হুমকি দেখলেই সাইবার হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র : নির্বাহী ক্ষমতাবলে হামলার নির্দেশ দেবেন প্রেসিডেন্ট
ডেস্ক : দেশের বাইরে থেকে কোনো ধরনের সাইবার হামলার আশঙ্কা দেখা দিলে তা মোকাবিলায় আগেভাগেই একই ধরনের হামলা চালানোর নীতিমালা প্রণয়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নীতিমালা পর্যালোচনার পুরো বিষয়টিই করা হয়েছে গোপনে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা এক প্রতিবেদনে এ দাবি করেছে। সাইবার অস্ত্রবিষয়ক পর্যালোচনা কমিটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানান, দেশের বাইরের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত পেতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কিভাবে কাজ করবে সে ব্যাপারে নির্দেশনা রয়েছে নতুন নীতিমালায়। এতে বলা হয়, কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই প্রেসিডেন্ট সাইবার হামলার অনুমোদন দিতে পারবেন। কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোতে সাইবার হামলা প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাইবার নিরাপত্তা শক্তি পাঁচ গুণ বাড়ানোর অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এর আগে একবারই ইরানের পরমাণু স্থাপনায় সাইবার হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিল অলিম্পিক গেমস। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই হামলার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়, বোমা হামলা বা সামরিক অভিযান ছাড়াও কোনো দেশের অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানান, যারা সাইবার অস্ত্রবিষয়ক নীতিমালা পর্যালোচনা করেছেন তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, সাইবার অস্ত্র পরমাণু অস্ত্রের মতোই শক্তিশালী। আর এ ধরনের অস্ত্র প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়কের হাতেই থাকা উচিত। গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন পানেটা স্বীকার করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তার জন্য আরো বেশি আর্থিক সহায়তা ও লোকবল দরকার। সাইবার হামলার বিষয়টিতে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দেয় গত গ্রীষ্মে। সে সময় সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত একটি তেল কম্পানির ৩০ হাজারেরও বেশি কম্পিউটারে হামলা চালায় হ্যাকাররা। ভাইরাস ছড়িয়ে কম্পিউটারগুলোর সব তথ্য মুছে দেয় তারা। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, সাইবারযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নে মূল ভূমিকা পালন করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রধান হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া জন ব্রেনান। ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকা জানায়, প্রতিরক্ষা বিভাগের সাইবার কমান্ড বিভাগের বর্তমান কর্মীসংখ্যা ৯০০ থেকে বাড়িয়ে চার হাজার ৯০০ করা হবে। এর মধ্যে সেনা ও বেসামরিক লোকও থাকবে। নতুন নির্দেশাবলিতে বলা হয়েছে, আমেরিকান কম্পানি বা লোকজনের ওপর সাধারণ সাইবার হামলা প্রতিরোধে পেন্টাগনকে জড়ানো হবে না। এ ধরনের হামলা প্রতিরোধের দায়িত্বে থাকবে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় ধরনের হামলায় সেনাবাহিনীকে সংশ্লিষ্ট করা হবে।কালের কণ্ঠ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests