Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে বাংলাদেশ ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 186 বার

প্রকাশিত: May 1, 2025 | 3:35 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক :  নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীর ক্যাপিটাল হিলে আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হলো বাংলাদেশ ডে  ও বাংলা নববর্ষ বরণ। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সেখানে বাংলাদেশীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। নববর্ষ উপলক্ষে নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও স্টেট সিনেটদের বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। বাংলা গানের সাথে সাথে অনেকেই নেচেছেন। চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল নিউইয়র্ক সিনেটে বাংলাদেশের বাংলা বছরের প্রথম দিনটিকে বাংলা নববর্ষ ডে হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। সেই সাথে সাথে এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতি বছর উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরই অংশ হিসাবে এবারে উদযাপন করা হলো। এখন থেকে প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ ডে উদযাপন করা হবে।
২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি, সংস্কৃতি এই সব তুলে ধরা হয়। সেখানে বেশ কয়েকজন স্টেট সিনেটর উপস্থিত ছিলেন। এই সময়ে ক্যাপিটাল হিলের ভেতরে বাংলাদেশের দুই শতাধিক মানুষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। ক্যাপিটাল হিলে নিউইয়র্ক স্টেট গভর্নর হাউজে ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ জে২৩৪ নম্বর রেজুলেশনে গ্রহণ করা হলো সোমবার ২৮ এপ্রিল । বলা যায়, বাংলা নববর্ষ উদযাপনে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট এদিন উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল, বাংলা গান ও নাচের সঙ্গে পাঁচ জন সিনেটরের নাচ ও গানের ভঙ্গিমা সত্যিই বাঙালি সংস্কৃতির জন্য ছিল অভিনব। এর আগে বিদেশিদের মধ্যে এ ধরনের মুখরিত হয়ে ওঠার দৃশ্য দেখা যায়নি। আসলে ২৮ এপ্রিল বিশ্বসভায় বাংলাদেশ ও বাঙালির জয়গান নতুন মাত্রায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সিনেটর সেপুলভেদা সকলকে স্বাগত জানান। দুই শতাধিক বাঙালি ও আমেরিকানদের অংশগ্রহণে মিলন মেলায় পরিণত হয় বাংলা নববর্ষ উদযাপন। সিনেটর সেপুলভেদা তার বক্তব্যে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাঙালিদের অবদান তুলে ধরে বাংলা নববর্ষকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের অন্যতম উৎসব হিসেবে চিহ্নিত করেন। সিনেটর ফার্নান্দেজ এবং অন্যান্য সিনেটর এসময় উপস্থিত ছিলেন। বাঙালিদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এনআরবি ওয়ার্ল্ডওয়াইডের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বিশ্বজিত সাহা, মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ড. নজরুল ইসলাম এবং শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায়। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিউইয়র্কের ক্যাপিটল হিলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ছিলেন মুক্তধারা ও এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের নেতৃবৃন্দ। এছড়াও তাদের শিল্পী বৃন্দ। এছাড়াও কম্যুনিটির লিডারদের অনেকেই সেখানে যোগ দেন ও অনুষ্ঠানটি সফল করে তুলেন। সকলেই বিশ্বায়নের যুগে বাংলা সংস্কৃতির জয়গান করেন এবং সিনেটরদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে কথা বলেন। বিশ্ববাঙালির কাছে এই উদযাপন স্মৃতিচিহ্ন হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন রথীন্দ্রনাথ রায়।
নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ ডে হিসাবে অফিসিয়ালী স্বীকৃতি দেয়ার পেছনে যার বেশি অবদান তিনি হলেন বিশ্বজিত সাহা। তিনি বলেন, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ ডে হিসাবে অফিসিয়ালী স্বীকৃতির একটি রেজ্যুলেশন পাস করা হয়। সেই রেজ্যুলেশন পাস করার পর এবার প্রথমবারের মতো আলবেনীতে ক্যাপিটল হিলে নববর্ষ উদযাপন করা হয়। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছেন নিউইয়র্ক এর গভর্নর ক্যাথি হোকুল, সিনেটর সুপেলভেদা এবং অন্যান্য সিনেটররা। তারাই ১৪ এপ্রিল নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে বাংলা নববর্ষ ডে হিসাবে পাস করেন।
বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, এবার প্রথমবার এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো। এখানে প্রায় তিন’শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আমরা নিউইয়র্কের ক্যাপিটল হিলে এমন একটি অনুষ্ঠান করতে পেরেছি। এটা অবশ্যই সকল প্রবাসী বাংলাদেশীর জন্য আনন্দের। আমরা আমাদের অনুষ্ঠান কেমন হয়েছে এটা বলতে চাই না এটা বলবেন অন্যান্যরা সবাই।
এরমধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সংগঠন ও কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ, শিল্পীও ছিলেন। বাংলাদেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিল্পকে সেখানে তুলে ধরার সুযোগ ছিল সেটাই কাজে লাগানো হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে সিনেটর ফার্নান্দেজের পৃষ্ঠপোষকতায় মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে শুরু হয় সমাবেশ কক্ষ এর পর্ব। সেখানে বিশ্বজিত সাহা, ড. নজরুল ইসলাম, রথীন্দ্রনাথ রায়, সংগীত পরিচালক মহিতোষ তালুকদার তাপস এবং শিল্পী লুতফুন নাহার লতার উপস্থিতিতে রেজুলেশনটি পাস করা হয়।
বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, এবার প্রথম অনষ্ঠানটি ৭ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল। এরপর সেটি হয়নি। দিন পিছিয়েছে। এই কারণে এবার ২৮ এপ্রিল হলো তবে আগামীতে প্রতি বছর এই দিনটি উদযাপিত হবে। সেটি হবে ১৪ এপ্রিল। বিকেলে সিনেট কক্ষে পাসকৃত রেজুলেশনটি পাঠ এবং সেপুলভেদাসহ সিনেটরদের মন্তব্য ও আলোচনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আনন্দঘন পরিবেশ সৃজন করে। বিশেষত টাইমস স্কয়ারে নববর্ষ উদযাপন কমিটির শিল্পীবৃন্দ মহিতোষ তাপসের নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। একক ফোক সংগীত পরিবেশনা করেন শাহীন হোসেন অন্যান্য শিল্পীরা। নৃত্য পরিবেশনা করেন ভাষা সাহা। এই প্রথম বাংলা নববর্ষ আন্তর্জাতিক বিশ্বে সরকারিভাবে উদযাপন করা হলো।

Situs Streaming JAV