Sunday, 15 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
সব ক্যাটাগরি

যখন একটি সরকার বিশ্বের যেকোনো স্থানে, যেকোনো সময় ও যে কারো ওপর হামলার ক্ষমতা আছে বলে দাবি করে, তখন তারা আসলে আইনের শাসনকেই খাটো করে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 9 বার

প্রকাশিত: April 27, 2013 | 9:48 AM

 ডেস্ক : ড্রোন (চালকবিহীন বিমান) হামলা চালিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মানুষ হত্যা করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বে ঘৃণার মাত্রা বাড়ছে। বিপরীতে জনপ্রিয়তা বাড়ছে আল-কায়েদার মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর। গত মঙ্গলবার এক শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটররা এমনই অভিমত দিয়েছেন। সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটিতে ‘ড্রোন ওয়ারস : দ্য কনস্টিটিউশনাল অ্যান্ড কাউন্টারটেরোরিজম ইমপ্লিকেশনস অব টার্গেটেড কিলিং’ শিরোনামের শুনানিতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সিনেটরদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ড্রোন হামলার বৈধতা এবং এ ধরনের হামলার পরিণাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দুপক্ষের সিনেটররাই রণক্ষেত্রের বাইরে ড্রোনের ব্যবহারের ওপর কড়া নজরদারির দাবি করেন। ইয়েমেনের ফারিয়া আল-মুসলিমি নামের এক ড্রোনবিরোধী আন্দোলনকর্মী সিনেট কমিটিকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলার কারণে ইয়েমেনে আল-কায়েদার সমর্থন বাড়ছে, ইয়েমেনিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মনোভাব জোরালো হচ্ছে এবং ইয়েমেন সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তিনি বলেন, ‘আমার গ্রামের অধিবাসীরা সব সময়ই আতঙ্কে থাকেন, কখনো না কখনো নিজের বা প্রতিবেশীর বাড়ি মার্কিন ড্রোনের আঘাতে ধ্বংস হয়ে যায়। মৌলবাদীরা যা পারেনি, একটি ড্রোন হামলাই তা করতে সহায়তা করছে। গ্রামবাসীর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি রাগ ও ঘৃণা বাড়ছে।’ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানেও ড্রোনবিরোধী জনমত প্রকট হচ্ছে। সন্ত্রাসী সন্দেহে যে কারো ওপর ড্রোন হামলার বৈধতা নিয়েও মার্কিন প্রশাসন কংগ্রেসের প্রশ্নের মুখে পড়েছে। শুনানিতে সভাপতিত্ব করেন সিনেটর রিচার্ড জে ডারবিন। তিনি জানান, পাকিস্তান, ইয়েমেন ও সোমালিয়ার মতো যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধ চালাচ্ছে না, সেসব স্থানে ড্রোন হামলার যৌক্তিকতা নিয়ে পর্যালোচনা হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘আরো স্পষ্ট করে যদি বলি, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণহানি ও সম্পদ লোকসানের হিসাব করলে ড্রোনের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড অনেক সহজ ও সস্তা। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি পরিণামও আছে, বিশেষ করে যখন এ ধরনের হামলায় বেসামরিক লোকজন মারা যাচ্ছে।’ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলার এক সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ড্রোন হামলার নীতিমালা-সংক্রান্ত এক প্রস্তাব পাস হয়। সামরিক উদ্দেশ্যে ড্রোন ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন বাস্তবতার কারণেই ড্রোন ব্যবহারের নীতিমালায় পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও ড্রোনসংক্রান্ত আইন পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়েছেন। পেন্টাগনের সাবেক উপদেষ্টা ও জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক রোজা ব্রুকস বলেন, স্পষ্ট আইনি কাঠামো থাকলে ড্রোন ব্যবহার নিয়ে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ‘এখন পর্যন্ত যারা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক বা নিহত হয়েছে, হয়তো এটা তাদের প্রাপ্য ছিল। কিন্তু যখন একটি সরকার বিশ্বের যেকোনো স্থানে, যেকোনো সময় ও যে কারো ওপর হামলার ক্ষমতা আছে বলে দাবি করে, তখন তারা আসলে আইনের শাসনকেই খাটো করে।’ সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট।কালের কণ্ঠ

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV