Thursday, 19 March 2026 |
শিরোনাম
নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

এফবিআই’র সাবেক এক এজেন্ট ও তার বন্ধুকে ঘুষ,বিরোধী রাজনৈতিক নেতার ছেলে গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 109 বার

প্রকাশিত: August 4, 2013 | 2:03 PM

ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে বিরোধী পক্ষের এক রাজনীতিকের বিষয়ে গোপন তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন রিজভি আহমেদ ওরফে সিজার (৩৪) নামে এক বাংলাদেশী।  এ অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন এফবিআই’র সাবেক কর্মকর্তা জোহানেস থ্যালার (৪৯)। তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে রিজভি এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই’র সাবেক এক এজেন্ট ও তার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকে মোট ১০০০ ডলার ঘুষ দিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের বিরোধী দলের প্রবাসী এক নেতার ছেলে বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ হয়েছে। রিজভি বিপরীত রাজনৈতিক দলের একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ রাজনীতিকের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য এই ঘুষ বিনিময় করেন। এর মাধ্যমে রিজভি আহমেদ ওই নেতার রাজনৈতিক ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিলেন।  ইতোমধ্যে সেখানকার আদালত তাদের জামিন আবেদনও বাতিল করে দিয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে গ্রেপ্তার হওয়া ওই বাংলাদেশীর। বিদেশের মাটিতে এমন তৎপরতায় প্রবাসী কমিউনিটিতেও চলছে তোলপাড়। নানা নাটকীয়তা। জানার চেষ্টা করা হচ্ছে কে এই রিজভি। আর কার সম্পর্কে তিনি তথ্য সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের দেয়া ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে কারও পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। তবে নানা সূত্রে দুই জনেরই পরিচয় জেনে গেছেন প্রবাসীরা। 

যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘুষ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত এফবিআই’র সাবেক একজন এজেন্ট ও অন্য দুজন। তারা হলেন- হোয়াইট প্লেইনস রেসিডেন্ট এজেন্সির এফবিআই’র সাবেক স্পেশাল এজেন্ট রবার্ট লুসতিয়িক (৫০), তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু জোহানেস থ্যালার (৪৯) ও বাংলাদেশী রিজভি আহমেদ। এর মধ্যে রবার্ট লুসতিয়িকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বন্ধু জোয়ানেস থ্যালারকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের একজন প্রথম সারির রাজনীতিকের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। রবার্ট এফবিআই’র সাবেক এজেন্ট হওয়ায় তার পক্ষে এ তথ্য সংগ্রহ করা সহজ হবে বলে তাকে দেয়া হয় মূল দায়িত্ব। যদি তিনি অভিযুক্ত প্রমাণিত হন তাহলে তার সর্বোচ্চ ২৫ বছরের সাজা হতে পারে। তবে তারা বিরোধী পক্ষের কোন নেতা বা নেত্রীর তথ্য সংগ্রহ করছিলেন তা স্পষ্ট করে বলা হয় নি। তবে এতটুকু ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, তিনি পুরুষ বা নারী হতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের ক্রিমিনাল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সহকারী এটর্নি জেনারেল মিথিলি রহমান, নিউ ইয়র্ক দক্ষিণ জেলার এটর্নি প্রিত ভারারা ও আইন মন্ত্রণালয়ের ইন্সপেক্টর জেনারেল মাইকেল ই. হোরোউইটজ এ সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছেন। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইউটায় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে অন্য একটি ঘটনায় বন্দি আছেন রবার্ট লুসতিয়িক। সেখানে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তুলে ধরা হবে। রবার্ট লুসতিয়িক, তার বন্ধু জোহানেস থ্যালার ও রিজভি আহমেদ প্রতি জনের বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা তিনজনে মিলে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন। দুই নম্বর অভিযোগে বলা হয়েছে, রবার্ট লুসতিয়িক ও থ্যালার ঘুষ গ্রহণ করেছেন। তিন নম্বর অভিযোগে বলা হয়েছে, রিজভি আহমেদ একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়েছেন এবং তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ প্রস্তাব করেছিলেন। চার নম্বর অভিযোগে বলা হয়েছে, রবার্ট লুসতিয়িক আইন বহির্ভূতভাবে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডবিষয়ক (সাসপিসিয়াস অ্যাকটিভিটি রিপোর্ট) রিপোর্ট প্রকাশের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ২৫ বছরের জেল হতে পারে। তার বন্ধু থ্যালারকে দেয়া হতে পারে সর্বোচ্চ ২০ বছরের জেল। রিজভি আহমেদকে দেয়া হতে পারে সর্বোচ্চ ২০ বছরের জেল। থ্যালার ও রিজভি দু’জনেই বসবাস করেন ফেয়ারিফিল্ড কাউন্টিতে। গতকাল হোয়াইট প্লেইন কেন্দ্রীয় আদালত থেকে এ ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় একজন সুপরিচিত রাজনীতিকের তথ্য পাচারে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন ওই তিন ব্যক্তি। রিজভি আহমেদের কাছ থেকে ১০০০ ডলার ঘুষ নিয়ে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন এফবিআই’র সাবেক স্পেশাল এজেন্ট রবার্ট লুসতিয়িক ও তার বন্ধু থ্যালার। এ উদ্দেশ্য সফল করতে গিয়ে রবার্ট ও থ্যালার দু’জনে বিভিন্ন সময় টেক্সট মেসেজ বিনিময় করেছেন। তাতে তারা আলোচনা করেছেন কিভাবে রিজভি আহমেদের কাছ থেকে আরও অর্থ পেতে তাকে চাপে ফেলা যায় তা নিয়ে। একটি টেক্সট মেসেজে থ্যালারকে রবার্ট লিখেছেন, এই মিটিংয়ের জন্য (আহমেদকে) আমাদের উচিত আরও চাপ দেয়া। আমি নগদ অর্থ পাওয়ার বিষয়ে কথা বলবো। আমি ম্যাজিকের মতো কাজ করবো। আমরা এ উদ্দেশ্যের খুব কাছাকাছি। এ টেক্সট বার্তার জবাবে থ্যালার লিখেছেন, আমি জানি। আমাদের সামনে এখন যে অবস্থা তাতে এটা ঠিক। তাড়াতাড়ি আমাদেরকে আমার সৈকতমুখী রেস্তরাঁয় একটি মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করতে হবে। তবে ২০১২ সালের জানুয়ারিতে রবার্ট লুসতিয়িক জানতে পারেন রিজভি আহমেদ বাংলাদেশের ওই রাজনীতিবিদ সম্পর্কে গোপন তথ্য পেতে অন্য সোর্স ব্যবহার করছেন। এ কথা জানার পরই তিনি থ্যালারকে লিখেছেন, আমি (আহমেদকে) তাকে হত্যা করতে চাই। তাকে (আহমেদকে) বলো সে বাংলাদেশের যে রাজনীতিকের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করছে আমি সেই রাজনীতিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাকে বলো আমি রিজভি আহমেদ ও তার সহযোগীদের এই কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অনলাইনে জানিয়ে দেবো তারা গোপন তথ্য পাওয়ার জন্য ঘুষ প্রস্তাব করেছে এবং তারা যার সম্পর্কে এসব তথ্য চেয়েছে তার কাছে এগুলো বিক্রি করে দেবো। এভাবে হুমকি দিয়ে রিজভি আহমেদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন তারা। অভিযোগ মতে, সাসপিসিয়াস অ্যাক্টিভিটি রিপোর্টসহ এফবিআই’র গোপন তথ্য বিনিময়ের জন্য রিজভি আহমেদের কাছ থেকে রবার্ট ও থ্যালার কমপক্ষে ১০০০ ডলার ঘুষ নিয়েছে। এছাড়া, তারা রিজভির কাছ থেকে মাসিক হারে ঘুষ নেয়ার চুক্তি করেছিলেন। এই মামলাটি তদন্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আইন বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেলের অফিস।মানবজমিন

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV