Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

২০৩০ সালের মধ্যে রাজধানী আরিচা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে: নিউইয়র্কে বাংলাদেশের নগরায়ন সমস্যা, যানজট, পরিবেশ বিপর্যয় সম্পর্কিত সেমিনারে রেহমান সোবহান

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 165 বার

প্রকাশিত: October 17, 2010 | 1:14 AM

 এনাঃ নিউইয়র্কে বাংলাদেশের নগরায়ন সমস্যা, যানজট, পরিবেশ বিপর্যয় সম্পর্কিত এক সেমিনারে বক্তৃতাকালে আন্তর্জাতিক  খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেছেন, যেভাবে ঢাকার আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে মনে হয় ২০৩০ সালের মধ্যে রাজধানী ঢাকা আরিচা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব আমেরিকার অধ্যাপক ড. আদনান মোর্শেদ সেমিনারের মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে বাংলাদেশে নগরায়নে সমস্যা, যানজট, পরিবেশ ইত্যাদির তুলনামূলক আলোচনা করেন।

 

এ সময় তিনি বিশ্বের উন্নত দেশসমূহের পরিকল্পিত ও জনকল্যাণমুখী নগরসমূহের সাথে ঢাকা ও চট্টগ্রামের নানাবিধ অপরিকল্পিত ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। তাঁর উপস্থাপনার ভঙ্গি, তথ্য ও ইমেজসহ উপস্থাপনা এবং তুলনার সামঞ্জস্য ও অসামঞ্জস্য এমন কাষ্ঠ আলোচনাকেও হৃদয়গ্রাহী করে তোলে। দীর্ঘ আলোচনায় ড. আদনান উল্লেখ করেন, আমরা নানা বিষয়ে প্রবৃদ্ধির খবরে উৎফুল্ল হই। কিন্তু প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে সমাজে নগরে ও জীবনযাপনে যে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় সে কথা আমরা বলি না। উন্নত দেশগুলো প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশে এর প্রতিক্রিয়ার বিষয় সম্পর্কে সচেতন বলে তারা সে ব্যাপারে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ড. আদনান বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সংঘাতময় অবস্থায় বিরাজ করা সত্বেও আমাদের দেশে সমৃদ্ধি ঘটছে। তিনি বলেন, আগের গ্রাম আর নেই। দাড় বাওয়া নৌকা আর চোখে পড়ে না। গ্রামে পেট্রল চালিত গাড়ি চলছে। গ্রামের পরিবেশও ক্রমশ দুষিত হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যার অর্ধেকই বাস করে নগরে। যেহেতু অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকেরা ক্রমশঃ ধাবমান হচ্ছে নগরের দিকে তাই ২০৫০ সালে এই হার ৭০ ভাগে দাঁড়াবে। ড. আদনান বলেন, ঢাকা সিটির যানজট সমস্যার সমাধান করতে হলে সামগ্রিকভাবে চিন্তা করতে হবে, আরবান ইকলোজি তৈরী করতে হবে। রাজধানীকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার কথা ভাবতে হবে। তিন স্তরের হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করতে হবে। ন্যাচারাল ফুটপাথ প্রথা চালু করতে হবে। ঢাকা সিটির আরবান গ্রোথ সীমানা নির্ধারণ করে তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বছরে একদিন গাড়ি না চালানোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিভিন্ন গতির গাড়ির জন্য ডেডিকেটেড লেন করতে হবে রাস্তায়, গণ পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি জোর দিতে হবে। মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে সরকারী পরিবহন ব্যবস্থায় আগ্রহী করতে হবে। ড. আদনান তার গবেষণামূলক এ বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা নয়, দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান বলেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব কাল ৫ বছর। কিন্তু উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সমস্যাসমূহ সমাধান করতে করতেই ৫ বছর অদিবাহিত হয়। রাজধানী ঢাকায় গণপরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে বর্তমানে যে সংকট দেখা দিয়েছে, ২০ বছর আগে তা যদি সমাধান করা হতো তাহলে ঢাকা নগরীর চেহারা অন্যরকম হতো। তিনি বলেন, যেখানে জমি অবৈধভাবে দখল করে রাখা হয়, যেখানে কায়েমী স্বার্থ কাজ করে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন। তিনি বলেন, যেভাবে ঢাকার বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণহীন। পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান বলেন, পৃথকভাবে ঢাকার পরিকল্পনা করার আগে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের পরিকল্পনা করতে হবে। তিনি নগরায়ন ও পরিকল্পনায় এবং সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সচেতন ভূমিকার প্রশংসা করেন। উল্লেখ্য যে, আসছে ৮ জানুয়ারি ঢাকায় নগরায়ন, যানজট ও পরিবেশ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সেমিনারের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে গত শনিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এ সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক (বেন)। উত্তর আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে পেশাজীবী বাংলাদেশীদের সমন্বয়ে গঠিত বেনের সমন্বয়কারী এটর্নী তৌফিক চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। প্যানেলিস্ট ছিলেন কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. রওনক জাহান, রাজিয়া নাজমী প্রমুখ। বেনের আন্তর্জাতিক সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম বলেন, রাজধানী ঢাকার ব্যাপারে এখনই যদি সজাগ না হই তাহলে আরো বেশী পস্তাতে হবে সকলকে। তিনি ৮ জানুয়ারির সেমিনারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সচেতন প্রবাসীদের সেখানে অংশ নেয়ার আহবান জানান। 

 
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV