Thursday, 19 March 2026 |
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন
সব ক্যাটাগরি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড, প্রতিবাদে বুধ-বৃহস্পতিবার হরতাল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 51 বার

প্রকাশিত: September 17, 2013 | 7:23 AM

বিশেষ প্রতিনিধি: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতির বেঞ্চ সংখ্যগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এ রায় দেয়। 

নয়টা ৩২ মিনিটে প্রধান বিচারপতিসহ ৫ বিচারপতি আদালতে প্রবেশ করেন। রায়ের কার্যক্রম শুরু হলে প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হক আদেশের অংশটুকু পড়ে শোনান। আদেশে বলা হয়, কাদেও মোল্লার রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা আপিল মঞ্জুর করা হলো। যে অভিযোগ থেকে (৪নম্বর) তাকে ট্রাইবুন্যাল খালাস দিয়েছিল ওই অংশটুকু বাতিল ঘোষণা করা হলো। এই অভিযোগে কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীন কারা দণ্ড দেয়া হলো। ৬ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ট মতের ভিত্তিতে (৪/১) কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো। বাকি চারটি অভিযোগে ট্রাইবুন্যাল যে সাজা দিয়েছে তা বহাল রাখা হলো। 
গত ২৩শে জুলাই শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ট্রাইব্যুনালের রায়ের ৬ মাস পর সুপ্রিম কোর্ট এ মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করলো। এ রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে এরইমধ্যে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট এলাকাকে সোমবার রাত থেকেই নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয়। মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় গত ৫ই ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ছয়টি অভিযোগের মধ্যে দুই টিতে তাকে যাবজ্জীবন, তিনটিতে ১৫ বছর করে কারাদণ্ড এবং একটিতে খালাস দেয়া হয়। এ রায়ের পর কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। মূল আইনে সাজা বাড়াতে সরকার পক্ষের আপিলের বিধান না থাকলেও আন্দোলনের প্রেক্ষিতে আইন সংশোধন করে সরকারকে আপিলের সুযোগ দেয়া হয়।

‘কাদের মোল্লাকে তড়িঘড়ি করে হত্যার ষড়যন্ত্র’-জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি 
আপিল বিভাগের দেয়া ফাঁসির রায়ের মাধ্যমে কাদের মোল্লাকে তড়িঘড়ি করে হত্যার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। আজ দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলের পক্ষ থেকে হরতাল ঘোষণার পাশাপাশি তিনি এ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে আব্দুল কাদের মোল্লাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু এটি একটি ভুল রায়। আমরা এ রায়ে সংক্ষুব্ধ ও বিস্মিত। আমরা মনে করি এ রায় ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তিনি বলেন, বিচারের ইতিহাসে এটি একটি দুঃখজনক অধ্যায়। আব্দুল কাদের মোল্লার সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণের জন্য পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এর বিরুদ্ধে আমরা রিভিউ পিটিশন দায়ের করবো। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি সরকারদলীয় কোনো কোনো নেতা ও দু’একজন আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবী বলে বেড়াচ্ছেন রিভিউ পিটিশনের কোনো সুযোগ নেই এবং আব্দুল কাদের মোল্লাকে অবিলম্বে ফাঁসিতে ঝুলানোর কথাও বলছেন। তাদের এসব বক্তব্যের মাধ্যমে আব্দুল কাদের মোল্লাকে তড়িঘড়ি করে হত্যার ষড়যন্ত্রই ফুটে উঠেছে।

সরকার জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইসলাম ও ইসলামী আদর্শ উৎখাতের জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন।

কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় ঘোষণার প্রতিবাদে বুধ-বৃহস্পতি হরতাল

জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় ঘোষণার প্রতিবাদে বুধ ও বৃহস্পতিবার টানা দুই দিনের হরতাল আহবান করেছে দলটি। মঙ্গলবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতির মাধ্যমে হরতাল ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকালে রায় ঘোষণার পরপরই পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে বৈঠকে বসে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা। সকালে সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় ঘোষণা করে। 
বিবৃতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আজ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে আব্দুল কাদের মোল্লাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদ- প্রদান করেছেন। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু এটি একটি ভুল রায়। আমরা এ রায়ে সংক্ষুব্ধ ও বিস্মিত। আমরা মনে করি এ রায় ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
তিনি বলেন, বিচারিক আদালত যেখানে মৃত্যুদণ্ড দেননি সেখানে প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের মৃত্যুদণ্ড প্রদান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। তাছাড়া স্কাইপ কেলেঙ্কারির পরও ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান আইনের শাসনের পরিপন্থী।
রফিকুল ইসলাম খান, আমাদের আইনজীবীরা সমাপণী বক্তব্যে বলেছিলেন, যে সাক্ষ্য প্রমাণ আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে তার ভিত্তিতে আব্দুল কাদের মোল্লাকে দোষী সাব্যস্ত করার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু এটা দুর্ভাগ্যজনক আজ তাকে শুধু দোষী সাব্যস্তই করা হয়নি, মৃত্যুদণ্ডও দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিচারের ইতিহাসে এটি একটি দুঃখজনক অধ্যায়। আব্দুল কাদের মোল্লার সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণের জন্য পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এর বিরুদ্ধে আমরা রিভিউ পিটিশন দায়ের করবো। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি সরকারদলীয় কোনো কোনো নেতা ও দু’একজন আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবী বলে বেড়াচ্ছেন রিভিউ পিটিশনের কোনো সুযোগ নেই এবং আব্দুল কাদের মোল্লাকে অবিলম্বে ফাঁসিতে ঝুলানোর কথাও বলছেন। তাদের এসব বক্তব্যের মাধ্যমে আব্দুল কাদের মোল্লাকে তড়িঘড়ি করে হত্যার ষড়যন্ত্রই ফুটে উঠেছে।
সরকার জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইসলাম ও ইসলামী আদর্শ উৎখাতের জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে। ইসলামবিরোধী নারী নীতিমালা প্রণয়ন, ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে মাদ্রাসা শিক্ষা সংকোচনের ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মূলত: সরকার ইসলাম নির্মূলের ষড়যন্ত্র করছে। সরকার দেশের আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামী দলসমূহের ওপর চরম জুলুম, নির্যাতন পরিচালনা করছে। সরকার গণগ্রেফতার, গণহত্যা ও অত্যাচার-নিপীড়নের মাধ্যমে ইসলামপন্থীদের সমূলে উৎপাটনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।মানবজমিন

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV