আসছে কৃত্রিম মাংসের বার্গার

গবাদিপশুর স্টেমসেল থেকে তৈরি মাংস দিয়ে বার্গার তৈরি করবেন বিজ্ঞানীরা। সোমবার লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে
এই বার্গার তৈরি হবে। আর সেটা চেখে দেখবেন দুই স্বেচ্ছাসেবক খাদক। ডাচ বিজ্ঞানী মার্ক পোস্টের গত কয়েক বছরের গবেষণার ফল এই মাংস। পোস্টের আশা, তার উদ্ভাবিত মাংস বিশ্বের খাদ্যচাহিদা মেটানো ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করবে।
কয়েকটি তথ্য দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। বিশ্ব খাদ্য সংস্থার ২০০৬ সালের এক প্রতিবেদন বলছে, কৃষিকাজে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ুদূষণ, ডিফরেস্টেশন ও বায়ো-ডাইভারসিটি কমানোর ক্ষেত্রে ‘বড় ভূমিকা’ রাখছে। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বে যত গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হয়, তার ১৮ শতাংশের জন্য নাকি দায়ী মাংসশিল্প এবং এই মাত্রা আরও বাড়তে পারে; কারণ দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ চীন ও ভারতে মাংস খাওয়ার পরিমাণ বাড়ছে।
জাতিসংঘের ওই সংস্থার মতে, ২০৩০ সালে মাংস উত্পাদনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ৩৭৬ মিলিয়ন টনে। ১৯৯৭-৯৯ সালে যেটা ছিল ২১৮ মিলিয়ন টন। বেশি বেশি মাংস উত্পাদন মানেই হলো বেশি বেশি পরিবেশ দূষণ। সুতরাং যদি কৃত্রিম মাংস উত্পাদন করে মাংসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে তো সেটা ভালোই হবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
ডাচ বিজ্ঞানী পোস্ট আশা করছেন, আগামী ২০ বছরের মধ্যে বাণিজ্যিক উপায়ে কৃত্রিম মাংসের উত্পাদন শুরু করা যাবে; কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কৃত্রিম মাংস কি আসল মাংসের স্বাদ এনে দিতে পারবে? সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
এই বার্গার তৈরি হবে। আর সেটা চেখে দেখবেন দুই স্বেচ্ছাসেবক খাদক। ডাচ বিজ্ঞানী মার্ক পোস্টের গত কয়েক বছরের গবেষণার ফল এই মাংস। পোস্টের আশা, তার উদ্ভাবিত মাংস বিশ্বের খাদ্যচাহিদা মেটানো ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করবে।
কয়েকটি তথ্য দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। বিশ্ব খাদ্য সংস্থার ২০০৬ সালের এক প্রতিবেদন বলছে, কৃষিকাজে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ুদূষণ, ডিফরেস্টেশন ও বায়ো-ডাইভারসিটি কমানোর ক্ষেত্রে ‘বড় ভূমিকা’ রাখছে। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বে যত গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হয়, তার ১৮ শতাংশের জন্য নাকি দায়ী মাংসশিল্প এবং এই মাত্রা আরও বাড়তে পারে; কারণ দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ চীন ও ভারতে মাংস খাওয়ার পরিমাণ বাড়ছে।
জাতিসংঘের ওই সংস্থার মতে, ২০৩০ সালে মাংস উত্পাদনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ৩৭৬ মিলিয়ন টনে। ১৯৯৭-৯৯ সালে যেটা ছিল ২১৮ মিলিয়ন টন। বেশি বেশি মাংস উত্পাদন মানেই হলো বেশি বেশি পরিবেশ দূষণ। সুতরাং যদি কৃত্রিম মাংস উত্পাদন করে মাংসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে তো সেটা ভালোই হবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
ডাচ বিজ্ঞানী পোস্ট আশা করছেন, আগামী ২০ বছরের মধ্যে বাণিজ্যিক উপায়ে কৃত্রিম মাংসের উত্পাদন শুরু করা যাবে; কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কৃত্রিম মাংস কি আসল মাংসের স্বাদ এনে দিতে পারবে? সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি
- HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD








