Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশ’র বিদেশী মিশনে বিপুল কর্মকর্তা নিয়োগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চেষ্টা ভণ্ডুল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 126 বার

প্রকাশিত: July 14, 2013 | 4:08 PM

ইমরান আলম : মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিদেশী মিশনগুলোতে বিপুল স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি চেষ্টা ভণ্ডুল করে দেয়া হয়েছে।  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরকারের শীর্ষ পর্যায়কে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে, রুলস অব বিজনেস-১৯৯৬ ও কনস্যুলার সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬৩ অনুসারে পাসপোর্ট ও ভিসা ইস্যু কূটনৈতিক কাজেরই অংশ। তাই পাসপোর্ট ও ভিসার কাজে অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে করা উচিত। এ কাজের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী বিদেশী মিশনগুলোতে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের ৩৬৬টি পদ সৃষ্টির কোনো যৌক্তিকতা নেই।  প্রাপ্ত তথ্যমতে, ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইসিএও) গাইডলাইন অনুযায়ী প্রচলিত পদ্ধতির সব পাসপোর্ট ২০১৫ সালের মধ্যে এমআরপিতে রূপান্তর করতে হবে। অর্থাৎ এরপর থেকে হাতে লেখা পাসপোর্ট বিশ্বের কোনো ইমিগ্রেশনে গ্রহণযোগ্য হবে না। সে হিসেবে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্রুততার সাথে এমআরপি ইস্যুর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে মিশনগুলোতে চুক্তিভিত্তিতে ১৪৮ জনবল নিয়োগ দেয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানায়। এ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেয় মাত্র ৬২টির। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশী ও বিদেশে স্থানীয় জনবল দিয়ে এ পদগুলো পূরণ করে এমআরপির কাজ চালিয়ে যায়। কিন্তু এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশী মিশনগুলোতে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের ৩৬৬টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনার শর্তে প্রধানমন্ত্রী গত বছর জুনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেন। আর নভেম্বরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বিদেশী মিশনগুলোতে এমআরপি ইস্যুর জন্য প্রাথমিকভাবে ৭৩টি পদের অনুমোদন দেয়া হয়। ইসলামাবাদে ডি-৮ সম্মেলন শেষে ফিরে আসার পর তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস বৈঠকটি অনুষ্ঠানের অনুরোধ জানালেও তা রক্ষা না করেই তড়িঘড়ি করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে তৎপর হয়। মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে বোঝাতে সক্ষম হয় যে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলোতে পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তারাই ইতোমধ্যেই সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছেন। বিদেশী মিশনগুলোতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রম কাউন্সিলর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর, তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রেস কাউন্সিলরদের সংখ্যা বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ছাড়িয়ে গেছে। এমনিতেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগকৃত লোকের কারণে মিশনের ওপর রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারের নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়ে আছে। কেননা তারা মিশন প্রধানের চেয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে তুষ্ট রাখতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন। তার ওপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩৬৬ পদ সৃষ্টি করা হলে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনগুলোতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া এমআরপিতে বায়োমেট্রিকসহ যাবতীয় তথ্য কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। এরপর পাসপোর্ট নবায়ন করার সময় শুধু ছবি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হবে। তাই পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজের পরিমাণ অনেক কমে যাবে। এ জন্য বিদেশী মিশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী পাসপোর্ট ও ভিসা উইং খোলার প্রয়োজন নেই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাই এ ধরনের কনস্যুলার সুবিধা দেয়ার জন্য যথেষ্ট। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার মতে, এমআরপির জন্য জরুরি প্রয়োজনে অন্য মন্ত্রণালয় থেকে জনবল নেয়া যেতে পারে, তবে তা সাময়িকভাবে। যেমন সৌদি আরব সীমিত সময়ের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করায় প্রবাসীদের দ্রুততার সাতে এমআরপি ইস্যুসহ অন্যান্য কনস্যুলার সার্ভিস দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ১৫০ এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয় থেকে সমসংখ্যক কর্মকর্তা রিয়াদ ও জেদ্দা মিশনে পাঠানো হয়। সম্প্রতি সৌদি সরকার সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ তিন মাস বাড়ানোয় ঢাকা থেকে পাঠানো অতিরিক্ত কর্মকর্তারা দেশে ফিরে আসছেন। কিন্তু এ জন্য অন্য মন্ত্রণালয় থেকে স্থায়ী পদ সৃষ্টি করা হলে তা পরে সরকারের জন্য বিশাল আর্থিক বোঝার কারণ হয়ে দাঁড়াত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে কর্মকর্তা পর্যায়ে ২৬২টি পদ রয়েছে। কাজের পরিধি বিবেচনায় এ জনবল ৪৬০ জনে বাড়ানোর প্রস্তাব সরকারকে দেয়া হয়েছে। গত পাঁচ বছরে গ্রিস, মিলান, ব্রাজিল, মেক্সিকো, মরিসাস, পর্তুগাল, লেবানন, মুম্বাই, ইস্তাম্বুল ও কুনমিংয়ে নতুন মিশন খোলা হয়েছে। এ ছাড়া ডেনমার্ক, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়ায় মিশন খোলার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এর বাইরে আফগানিস্তানের দূতাবাস আবার চালু করা এবং আফ্রিকার সেনেগাল, সিয়েরালিয়ন ও সুদানে নতুন দূতাবাস খোলার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।নয়া দিগন্ত

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV