ইরানে মার্কিন হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত!
ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পারমাণবিক সংকট নিয়ে আগামী সপ্তাহে বাগদাদে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে তেহরানের বৈঠকের আগে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।
পশ্চিমাদের চাপ অগ্রাহ্য করে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, দেশটি তার পরমাণু কর্মসূচি চালানোর অধিকার কখনোই ছেড়ে দেবে না। এ পরমাণু কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি ব্যবহার করে পারমাণু বোমা তৈরি থেকে তেহরানকে নিবৃত্ত করতে ইসরায়েলের মতো তারাও ইরানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে সামরিক হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের আর্মি রেডিওতে এক মন্তব্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান শ্যাপিরো বলেন, ‘সামরিক শক্তি ব্যবহারের চেয়ে কূটনৈতিক পন্থা ও চাপ প্রয়োগই হবে এই সংকট সমাধানের উৎকৃষ্ট উপায়। এর অর্থ এই নয়, বিকল্প পন্থা হিসেবে সামরিক শক্তি প্রয়োগের কোনো পারকল্পনা (যুক্তরাষ্ট্রের) নেই। সামরিক হামলার পরিকল্পনা কেবল প্রস্তুত নয়, বরং চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বাতিলে রাজি করাতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাসহ মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রভাবশালী এসব দেশের ধারণা, ইরান যে কর্মসূচি চালাচ্ছে, তা দিয়ে পরমাণু চুল্লির জ্বালানি ও মেডিকেল আইসোটোপ উৎপাদন এবং তা উচ্চমাত্রায় পরিশোধন করে পারমাণু অস্ত্রে পরিণত করা হতে পারে।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত মাসে ইস্তাম্বুলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ২৩ মে বাগদাদে আরেক দফা আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পরমাণু শক্তিধর ইসরায়েল চিরশত্রু ইরানের এ কর্মসূচির ভবিষ্যৎকে নিজের জন্য হুমকি মনে করছে। এ নিয়ে ইসরায়েল ইরানের একতরফা হামলা চালানোরও ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে অনেক বিশ্লেষকই মনে করেন, সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানকে তার কর্মসূচি থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেরই রয়েছে।
গত জানুয়ারিতে রাষ্ট্রদূত শ্যাপিরো ইসরায়েলের একটি সংবাদপত্রকে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত এবং প্রেসিডেন্ট যখন সিদ্ধান্ত নেবেন, সে মুহূর্তেই তা কার্যকর করা হবে।
মার্কিন আইনপ্রণেতারা ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন আইন পাসের চিন্তাভানা করছে। এ আইনে ইরানের সঙ্গে যেকোনো পর্যায়ে সম্পর্ক বজায় রেখে চলা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ থাকছে।
তবে বাগদাদে আসন্ন আলোচনাকে সামনে রেখে ইরানের প্রধান পরমাণু মধ্যস্থতাকারী গতকাল বলেছে, পরমাণু কর্মসূচির অধিকার কখনোই তারা ছাড়বে না। টেলিভিশনে এক বক্তৃতায় সাইদ জলিলি বলেন, ‘আমরা যদি ওই মধ্যস্থতায় অংশ নিই, তবে তা হবে পশ্চিমা শক্তির প্রতিবাদ জানানোর জন্যই। আমরা ইরানি জনগণের অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট।’
সাইদ জলিলি বলেন, ‘ইরানি জনগণ তাঁদের অধিকারের বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না। আমি পশ্চিমা কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানাই, তাঁরা যেন পরিকল্পিত ভুল না করেন। পশ্চিমারা পারমাণু কর্মসূচিতে ইরানের অগ্রগতিতে বাধা দিতে চায়, কিন্তু তারা ব্যর্থ হবে। ইরান এখন পরমাণু ক্ষমতাধর দেশ।’ রয়টার্স ও এএফপি।প্রথম আলো
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং