ দেয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করলেও তা হয়নি। বিষয়টি এখনও ঝুলে আছে। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যান্য কাজ তারা সম্পন্ন করেছে।
এদিকে সূত্র জানায়, শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র থেকে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ও যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে। এ সময়ে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা, ক্যাটিগরি উন্নীত করার জন্য কি কি শর্ত পূরণ করেছেন তা দেখবেন। এগুলো দেখার পর তারা সন্তুষ্ট হলে তারা সেখানে ফিরে গিয়ে রিপোর্ট দেবেন এবং তাদের বিবেচনায় বাংলাদেশের বিমানবন্দরের মান ‘বি’ থেকে ‘এ’ ক্যাটিগরিতে ওঠার যোগ্যতায় উন্নীত হলে তবেই সেখানে বিমানের নিউ ইর্য়কে ফ্লাইট যাওয়ার অনুমতি মিলেবে। তারা ইতিবাচক রিপোর্ট দিলেও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েক মাস লেগে যাবে। মানবজমিন

ট্যাগ:
Situs Streaming JAV