
সময়ের সাথে সাথে মানুষের স্টাইল স্টেটমেন্ট আর ফ্যাশনের সংজ্ঞা যে অনেকাংশেই পাল্টে যায় সেটা সবারই জানা। আর তাই ফ্যাশন সচেতন মানুষ বিশেষ করে রূপ সচেতন নারীদের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তুলতে কালে কালে অনেক পণ্য আর প্রযুক্তিই জায়গা করে নিয়েছে এই ধরাধামে। কিন্তু তাই বলে নিজেকে সুন্দর দেখাতে মুখমন্ডলের সাথে কৃত্রিম কোনো মুখোশ এঁটে সুন্দর হওয়ার চেষ্টাটা হাস্যকর না শুনিয়ে উপায় নেই। অথচ আপাত দৃষ্টিতে অদ্ভুত আর বর্তমানের বাস্তবতায় হাস্যকর শোনানো এই বিষয়টিকেই কিন্তু রূপচর্চার আগামী বলে বেশ জোর গলায় দাবি করছে ইউনিফেস মাস্ক নামের একটি মার্কিন কোম্পানি। তাদের দাবি দিনের পর দিন বিরক্তিকর মেকাপ কিংবা প্লাস্টিক সার্জারি থেকে রূপ-সচেতন মেয়েদের চিরতরেই মুক্তি দেবে মুখের সাথে বিশেষভাবে তৈরি এই মাস্ক বা মুখোশের সংযুক্তি। সাধারণ কাগজ বা প্লাস্টিক নয়, বরং রীতিমতো বায়োনিক স্কিন আর থ্রি-ডাইমেনশনাল ডিজাইনিংয়ের মাধ্যমে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা পূরণ করা এই মুখোশগুলো নারীকে তাদের কল্পনার সেরা সৌন্দর্যটিই পাইয়ে দেবে। এ প্রসঙ্গে ইউনিফেস মাস্কের প্রধান উদ্যোক্তা ও স্বপ্নদ্রষ্টা এবং নিউইয়র্কের স্কুল ফর ডিজাইন থেকে স্নাতক পাশ করা ঝুয়োয়িং লি প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলেছেন, এটা হলো সারাজীবনের সঙ্গী হওয়ার মতো একটি আত্মবিশ্বাস এবং এর মাধ্যমে নারীরা তাদের সেই স্বপ্নের অবয়বটিই ধারণ করতে পারবেন যা এ যুগের সকল সৌন্দর্য শর্তই পূরণ করে। বিশাল আয়তকার চোখ, বড় বড় চোখের পাতা, খাড়া নাক, চাপা গালের হাড় থেকে শুরু করে পরিপূর্ণ সৌন্দর্যের সবকিছুই থাকবে এই ইউনিফেস মাস্কে। অন্যদিকে বায়োনিক ফিট প্রযুক্তির কারণে এটি যেকোনো মুখাবয়বের সাথে সহজে মানিয়েও যাবে। আর কাঙ্ক্ষিত এই সৌন্দর্যের জন্য আগ্রহী নারীদেরকে মুখের ওপর বিশেষভাবে তৈরি একধরনের আঠা স্প্রে করে তার ওপর পছন্দসই মুখোশখানা এঁটে নিলেই চলবে যাতে প্রাথমিকভাবে খরচ পড়বে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার মতো।ইত্তেফাক