যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার বৃষ্টির মরদেহ বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে, পৌঁছাবে ৯ মে
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সময় ৯ মে শনিবার সকালে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসি বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটসের ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পাঠানো হয়। এ সময় মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করেন। দুবাই হয়ে আগামী ৯ মে শনিবার সকাল ৮ টা ৪০মিনিটে মরদেহ ঢাকা পৌঁছাবে।
নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্তের খবর গত ১ মে হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ অফিস থেকে নিশ্চিত করার পরপরই ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মৃতের পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, টাম্পার স্থনীয় প্রবাসী বাংলাদেশি ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সমন্বয়ে সকল স্থানীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুততম সময়ে মরহুমার মরদেহ প্রেরণের সর্বাত্নক প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
নিহত নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির জানাজার নামায বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাম্পার ইস্তাবা ইসলামিক সোসাইটি অফ টাম্পা বে এরিয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ফ্লোরিডার ছাত্র-ছাত্রী, মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল, গণমাধ্যম প্রতিনিধিসহ স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানাজায় অংশ নেন।
এদিকে, পিএইচডির শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে মরনোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ। ৮ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তনে এই ডিগ্রি প্রদান করা হবে। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে চিঠি দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে। কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধিকে উপস্থিত থেকে নিহত দুই পরিবারের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মিয়ামি কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি সমাবর্তনে উপস্থিত থেকে জামিল ও বৃষ্টির পরিবারের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করবেন।
ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার পিএইচডির দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল নিখোঁজের দুই দিন পর থেকে ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের নির্দেশনায় মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট তদন্তকারী পুলিশ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ কমিউনিটির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছে।
দূতাবাস যোগাযোগ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও এফবিআইয়ের সঙ্গে। মরদেহ দেশে পাঠানো থেকে শুরু করে পুরো প্রক্রিয়া দূতাবাস সম্পন্ন করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী। একই ঘটনায় নিহত জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ই মে ঢাকায় পৌঁছে। নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার জামিল লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর সমস্ত ব্যয় বহন করছে বাংলাদেশ সরকার।
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women
- Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
- নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান
- শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান ড. তিতুমীরের
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা
- Trump Admin Rescinds Public Charge Rule
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON ANNOUNCES SIGNIFICANT INVESTMENTS IN THE BRONX