Friday, 13 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে শহীদ মিনার নির্মাণে বাংলাদেশের পাশে থাকবো: কংগ্রেসওম্যান প্রার্থী স্টেট এসেম্বলিওম্যান গ্রেস মেং

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 28 বার

প্রকাশিত: September 10, 2012 | 9:42 AM

কাউসার মুমিন, নিউ ইয়র্ক : নির্বাচিত হলে কংগ্রেসে বাংলাদেশ ককাসে যোগ দেবো এবং নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার নির্মাণে বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশী আমেরিকানদের যে কোন উদ্যোগে সমর্থন দেবো। খুব শিগগির বাংলাদেশ সফর করবো বলে বিশ্বাস করি, এমনকি নির্বাচনের পর প্রথম সফরে বাংলাদেশ ভ্রমণে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু  নেই মানবজমিনের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত মন্তব্য করলেন আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মার্কিন কংগ্রেসের নির্বাচনে নিউ ইয়র্কের কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট-৬ থেকে ডেমোক্রেটিক দলীয় কংগ্রেসওম্যান প্রার্থী এবং বর্তমানে নিউ ইয়র্ক স্টেটের ২২তম এসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচিত স্টেট এসেম্বলিওম্যান গ্রেস মেং। মিশিগান ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে স্নাতক এবং ইয়েশিভা ইউনিভার্সিটি থেকে জুরীস ডক্টরপ্রাপ্ত তাইওয়ানিজ আমেরিকান আইনজীবী গ্রেস মেং  নিউ ইয়র্ক স্টেট এসেম্বলির ইতিহাসে সর্বপ্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র এশীয় আমেরিকান এসেম্বলিওম্যান। তিনি ২০০৮ সালে প্রথম নিউ ইয়র্ক স্টেট এসেম্বলিতে নির্বাচিত হন, এরপর ২০১০ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন। এর আগে একই আসন থেকে ২০০৫-০৬ মেয়াদে তার বাবা জেমি কে মেং সর্বপ্রথম এশীয় আমেরিকান হিসেবে  স্টেট এসেম্বলিম্যান নির্বাচিত হন। আগামী পহেলা অক্টোবর ৩৭ বছরে পা রাখতে যাওয়া দুই পুত্র সন্তানের জননী গ্রেস মেং নিউ ইয়র্কের কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট-৬ থেকে ডেমোক্রেটিক দলীয় বর্ষীয়ান কংগ্রেসম্যান গ্যারি একারম্যান-এর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং নির্বাচিত হলে তিনি হবেন মার্কিন কংগ্রেসে নিউ ইয়র্ক সিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম এশীয় আমেরিকান কংগ্রেসওম্যান। সাক্ষাৎকারে কংগ্রেসওম্যান প্রার্থী গ্রেস মেং স্টেট এসেম্বলিতে দায়িত্ব পালনকালে তার অর্জনসমূহ, নভেম্বরের নির্বাচনী কৌশল ও কর্মসূচি, ওবামা প্রশাসনের সাফল্য ও আগামী নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনা, পররাষ্ট্রনীতি বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে তার নিজস্ব অবস্থান এবং সর্বোপরি তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে বাংলাদেশী আমেরিকানদের বিপুল অংশগ্রহণ ও সমর্থন বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমস আপনাকে ডেমোক্রেটিক দলীয় নেতৃত্বে রাইজিং স্টার এবং ব্রিজ বিল্ডার বলে আখ্যায়িত করেছে, এর কারণ হিসেবে আপনি নিজের সম্পর্কে কি বলবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মিজ গ্রেস মেং বলেন, সবাই যেখানে নিজ নিজ দলীয় এজেন্ডা নিয়ে এসেম্বলিতে প্রস্তাব তুলেন এবং তা বাস্তবায়নের  জোর প্রচেষ্টা চালান, সেখানে আমি নির্বাচিত হওয়ার পর  থেকেই ক্ষুদ্র ব্যবসা ও বিনিয়োগ, নতুন নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িওয়ালাদের জন্য উদ্দীপনা বরাদ্দ, সাশ্রয়ী গৃহায়ণ সুবিধা, বিশেষ অবস্থার শিকার শিশুদের জন্য ইনস্যুরেন্স কাভারেজ, প্রযুক্তিগত শিক্ষার গুণগত উত্তরণ, বেকারভাতা বৃদ্ধি, মানবপাচার রোধ বিষয়ক আইন হালনাগাদ, বিদ্যমান সোস্যাল সিকিউরিটি কর্মসূচির নিশ্চয়তা, সিনিয়র সিটিজেন-এর অধিক সুবিধা ইত্যাদি বিষয়ে জনগণের স্বার্থে প্রস্তাব রেখেছি যার  বেশির ভাগই বাইপার্টিজান সমর্থন পেয়ে পাস হয়েছে। আমি রিভার্স মর্টগেজ আইনটির মূলপ্রণেতা যার ফলে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষেরা উপকৃত হয়েছেন। এছাড়া নিউ ইয়র্ক স্টেটের ঐতিহাসিক বিল যার মাধ্যমে সরকারি সমস্ত দলিলপত্র থেকে ওরিয়েন্টাল শব্দটি বাদ  দেয়ার স্বপক্ষে আইন পাস করা হয়েছে, সে আইনটিরও প্রণেতা আমি উল্লেখ করে গ্রেস মেং বলেন, উভয় দলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা আমি ওয়াশিংটনেও কাজে লাগাতে চাই এবং বর্তমান সময়ের মার্কিন রাজনীতির জন্য এটা খুবই জরুরি। নির্বাচনে ভোটারদের জন্য আপনার উল্লেখযোগ্য তিনটি কর্মসূচি কি কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বহাল রাখা, মধ্যবিত্ত ও সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য অধিক চাকরির সুযোগ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার গুণগত উত্তরণ। এছাড়া একজন মা হিসেবে শিশুদের শিক্ষার পরিবেশ ও স্পেশাল বেবি ফর্মুলার আওতায় মেডিকেল ইনস্যুরেন্স কাভারেজ এর প্রতি আমি গুরুত্ব দিচ্ছি। ওবামার পররাষ্ট্র নীতি বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যনীতি বিষয়ে আপনার অবস্থান কি, এবং চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কোন্নয়নে আপনি ব্রিজ বিল্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে মনে করেন কি? জবাবে গ্রেস মেং জানান, ওবামা প্রশাসনের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতিকে আমি পুরোপুরি সমর্থন করি। পাশাপাশি ওইসব অঞ্চলে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে শক্তিশালী পার্টনারশিপ গড়ে তোলার পক্ষে আমি। বাংলাদেশী আমেরিকানদের দীর্ঘ দিনের একটি দাবি যা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারও চিন্তাভাবনা করছে, তা হলো নিউ ইয়র্ক সিটিতে বাংলাদেশের ১৯৫২ সালের ২১শে  ফেব্রুয়ারির (যা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত) ভাষা শহীদদের স্মরণে একটি ল্যাঙ্গুয়েজ মনুমেন্ট নির্মাণ করা। এ বিষয়ে আপনার নিকট বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে কোন দাবি উত্থাপন করা হয়েছে কি? জবাবে গ্রেস মেং এটি একটি অত্যন্ত চমৎকার আইডিয়া, নিউ ইয়র্কের এই বহুভাষা ও সংস্কৃতির সমাজে ২১শে ফেব্রুয়ারি স্মরণে ল্যাঙ্গুয়েজ মনুমেন্ট এই শহরকে আরও সম্মানিত করবে। তবে  যেহেতু বিষয়টি নিউ ইয়র্ক সিটির অধীনে তাই হয়তো  কেউ এখনও আমার নিকট এ দাবি নিয়ে আসেননি। তবে আমি এই ধারণার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করছি। বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশী কম্যুনিটির পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ নেয়া হলে আমি সবসময় পাশে থকবো। আপনি নির্বাচিত হলে কংগ্রেশনাল ককাস অব বাংলাদেশ-এ যোগ দেয়ার পরিকল্পনা আছে কি? আর সুযোগ পেলে কখনও বাংলাদেশ ভ্রমণ? জবাবে মার্কিন রাজনীতির এই মেধাবী ও শান্ত মেজাজের উদীয়মান  নেতা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, কংগ্রেসের বাংলাদেশ ককাসের প্রতিষ্ঠাতা কো-চেয়ারম্যান এই নিউ ইয়র্কেরই কংগ্রেসম্যান জোসেফ ক্রাউলি। তিনি আমার সিনিয়র, সুতরাং আমিও তাকে অনুসরণ করবো এবং নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ ককাসে যোগ দেবো।মানবজমিন
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV