সৌদি আরবের টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচারিত হজরত ওমরকে নিয়ে তৈরি নাটক নিয়ে বিতর্ক
ডেস্ক রিপোর্ট : সৌদি আরবের টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি ধারাবাহিক ঐতিহাসিক নাটক নিয়ে ধর্মবেত্তাদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। নাটকটির সম্প্রচার বন্ধের দাবি তুলেছেন অনেকে। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অন্যতম সঙ্গী এবং দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর ইবন আল-খাত্তাবকে নিয়ে তৈরি করা ঐতিহাসিক নাটকটির নাম ‘ওমর’। সপ্তম শতাব্দীতে ইসলাম ধর্মের সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা ছিল এই প্রভাবশালী শাসক ও ধর্মীয় নেতার। সৌদি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্য সম্প্রচার কেন্দ্র-এমবিসি জানিয়েছে, আরবি ভাষায় এটিই সবচেয়ে বড়মাপের নাট্যকর্ম। এই নাটকটিতে কাজ করেছেন ৩০ হাজার অভিনয় শিল্পী। কারিগরি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ছিল ১০টি দেশের দক্ষ কর্মী। কলাকুশলীদের এই বিশাল বড় দলটি ৩০০ দিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করে ৩১ পর্বের এই নাটকটি তৈরি করেন। মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র রমজান মাসে এই নাটকটি দেখানো হচ্ছে। আর এই মাসে আরব অঞ্চলে টেলিভিশনের দর্শক সংখ্যা থাকে সর্বোচ্চ। কিন্তু এখন এই নাটক সম্প্রচার নিয়ে শুরু হয়েছে উত্তপ্ত বিতর্ক। সুন্নি মুসলমানদের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ মিসরের রাজধানী কায়রোয় অবস্থিত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকে রায় দেয়া হয়েছে, নবী মুহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর সঙ্গীদের ছবি তুলে ধরা ইসলামে নিষিদ্ধ। প্রায় একই মত এসেছে সৌদি আরবের ইসলামী অনুশাসন নিয়ে গবেষণা কেন্দ্র দার আল-ইফতা থেকেও। ফলে সুন্নি পণ্ডিতরা একমত যে, ধর্মীয় শীর্ষ ব্যক্তিত্বের ছবি দেখানো হলে তাদের প্রতি অগাধ ভক্তি থেকে তাদের পূজা করা শুরু হতে পারে। অথচ ব্যক্তিপূজা করা ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ। তাই এই নাটকটির সম্প্রচার বন্ধ করার জন্য হাজার হাজার মানুষ ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে দাবি তুলেছেন। অনেকের মন্তব্য, এই নাটকের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা প্রকারান্তরে নবী মুহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর সঙ্গীদের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে। মিসরের টেলিভিশন সমালোচক তারেক আল-শেন্নাউয়ি বলেন, এই নাটকের সম্প্রচার অব্যাহত রাখার অর্থ হলো আল-আজহার এবং দার আল-ইফতার মতো বড়মাপের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রায়কে অবজ্ঞা করা। তবে কায়রোর সিনেমা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক সানা হাশেম বলেন, ধর্মীয় শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের এভাবে তুলে ধরা হলে বরং তাদের ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়ন ঘটে। এছাড়া প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের দাবি, এই নাটকটি তৈরির আগে এর ঘটনা প্রবাহের ঐতিহাসিক সত্যতা এবং পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে মিসরের পণ্ডিত শেখ ইউসেফ আল-কারাদাউয়িসহ ইসলামের বড় পণ্ডিতদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সম্মতি নেয়া হয়েছে। ফলে এ বিষয়ে বিতর্কের অবকাশ থাকে না। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes