Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature
সব ক্যাটাগরি

পিতা-মাতার কবরের কাছে বসবাস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 164 বার

প্রকাশিত: July 27, 2013 | 3:51 PM

 

দুইমাস ধরে বাবা-মায়ের কবরের কাছে নীল প্লাস্টিকের তাঁবুতে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে ওরা । তারা সবাই ভাইবোন। সকলের মধ্যে ছোটটির বয়স মাত্র ৭। গ্রামবাসীর দেয়া খাবারেই বেঁচে আছে তারা। ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রতাপড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর এনডিটিভির। 

সূত্র জানায়, এলাকাটি প্রাদেশিক রাজধানী লক্ষেৗ থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দুই বছরের মধ্যে এদের মা-বাবা দুজনেই এইডসে মারা যায়। তারপর থেকে কোনো আত্মীয়-স্বজন তাদের সাহায্য করেনি। তাদের এক চাচা বলেছেন, যেখানে বড় হয়ে উঠেছে সেই ছোট ঘরটিতে ওরা যদি থাকে তবে যে ভাইরাসের কারণে ওদের মা-বাবা মারা গেছেন, তাতে ওরাও আক্রান্ত হবে। এদের মধ্যে বড়জনের বয়স ২১ , সে-ই তার ছোট চার ভাইবোনকে নিয়ে কবরস্থানে চলে যায়। প্রতিবেশীরা স্বীকার করেছে, ছেলে-মেয়েগুলোকে তারা কোনো সাহায্য করার প্রস্তাব দেয়নি এবং সমাজচ্যুত করেছে। প্রতিবেশী হযরত আলী জানিয়েছেন, তারা ভেবেছেন তারাও আক্রান্ত হতে পারেন, তাই ওদের গ্রামের বাইরে দূরে কোথাও গিয়ে থাকতে বলেছেন।
সংবাদ মাধ্যমে এ ঘটনা প্রকাশের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব নিগৃহীত ওই শিশুদের প্রত্যেকের জন্য এক লাখ রুপি অনুদানসহ একটি বাড়ি বরাদ্দের ঘোষণা দেন। এরপরও কোনো আত্মীয় তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, আমরা তাদের একটি বাড়ির ব্যবস্থা করছি। তাদের মধ্যে দুজনকে স্কুলে পাঠানো হবে। গ্রামীণ চাকরি প্রকল্পের আওতায় সবার বড়জনের চাকরির ব্যবস্থা করছি। কিন্তু সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখার বিষয়ে আমরা কি করতে পারি।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV