Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature
সব ক্যাটাগরি

ব্রিটেনে অবৈধদের প্রতি সরকার : দেশে ফিরে যান, নইলে গ্রেপ্তার করে ফেরত পাঠানো হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 17 বার

প্রকাশিত: July 24, 2013 | 3:50 PM

অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য সরকার তার গৃহীত কঠোর নীতির অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে লন্ডনে এক নতুন প্রচারাভিযান শুরু করেছে। এতে স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিকেরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে বলেছেন, এর ফলে সমাজে বিভাজন তৈরি হবে।  অবৈধ অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যেতে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে লন্ডনে ‘দেশে ফিরে যান, নয়তো আটক করে ফেরত পাঠানো হবে’ ব্যানার ঝোলানো ভ্যান নামানো হয়েছে। এই ঘোষণাটি স্থানীয় সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশেরও ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। বিজ্ঞাপনে একটি টেলিফোন নম্বর দিয়ে এ ধরনের অবৈধ অভিবাসীদের বলা হয়েছে, তারা ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে সরকার তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। লন্ডনের স্থানীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের অনেকে সরকারের এই প্রচারাভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, তাঁদের এলাকাগুলোর কোথাও কোথাও জনবসতির অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী হওয়ায় সমাজে সন্দেহভিত্তিক বিভেদ তৈরি হবে এবং তা সামাজিক উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। তাঁদের আশঙ্কা, এই প্রচারণার কারণে অবৈধ অভিবাসীরা আরও সতর্ক হয়ে গোপনীয়তার আশ্রয় নেবেন।  বিক্ষুব্ধ রাজনীতিকদের মধ্যে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির এমপি সাবেক মন্ত্রী সারা টিদার বলেছেন, সরকারের এই অপ্রীতিকর উদ্যোগের ফল শুভ হবে না। লেবার পার্টি নিয়ন্ত্রিত ব্রেন্ট কাউন্সিল (পৌর কর্তৃপক্ষ) বলেছে, এ বিষয়ে কোনো পরামর্শ না করে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে তাঁরা আতঙ্কিত। লন্ডনের যেসব এলাকায় এই প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম এই ব্রেন্টের জনগোষ্ঠীর ৬৫ শতাংশই হলেন অভিবাসী। ব্রেন্ট কাউন্সিলের নেতা মুহাম্মদ বাট বলেছেন, বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর আবেদন নিষ্পত্তি না করে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরে অনুমান করা হয়, প্রায় দুই লাখ আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তবে, অভিবাসনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, মার্ক হারপার বলেছেন, অভিবাসন প্রশ্নে সরকারের সংস্কারের অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এই সংস্কারের কারণে এক দশকের মধ্যে অভিবাসন এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরই অভিবাসনবিষয়ক নতুন আইনে অবৈধ অভিবাসীরা যাতে কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা স্বাস্থ্যসেবার মতো কোনো সেবা বিনা মূল্যে না পান সেই ব্যবস্থা করা হবে।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV