যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর প্রায় ৯ হাজার দাদা-দাদি বা নানা-নানি তাঁদের নাতি-নাতনিদের দেখভালের জন্য চাকরি ছাড়েন
ডেস্ক : যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর প্রায় ৯ হাজার দাদা-দাদি বা নানা-নানি তাঁদের নাতি-নাতনিদের দেখভালের জন্য চাকরি ছাড়েন। নানা কারণে অরক্ষিত অবস্থায় পড়া শিশুদের বড় করছেন তাদের দাদা-দাদি, নানা-নানি বা পরিবারের অন্য সদস্যরা। সামাজিক শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে পর্যাপ্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা না থাকায় তাঁরা নিজেরাই শিশুদের দায়িত্ব নিচ্ছেন। তবে তাঁদের অনেকেই পরে আর চাকরি জোগাড় করতে পারছেন না। ফলে তাঁদের দারিদ্র্যের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস প্লাস নামের একটি দাতব্য সংস্থা সম্প্রতি এ কথা জানিয়েছে।
মা-বাবা মারা যাওয়ার কারণে শিশুসন্তানরা অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়ে। মা-বাবা মাদকাসক্ত হলে বা পারিবারিক সহিংসতাও শিশুদের বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। মা-বাবার অসুস্থতাও শিশুসন্তানদের যথাযথ যত্মআত্তি বাধাগ্রস্ত করে। কোনো অপরাধে মা-বাবার কারাদণ্ড হলে তখন শিশুদের দেখার আর কেউ থাকে না। এ অবস্থায় পরিবারের অন্য সদস্যরা শিশুদের দেখাশোনায় হাত বাড়িয়ে দেন।
গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস প্লাসের ‘গিভিং আপ দ্য ডে জব?’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবসরের বয়স হওয়ার আগেই অনেক দাদা-দাদি বা নানা-নানি তাঁদের নাতি-নাতনির দায়িত্ব নিতে চাকরি ছাড়েন। তাঁদের ৮৬ শতাংশই পরে আর চাকরি পান না। ফলে তাঁদের দারিদ্র্যের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। প্রায় ৪১ শতাংশ দাদা-দাদি বা নানা-নানিকে সামান্য ওয়েলফেয়ার বেনিফিটের ওপর নির্ভর করতে হয়। মাত্র ১৩ শতাংশ পরে চাকরি পান।
গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস প্লাসের হিসাবে, এখনো প্রায় তিন লাখ শিশুকে বড় করছে দাদা-দাদি, নানা-নানি, বড় ভাইবোন, চাচা-চাচি, খালা-খালু বা অন্য আত্মীয়স্বজন। তাঁদের সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। আর চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন_এমন দাদা-দাদি বা নানা-নানির সংখ্যা ৬০ হাজার।
সন্তানের প্রতিপালনের জন্য মা-বাবা বা পালক মা-বাবা ছুটি পান। কিন্তু দাদা-দাদি, নানা-নানি বা পরিবারের অন্য সদস্যরা এ ছুটি পান না। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতাও পান না তাঁরা। ফলে নিজস্ব যা কিছু সঞ্চয় আছে, তার ওপর নির্ভর করেই তাঁরা চাকরি ছেড়ে দেন।
গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস প্লাসের নির্বাহী পরিচালক স্যাম স্মেথারস বলেন, ‘অরক্ষিত শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে দাদা-দাদি, নানা-নানিসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা সঠিক কাজটিই করছেন। তাঁদের চাকরি ছাড়তে হচ্ছে_কারণ, মাতৃত্বকালীন বা পিতৃত্বকালীন ছুটির মতো ছুটি তাঁরা পান না। যদিও তাঁরা ওই শিশুদের মা-বাবার ভূমিকাই পালন করেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা অবৈতনিক ছুটির ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবি জানাই। পাশাপাশি মাতৃত্বকালীন, পিতৃত্বকালীন ও পালক মা-বাবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছুটির মতো শিশুদের দায়িত্ব নেওয়া দাদা-দাদি, নানা-নানিসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সবেতন ছুটির ব্যবস্থা করা হোক।’ সূত্র : টেলিগ্রাফ।কালের কণ্ঠ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং