কথা বললে বিষণ্নতা কমে!
কোনো একটা আনন্দ কারও সাথে ভাগ করে নিলে তা যেমন বহুগুণে বেড়ে যায় তেমনি দুঃখের ঘটনা ভাগ করে নিলে সেই দুঃখের অনুভূতিটাও অনেকাংশেই কমে। এতদিন ধরে প্রচলিত এই কথাটিই এবার গবেষণার আলোকে নতুন করে আরও একবার প্রমাণ করে দেখালেন স্কটল্যান্ডের একদল গবেষক। স্কটিশ এই গবেষকদের দাবি বিষণ্নতার সময়ে কারও সঙ্গে কথা বললে বা মন খারাপের বিষয়টি ভাগাভাগি করে নিলে পক্ষান্তরে তা বিষণ্নতা কমাতেই ভূমিকা রাখে। বিষণ্নতার মুখোমুখি হয়েছেন এমন ৪৬৯ জন বিষণ্নতার রোগীর উপর পরিচালিত দীর্ঘমেয়াদি এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ল্যানচেট জার্নালে। ব্রিস্টল শহরে পরিচালিত এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বিষণ্ন ব্যক্তিদের একটি দলকে প্রচলিত বিভিন্ন পন্থা অনুসরণ করে চিকিত্সা দেন। আর বিষণ্নতার শিকার রোগীদের অন্য দলটিকে কগনেটিভ বিহ্যাভিয়রাল থেরাপির অংশ হিসেবে দেওয়া হয় টকিং থেরাপি। এভাবে ৬ মাস চিকিত্সা চালানোর পর দেখা যায় যে টকিং থেরাপি বা কথা বলে, নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যাদের বিষণ্নতার চিকিত্সা করা হয়েছে তাদের শতকরা ৪৬ শতাংশের ক্ষেত্রেই বিষণ্নতা অর্ধেক পর্যন্ত কমেছে। অন্যদিকে প্রচলিত চিকিত্সার মাধ্যমে এই পরিমাণ সাফল্য এসেছে মাত্র ২২ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে। এ কারণে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, যারা বিষণ্নতার মুখোমুখি হয়ে নিজেদের আরও অন্তর্মুখী করে ফেলেন তাদের জন্য বিষণ্নতার এই মাত্রা বাড়ে বৈ কমেনি। যদিও বিজ্ঞানীরা তাদের এই গবেষণা ফলাফল জানানোর পাশাপাশি এটিও জানিয়েছেন যে যাদের ক্ষেত্রে বিষণ্নতার প্রচলিত চিকিত্সা তেমন একটা কাজে আসেনি তাদের জন্যই টকিং থেরাপি অধিক মাত্রায় কার্যকর হয়।ইত্তেফাক
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








