কুকুর বিড়ালের কনট্যাক্ট লেন্স

শুধু মানুষ নয়, বেশি বয়সে অনেক পশুর চোখেও ছানি পড়ে। এক জার্মান গবেষক তাদের জন্য কনট্যাক্ট লেন্স তৈরি শুরু করেছেন। আমেরিকায় তার যথেষ্ট কদর থাকলেও ইউরোপে ব্যবসা এখনও জমে ওঠেনি। ব্যবসার এমন আইডিয়ার কথা শুনলে সবার ভ্রু কপালে উঠে যায়। ক্রিস্টিনে ক্রাইনার পশুদের জন্য কনট্যাক্ট লেন্স তৈরি করেন। পশু চিকিত্সকদের সঙ্গে মিলে তিনি এই লেন্স তৈরি করেন। মূলত কুকুর ও বিড়ালদের চোখে ছানি পড়লে তা কাজে লাগে।
অপারেশনের খরচ এক থেকে দেড় হাজার ইউরো। অনেক পশুপ্রেমীই সানন্দে তা দিতে রাজি। ক্রাইনার বললেন, কিছুটা প্ররোচনা দিতে আমি বলি। ধরুন, দাদি বা নানির চোখে ছানি পড়েছে। আবার বাড়ির কুকুরেরও ছানি হয়েছে। এখন কার অপারেশন করানো হবে? আমেরিকায় কিন্তু সহজেই কুকুরের পাল্লা ভারী হয়। কারণ দাদি-নানি তো মারা যাবেনই! আসলে আমেরিকার বাজারে আমরাই সেরা। ইউরোপের তুলনায় সেখানে পশুপাখির অপারেশন অনেক বেশি প্রচলিত।
ক্রিস্টিনে ক্রাইনারের পক্ষে ইউরোপের বাজারে ব্যবসা করা কঠিন। অন্যদিকে এশিয়ায় কিন্তু চাহিদা বাড়ছে। তার সংস্থায় ৫১ কর্মী কাজ করেন। এ নিয়ে চারটি কোম্পানি খুললেন তিনি। মুনাফা করলেও দুটি বিক্রি করে দিয়েছেন।
শুলুতে মানুষের জন্যই কনট্যাক্ট লেন্স তৈরি করতেন ক্রিস্টিনে। ৬০ বছর বয়স্ক রসায়ন বিশেষজ্ঞ গবেষণার জগত্ থেকে এসেছেন। ব্যবসা বুঝতেন না। সম্বল ছিল ২৫ হাজার মার্ক। ক্রাইনার বললেন, হাতে টাকা ছিল খুব কম। শুরুটা ছিল ভীষণ কঠিন একসময়। তবে সে সময়ে কিন্তু ব্যাংকে সহজেই ঋণ পাওয়া যেত। যদিও ব্যবসায় মুনাফা হচ্ছিল না, তা সত্ত্বেও আমি কিন্তু ঋণ পেয়েছিলাম।
বার্লিনের উপকণ্ঠে হেনিংসডর্ফ শহরে কোম্পানির সদর দফতর। সরকারি সাহায্যের টানে প্রায় ২০ বছর আগে তিনি এই শহরে এসেছিলেন। রাজধানীর কাছে থাকাও তার জন্য জরুরি। বিনিয়োগকারীর খোঁজে তিনি বার্লিনে বায়ো-প্রযুক্তিসংক্রান্ত এক সম্মেলনে গিয়েছেন।
সেখানে প্রথমে বিনিয়োগকারীদের তেমন আগ্রহ দেখতে পাননি তিনি। কারণ ক্রিস্টিনের কোম্পানি তাদের কাছে বড়ই ছোট। টার্নওভার বা লেনদেন ৫০ লাখ ইউরোর মতো। ক্রাইনার বললেন, অঙ্কটা এক কোটি ইউরো হলে তখনই ভাবনা-চিন্তা করতে হয়। পণ্যের উন্নতির কাজে মন দিলে একটা সময়ে নিজের টাকায় আর কুলায় না। তখন একজন বিনিয়োগকারী পেলে বড় সুবিধা হয়।
অফিসে ফিরে কর্মীদের সঙ্গে মিটিংয়ে বসেন তিনি। আইটি খাতে খরচ বাড়ছে। ক্রিস্টিনের মতে, অঙ্কটা বড্ড বেশি। তিনি বলেন, যদি আমার মনে হয়, তারা এমন সব কাজের তালিকা তৈরি করেছে, যা তাদের নিজেদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, তখন আমি কী করব? তিনি চান, কর্মীরা কোম্পানির প্রতি দায়িত্ব দেখান। তিনি বলেন, আমরা দু’জন বেশ খুঁতখুঁতে। তবে সবাই সেটা বেশ মেনে নেয়।
ক্রিস্টিনে চান, সবাই খোলামেলাভাবে নিজেদের মনের কথা বলুক। তিনি বললেন, আমি যদি সহকর্মীদের সত্যি কোম্পানির কাজকর্মে আরও জড়িয়ে ফেলি, তাদের যদি বোঝাতে পারি যে সাফল্য বা ব্যর্থতা যাই আসুক না কেন, তারাও কোম্পানির অংশ, তখন তাদের কাজের মান বেড়ে যায়, অফিসে আসার ইচ্ছাও বেড়ে যায়। ভেবে দেখুন, সকালে অফিসে এসে কারও যদি মনে হয় ‘বাজে অফিস, কখন যে ৫টা বাজবে!’ সে অবস্থায় তাদের কাজের মানও ভালো হতে পারে না।
ক্রিস্টিনে ক্রাইনার দিনে প্রায় ১০ ঘণ্টা কাজ করেন। নিজের জন্য সময় থাকে না বললেই চলে। কবিতার বদলে তাকে টেকনিক্যাল লেখা পড়তে হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে সব অগ্রগতি তার নখদর্পণে থাকা চাই। তার আগামী কাজ হচ্ছে চোখের কৃত্রিম তারার জন্য রঙ তৈরি করা। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
অপারেশনের খরচ এক থেকে দেড় হাজার ইউরো। অনেক পশুপ্রেমীই সানন্দে তা দিতে রাজি। ক্রাইনার বললেন, কিছুটা প্ররোচনা দিতে আমি বলি। ধরুন, দাদি বা নানির চোখে ছানি পড়েছে। আবার বাড়ির কুকুরেরও ছানি হয়েছে। এখন কার অপারেশন করানো হবে? আমেরিকায় কিন্তু সহজেই কুকুরের পাল্লা ভারী হয়। কারণ দাদি-নানি তো মারা যাবেনই! আসলে আমেরিকার বাজারে আমরাই সেরা। ইউরোপের তুলনায় সেখানে পশুপাখির অপারেশন অনেক বেশি প্রচলিত।
ক্রিস্টিনে ক্রাইনারের পক্ষে ইউরোপের বাজারে ব্যবসা করা কঠিন। অন্যদিকে এশিয়ায় কিন্তু চাহিদা বাড়ছে। তার সংস্থায় ৫১ কর্মী কাজ করেন। এ নিয়ে চারটি কোম্পানি খুললেন তিনি। মুনাফা করলেও দুটি বিক্রি করে দিয়েছেন।
শুলুতে মানুষের জন্যই কনট্যাক্ট লেন্স তৈরি করতেন ক্রিস্টিনে। ৬০ বছর বয়স্ক রসায়ন বিশেষজ্ঞ গবেষণার জগত্ থেকে এসেছেন। ব্যবসা বুঝতেন না। সম্বল ছিল ২৫ হাজার মার্ক। ক্রাইনার বললেন, হাতে টাকা ছিল খুব কম। শুরুটা ছিল ভীষণ কঠিন একসময়। তবে সে সময়ে কিন্তু ব্যাংকে সহজেই ঋণ পাওয়া যেত। যদিও ব্যবসায় মুনাফা হচ্ছিল না, তা সত্ত্বেও আমি কিন্তু ঋণ পেয়েছিলাম।
বার্লিনের উপকণ্ঠে হেনিংসডর্ফ শহরে কোম্পানির সদর দফতর। সরকারি সাহায্যের টানে প্রায় ২০ বছর আগে তিনি এই শহরে এসেছিলেন। রাজধানীর কাছে থাকাও তার জন্য জরুরি। বিনিয়োগকারীর খোঁজে তিনি বার্লিনে বায়ো-প্রযুক্তিসংক্রান্ত এক সম্মেলনে গিয়েছেন।
সেখানে প্রথমে বিনিয়োগকারীদের তেমন আগ্রহ দেখতে পাননি তিনি। কারণ ক্রিস্টিনের কোম্পানি তাদের কাছে বড়ই ছোট। টার্নওভার বা লেনদেন ৫০ লাখ ইউরোর মতো। ক্রাইনার বললেন, অঙ্কটা এক কোটি ইউরো হলে তখনই ভাবনা-চিন্তা করতে হয়। পণ্যের উন্নতির কাজে মন দিলে একটা সময়ে নিজের টাকায় আর কুলায় না। তখন একজন বিনিয়োগকারী পেলে বড় সুবিধা হয়।
অফিসে ফিরে কর্মীদের সঙ্গে মিটিংয়ে বসেন তিনি। আইটি খাতে খরচ বাড়ছে। ক্রিস্টিনের মতে, অঙ্কটা বড্ড বেশি। তিনি বলেন, যদি আমার মনে হয়, তারা এমন সব কাজের তালিকা তৈরি করেছে, যা তাদের নিজেদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, তখন আমি কী করব? তিনি চান, কর্মীরা কোম্পানির প্রতি দায়িত্ব দেখান। তিনি বলেন, আমরা দু’জন বেশ খুঁতখুঁতে। তবে সবাই সেটা বেশ মেনে নেয়।
ক্রিস্টিনে চান, সবাই খোলামেলাভাবে নিজেদের মনের কথা বলুক। তিনি বললেন, আমি যদি সহকর্মীদের সত্যি কোম্পানির কাজকর্মে আরও জড়িয়ে ফেলি, তাদের যদি বোঝাতে পারি যে সাফল্য বা ব্যর্থতা যাই আসুক না কেন, তারাও কোম্পানির অংশ, তখন তাদের কাজের মান বেড়ে যায়, অফিসে আসার ইচ্ছাও বেড়ে যায়। ভেবে দেখুন, সকালে অফিসে এসে কারও যদি মনে হয় ‘বাজে অফিস, কখন যে ৫টা বাজবে!’ সে অবস্থায় তাদের কাজের মানও ভালো হতে পারে না।
ক্রিস্টিনে ক্রাইনার দিনে প্রায় ১০ ঘণ্টা কাজ করেন। নিজের জন্য সময় থাকে না বললেই চলে। কবিতার বদলে তাকে টেকনিক্যাল লেখা পড়তে হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে সব অগ্রগতি তার নখদর্পণে থাকা চাই। তার আগামী কাজ হচ্ছে চোখের কৃত্রিম তারার জন্য রঙ তৈরি করা। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি