যুক্তরাষ্ট্রে কাজের দাবিতে লাখো মানুষের সমাবেশ
ইউএসএ নি উজ ডেস্ক: চাকরির সুযোগ সৃষ্টি ও মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে লক্ষাধিক মানুষের মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশকারীদের দাবি_ তারা যুদ্ধ নয়, কাজ চান, আর ঘৃণা করেন বর্ণবাদকে। শনিবার নগরীর ন্যাশনাল মলে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে চারশ’র বেশি মানবাধিকার সংগঠন, বামপন্থি দল ও ট্রেড ইউনিয়নের অন্তত দুই লাখ নেতা-কর্মী অংশ নেন। সংগঠকরা এ আয়োজনকে ‘এক জাতির সমাবেশ’ হিসেবে আখ্যা দিলেও অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই ছিলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থক। গত ২৮ অক্টোবর একই স্থানে রিপাবলিকান সমর্থক টি পার্টি কর্মীদের আরেকটি বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। রেডিও-টেলিভিশনের উপস্থাপক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব গ্গ্নেন ব্যাকের উদ্যোগে ওই সমাবেশে রিপাবলিকান পার্টির নেতা ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সারাহ পলিন বক্তব্য রাখেন। রিপাবলিকানদের ওই সমাবেশের জবাব দিতে ডেমোক্র্যাটরা এই সমাবেশ করেন। খবর বিবিসি ও আল জাজিরা অনলাইনের।
সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথিতযশা মানবাধিকার নেতা আল শার্পটন, জেস জ্যাকসন, গায়ক হ্যারি বেলাফোন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন এএফএল-সিআইওর সভাপতি রিচার্ড ট্রুমকা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠকরা বলেছেন, সমাবেশের প্রতিপাদ্য বিষয় মানবাধিকার ইস্যু, অর্থনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবি। অংশগ্রহণকারীরা রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। একটি প্ল্র্র্যাকার্ডে লেখা হয়, ‘টি পার্টি, ফক্স নিউজ ও রিপাবলিকানরা মুর্খদের আখড়া’। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে ফক্স নিউজ রিপাবলিক পার্টি সমর্থক গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত। আরেকটি প্ল্যাকার্ডে বলা হয়, ‘সাম্প্রদায়িক ঘৃণা বন্ধ কর, মুসলমানরা এখানে স্বাগতম’।
আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। সমাবেশে বক্তারা ওই নির্বাচনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। মানবাধিকার নেতা আল শার্পটন বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের ঘরে ঘরে যেতে হবে। দরজায় দরজায় কড়া নাড়তে হবে। প্রত্যেকটি চার্চের রিং বাজাতে হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের টিভি চ্যানেল এমএসএনবিসির উপস্থাপক এড স্কুলজ বলেন, ‘এটি আমেরিকার জন্য একটি বিশেষ সময়। পেছনে ফিরে যাওয়ার আর সময় নেই। এখন আমেরিকার জন্য লড়াই করার মুহূর্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ সমাবেশ জনগণের ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ । এ সমাবেশ ঐক্যবদ্ধ জনতার পারস্পরিক সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির উদাহরণ।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের প্রাধান্য থাকলেও আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে তা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে দেশের বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের কাছে ইতিবাচকতা তৈরি করবে বলে বিশেষজ্ঞ মহল ধারণা করছে।
২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামা যেসব পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন, তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তার সমর্থকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, ওবামার ডেমোক্রেটিক পার্টি কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ও সিনেটে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কায় রয়েছে।
সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথিতযশা মানবাধিকার নেতা আল শার্পটন, জেস জ্যাকসন, গায়ক হ্যারি বেলাফোন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন এএফএল-সিআইওর সভাপতি রিচার্ড ট্রুমকা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠকরা বলেছেন, সমাবেশের প্রতিপাদ্য বিষয় মানবাধিকার ইস্যু, অর্থনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবি। অংশগ্রহণকারীরা রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। একটি প্ল্র্র্যাকার্ডে লেখা হয়, ‘টি পার্টি, ফক্স নিউজ ও রিপাবলিকানরা মুর্খদের আখড়া’। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে ফক্স নিউজ রিপাবলিক পার্টি সমর্থক গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত। আরেকটি প্ল্যাকার্ডে বলা হয়, ‘সাম্প্রদায়িক ঘৃণা বন্ধ কর, মুসলমানরা এখানে স্বাগতম’।
আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। সমাবেশে বক্তারা ওই নির্বাচনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। মানবাধিকার নেতা আল শার্পটন বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের ঘরে ঘরে যেতে হবে। দরজায় দরজায় কড়া নাড়তে হবে। প্রত্যেকটি চার্চের রিং বাজাতে হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের টিভি চ্যানেল এমএসএনবিসির উপস্থাপক এড স্কুলজ বলেন, ‘এটি আমেরিকার জন্য একটি বিশেষ সময়। পেছনে ফিরে যাওয়ার আর সময় নেই। এখন আমেরিকার জন্য লড়াই করার মুহূর্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ সমাবেশ জনগণের ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ । এ সমাবেশ ঐক্যবদ্ধ জনতার পারস্পরিক সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির উদাহরণ।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের প্রাধান্য থাকলেও আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে তা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে দেশের বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের কাছে ইতিবাচকতা তৈরি করবে বলে বিশেষজ্ঞ মহল ধারণা করছে।
২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামা যেসব পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন, তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তার সমর্থকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, ওবামার ডেমোক্রেটিক পার্টি কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ও সিনেটে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কায় রয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








