Saturday, 5 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

মঙ্গলে পাড়ি জমাতে এক লাখ আবেদন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 140 বার

প্রকাশিত: August 12, 2013 | 1:16 AM

 
প্রিয় এই পৃথিবীতে যে আর কখনও ফেরা হবে না—আগেই তা জানিয়ে দিয়েছেন আয়োজকরা। তারপরও মঙ্গলে বসতি গড়ার অভিযানে যোগ দিতে এক লাখেরও বেশি দরখাস্ত জমা পড়েছে মার্স ওয়ানের দফতরে। সিএনএনের খবরে বলা হয়, গত বছর মঙ্গলে বসতি গড়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক এ বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। যে পরিকল্পনা তারা সাজিয়েছে, তাতে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে ৪০ জনকে বেছে নেয়া হবে এবং ২০২৩ সালে চার নভোচারীর প্রথম দলটি মঙ্গলে যাবে। এরপর প্রতি দুই বছর পরপর নতুন অভিযাত্রীরা যোগ দেবেন তাদের সঙ্গে।
মার্স ওয়ানের ঘোষণা অনুযায়ী, এই ওয়ানওয়ে টিকিটে যারা মঙ্গলে যাবেন তাদের আর কোনোদিনই পৃথিবীতে ফেরা হবে না।
বরং মহাকাশে মানুষের বসতি ছড়িয়ে দিতে লালগ্রহ মঙ্গলে তাদের গড়তে হবে এক নতুন পৃথিবী। মঙ্গেলে বেঁচে থাকার মতো উপযুক্ত পরিবেশও তাদেরই তৈরি করে নিতে হবে।
এ অভিযানে অংশ নিতে আবেদন করতে পারছে প্রাপ্তবয়স্ক, অর্থাত্ ১৮ বা তার বেশি বয়সী এবং শারীরিকভাবে সক্ষম যে কেউ। তবে এজন্য নিজের দেশের মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে পাঁচ থেকে ৭৫ ডলার পর্যন্ত ফি দিতে হচ্ছে আবেদনকারীকে। ২০১৫ সালের জুলাইয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ের মাধ্যমে চারজন করে মোট ছয়টি দল গঠন করা হবে। এরপর মঙ্গল অভিযানের উপযুক্ত করে তুলতে ৮ বছর ধরে প্রশিক্ষণ চলবে তাদের।
মার্স ওয়ানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মঙ্গল মিশন সফল করতে ২০১৪ সালে একটি যোগাযোগ উপগ্রহ পাঠানো হবে মঙ্গলের কক্ষপথে। ২০১৮ সালে রোবট পাঠিয়ে বসতির উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে। এরই মধ্যে খাবার, রসদ আর জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম নিয়ে উড়ে যাবে একাধিক নভোযান।
মঙ্গলের বুকে প্রথম বসতি স্থাপনকারীদের জন্য শক্তির জোগান দিতে সৌর প্যানেল বসানো এবং গ্রহের পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে পানি ও অক্সিজেন তৈরির আয়োজনও সেরে ফেলা হবে। সব ঠিক থাকলে চারজন নভোচারী মঙ্গলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রায় ১০ মাস পর তারা পা রাখবেন মঙ্গলের মাটিতে।
বছর দুয়েক আগে মঙ্গল অভিযানের এ পরিকল্পনা মাথায় আসার পর নিজের পয়সাতেই কাজ শুরু করেছিলেন মার্স ওয়ানের সিইও ডাচ উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলী ব্যাস ল্যান্ডসড্রপ। তবে গত ডিসেম্বর থেকে অনুদান নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেয়া শুরু করেছেন তিনি। মঙ্গলে মনুষ্যবাহী প্রথম অভিযানের ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় বিলিয়ন ডলার।
ল্যান্ডসড্রপ বলেন, যখন মঙ্গলে মানুষ যাবে, সেখানে মানুষের বসতি হবে, একটি নতুন পৃথিবী গড়ে তুলবেন তারা। আর তা হবে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একটি ঘটনা। এই বিজয়ের গল্পটি আমরা পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই। সূত্র : বিডিনিউজ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ